নওগাঁয় ভুয়া সনদে মাদ্রাসা শিক্ষকতা ও কাজীগিরি করার অভিযোগ উঠেছেন আব্দুল কাদেরেরে বিরুদ্ধে। আবুল বাশার মোঃ আব্দুল কাদের শহরের চকপ্রসাদ ইসলামী আলিম মাদ্রাসায় জাল সনদে শিক্ষকতা ও নওগাঁ পৌরসভার ৫ নং ওয়ার্ডের কাজি। তার বিরুদ্ধে বাল্য বিবাহ, ভূয়া রেজিস্ট্রির অভিযোগ পাওয়া গেছে। ।
ভূক্তিভোগীরা বলছেন, আবুল বাশার মোঃ আব্দুল কাদেরের শিক্ষাগত সনদ ও পেশার অবস্থা গত কার্যক্রমে একাধিক অসঙ্গতির তথ্য পাওয়া গেছে। অভিযোগ অনুযায়ী, তিনি দাখিল ও আলিম পরীক্ষার জাল সনদ ব্যবহার করে মাদ্রাসা বোর্ডের অধীনে শিক্ষকতা এবং সরকারী কাজী পেশা একসঙ্গে পরিচালনা করে আসছেন।
সংশ্লিষ্ট নথিপত্রে দেখা যায়, তার দুটি সনদে একই রোল ও রেজিস্ট্রেশন নম্বর ব্যবহার করা হয়েছে। এছাড়া মাত্র ১১ বছর বয়সে এসএসসি/ সমমানের পরীক্ষায় উত্তীর্ণ হওয়ার তথ্যও পাওয়া যায়, যা নিয়ে প্রশ্ন উঠেছে।
স্থানীয় সূত্রে জানা যায়, ২০১৬/২০২৪/২০২৫ সালে বাংলাদেশ মাদ্রাসা শিক্ষা বোর্ডের তদন্ত এবং পরবর্তীতে হাইকোর্টে দায়ের করা এক রিট পিটিশন মামলায় তার সনদ জাল বলে প্রমাণিত হয়। তবে অভিযোগ রয়েছে, প্রভাব ও ক্ষমতার কারণে তিনি এখনও ওই সনদ ব্যবহার করে শিক্ষকতা ও কাজিগিরি চালিয়েযাচ্ছেন।
স্থানীয় বাসিন্দাদের অভিযোগ, তিনি বিভিন্ন এজেন্টের মাধ্যমে বাল্যবিবাহ সম্পন্ন করতেন এবং নিজে অনুপস্থিতিতেও প্রতিনিধির মাধ্যমে বিবাহ কার্যক্রম পরিচালনা করিয়া আসিতেছেন। একই সঙ্গে শিক্ষকতা ও কাজী পেশায় নিয়োজিত থাকায় দায়িত্ব পালনে স্বচ্ছতা ও বৈধতা নিয়েও প্রশ্ন উঠেছে।
এ বিষয়ে স্থানীয় সচেতন মহল দ্রুত তদন্ত ও প্রয়োজনীয় আইনগত ব্যবস্থা গ্রহণের দাবি জানিয়েছেন। তারা বলছেন, শিক্ষা প্রতিষ্ঠান ও বিবাহ নিবন্ধন কার্যক্রমের মতো গুরুত্বপূর্ণ ক্ষেত্রে জাল সনদধারী ব্যক্তির সম্পৃক্ততা সমাজে নেতিবাচক প্রভাব ফেলতে পারে।
অভিযুক্ত আবুল বাশার মোঃ আব্দুল কাদেরের বক্তব্য জানতে একাধিকবার যোগাযোগের চেষ্টা করা হলেও তার কোনো প্রতিক্রিয়া পাওয়া যায়নি। তবে সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষ বলছে, বিষয়ে প্রয়োজনীয় নথিপত্র যাচাই করে আইন অনুযায়ী ব্যবস্থা নেওয়া হবে। এ প্রতিবেদন লেখা অনুযায়ী মামলার প্রস্তুতি চলছে।





