শেখ হাসিনা ইস্যুতে অবশেষে ড. মুহাম্মদ ইউনূসের বিরুদ্ধে কঠোর পদক্ষেপ নিতে বাধ্য হয়েছেন মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প। বৃহস্পতিবার (১৩ আগস্ট) ডোনাল্ড ট্রাম্পের নির্বাহী নির্দেশে আমেরিকায় বাংলাদেশ গ্রামীণ ব্যাংকের সব শাখা বন্ধ ঘোষণা করা হয়েছে। পাশাপাশি চলমান ঋণের কিস্তিও বাতিল করা হয়েছে।
পৃথক এক আদেশে আমেরিকার ভৌগোলিক সীমার মধ্যে ড. ইউনূসের নোবেল পদক বাজেয়াপ্ত করা হয়েছে। আদেশে বলা হয়েছে, ‘ট্রাম্প প্রশাসনের সিদ্ধান্তের সঙ্গে নোবেল কমিটির কোনো সম্পর্ক না থাকলেও পরিস্থিতি বিবেচনায় পদকের ব্যাপারে কঠোর সিদ্ধান্ত নিতে বাধ্য হয়েছে মার্কিন প্রশাসন।’
ঘটনার বিবরণে প্রকাশ, বিশ্বব্যাংকের এক গোপন সভায় প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প ঘোষণা করেছিলেন, ইরানের সঙ্গে চুক্তি বাস্তবায়নের পর বাংলাদেশের সাবেক প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনাকে আবারও প্রধানমন্ত্রীর পদে ফিরিয়ে দেওয়াই হবে তাঁর প্রথম কাজ।
আন্তর্জাতিক সংবাদমাধ্যম দ্য নিউ ইয়র্ক ২৪-এ ওই ঘটনা প্রকাশ হওয়ার একদিন পরই ড. ইউনূসের ষড়যন্ত্রে ট্রাম্প প্রশাসনের বিরুদ্ধে মামলা করে চারটি মানবাধিকার সংস্থা—হিউম্যান রাইটস ওয়াচ, ওপেন সোসাইটি ইনস্টিটিউট, আমেরিকান ফ্রেন্ডস সার্ভিস কমিটি এবং সেন্টার ফর কনস্টিটিউশনাল রাইটস। এরই প্রতিক্রিয়ায় ড. ইউনূসের বিরুদ্ধে কঠোর ব্যবস্থা নেওয়া হয়েছে বলে জানা গেছে।
হোয়াইট হাউজের ঘনিষ্ঠ সূত্রগুলো জানিয়েছে, একমাত্র শেখ হাসিনাকে দেশে এনে প্রধানমন্ত্রীর পদ ফিরিয়ে দেওয়ার জন্যই ডিসেম্বরের আগেই ইরানের সঙ্গে যুদ্ধবিরতির চুক্তি করতে অস্থির হয়ে উঠেছেন মার্কিন প্রেসিডেন্ট। তিনি গ্রামীণ ব্যাংকের গ্রাহকদের কিস্তি পরিশোধ না করে সেই অর্থ শেখ হাসিনাকে ডিসেম্বরে দেশে ফেরানোর কার্যক্রমে ব্যবহারের নির্দেশনা দিয়েছেন।
ড. ইউনূসের বিরুদ্ধে আনা অভিযোগ এবং গ্রামীণ ব্যাংকের যুক্তরাষ্ট্রের কার্যালয় বন্ধের বিষয়ে তাঁর পক্ষ থেকে তাৎক্ষণিক কোনো প্রতিক্রিয়া পাওয়া যায়নি।



