নিজেদের তেলের রিজার্ভের এক পঞ্চমাংশের নিয়ন্ত্রণ যুক্তরাষ্ট্রের হাতে তুলে দিয়েছে ভেনেজুয়েলা। আগামী ২৫ বছর মার্কিন কোম্পানিগুলো সেখান থেকে তেল উত্তোলন করবে। যার বেশিরভাগ নিয়ে যাবে তারা। যুক্তরাষ্ট্রকে তেলের নিয়ন্ত্রণ দিয়ে দেওয়ার পর সমালোচনার মুখে পড়েছেন ভেনেজুয়েলার অন্তর্বর্তী প্রেসিডেন্ট ডেলসি রদ্রিগেজ। এরমধ্যেই আজ রোববার (৩০ আগস্ট) এক বার্তায় ডেলসি বলেছেন, মার্কিনিদের তেলের নিয়ন্ত্রণ দিলেও ভেনেজুয়েলার সার্বভৌমত্ব অক্ষুণ্ণ আছে।
দেশটির সরকারি টিভিতে প্রচারিত বক্তব্যে অন্তর্বর্তী প্রেসিডেন্ট বলেছেন, “একটি বিষয় অবশ্যই স্পষ্ট করতে হবে : প্রাকৃতিক সম্পদের ওপর ভেনেজুয়েলার মালিকানা ও সার্বভৌমত্ব অক্ষুণ্ণ আছে।”
গত জানুয়ারিতে সাবেক প্রেসিডেন্ট নিকোলাস মাদুরোকে রাজধানী কারাকাস থেকে অপহরণ করে নিয়ে যুক্তরাষ্ট্রের সেনাবাহিনীর বিশেষ বাহিনী ডেল্টা ফোর্স। এরপর তাকে কারাগারে বন্দি করে মার্কিনিরা।
মাদুরোকে অপহরণ করার পর ডেলসিকে অন্তর্বর্তী প্রেসিডেন্ট বানায় যুক্তরাষ্ট্র। যিনি এক সময় ভেনেজুয়েলার তেলমন্ত্রী ছিলেন। ভেনেজুয়েলা যুক্তরাষ্ট্রের নিষেধাজ্ঞার কারণে ব্যাপক অর্থনৈতিক চাপে পড়লে ডেলসি তেল রপ্তানি অব্যাহত রাখার কৌশল বের করে অর্থনীতিকে কিছুটা সচল রেখেছিলেন।
এদিকে যুক্তরাষ্ট্রের প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প গত শুক্রবার ঘোষণা দেন, ভেনেজুয়েলার সঙ্গে তাদের ইতিহাসের সবচেয়ে বড় তেল চুক্তি হয়েছে। এরমাধ্যমে ভেনেজুয়েলার ৬৫ বিলিয়ন ব্যারেল তেলের ওপর মার্কিনিদের নিয়ন্ত্রণ আরোপিত হয়েছে।
মধ্যপ্রাচ্যের ইরান যুদ্ধের কারণে যুক্তরাষ্ট্রে পেট্রোলসহ অন্যান্য জ্বালানির দাম বেড়ে গেছে। এখন ট্রাম্প প্রশাসন চাইছে জ্বালানির দাম নিয়ন্ত্রণে রাখতে। এরমধ্যেই ভেনেজুয়েলার সঙ্গে তেল চুক্তি করেছেন তিনি।





