ফ্লাইট ওঠানামার চাপ চরমে, অতিরিক্ত ফ্লাইট অনুমোদন সাময়িক স্থগিত

0
11

হযরত শাহজালাল আন্তর্জাতিক বিমানবন্দরে ফ্লাইট ওঠানামা ও যাত্রীচাপ সর্বোচ্চ পর্যায়ে পৌঁছানোয় নতুন করে বিদেশি এয়ারলাইন্সের নির্ধারিত ফ্লাইটের বাইরে অতিরিক্ত আন্তর্জাতিক ফ্লাইট পরিচালনার অনুমোদন সাময়িকভাবে স্থগিত করেছে বেসামরিক বিমান চলাচল কর্তৃপক্ষ (বেবিচক)।

সম্প্রতি এক চিঠির মাধ্যমে দেশে ৩৮টি এয়ারলাইন্সকে এই চিঠি পাঠিয়েছে তারা। হযরত শাহজালাল আন্তর্জাতিক বিমানবন্দরের তৃতীয় টার্মিনাল পূর্ণাঙ্গভাবে চালু না হওয়া পর্যন্ত এ সিদ্ধান্ত কার্যকর থাকবে বলে চিঠিতে বলা হয়।

বর্তমানে শাহজালাল আন্তর্জাতিক বিমানবন্দরে প্রতিদিন গড়ে ১৪০ থেকে ১৬০টি আন্তর্জাতিক ও ১২৫ থেকে ১৪০টি অভ্যন্তরীণ ফ্লাইট ওঠানামা করে। পাশাপাশি ১০ থেকে ১৬টি আন্তর্জাতিক কার্গো ফ্লাইট পরিচালিত হচ্ছে। ব্যক্তিমালিকানাধীন হেলিকপ্টারসহ প্রতিদিন প্রায় ৩১৬টি উড়োজাহাজ ওঠানামা করছে। এতে রানওয়ে, ট্যাক্সিওয়ে, টার্মিনাল, অ্যারোব্রিজ, চেক-ইন কাউন্টার, ইমিগ্রেশন ও ব্যাগেজ ব্যবস্থাপনায় তীব্র চাপ তৈরি হচ্ছে।

চিঠিতে উল্লেখ করা হয়, বর্তমানে আন্তর্জাতিক ও অভ্যন্তরীণ মিলিয়ে গড়ে প্রায় ৩১৬টি উড়োজাহাজ ওঠানামা করছে। যেসব এয়ারলাইন্সের বাংলাদেশে পরিচালন বেজ নেই, তাদের ক্ষেত্রে টার্মিনাল-৩ চালু না হওয়া পর্যন্ত অনুমোদিত সময়সূচি ও ফ্রিকোয়েন্সির বাইরে অতিরিক্ত নির্ধারিত যাত্রীবাহী ফ্লাইটের আবেদন অনুমোদন করা হবে না। আগে কোনো স্লট বরাদ্দ পেলেও সেটিকে পরিচালনগত অনুমোদন হিসেবে গণ্য করা যাবে না।

একইসঙ্গে ঢাকার ওপর চাপ কমাতে অতিরিক্ত ফ্লাইট পরিচালনার জন্য চট্টগ্রাম ও সিলেট আন্তর্জাতিক বিমানবন্দর ব্যবহারের আহ্বান জানানো হয়েছে।

বেবিচক সদস্য (পরিচালনা ও পরিকল্পনা) এয়ার কমডোর আবু সাঈদ মেহবুব খান জানান, শাহজালাল বিমানবন্দরে বর্তমানে সক্ষমতার তুলনায় অনেক বেশি ফ্লাইট পরিচালিত হচ্ছে। তবে কোনো এয়ারলাইন্স চাইলে চট্টগ্রামের হযরত শাহ আমানত আন্তর্জাতিক বিমানবন্দর বা সিলেটের ওসমানী আন্তর্জাতিক বিমানবন্দর ব্যবহারের অনুমোদন নিতে পারবে। থার্ড টার্মিনাল চালু হলে এ স্থগিতাদেশ প্রত্যাহার করা হবে।

LEAVE A REPLY

Please enter your comment!
Please enter your name here