মেয়েদের সম্পর্কে ছেলেদের ১০টি ভুল ধারণা এই ভুলের কারনে ছেলরা আর মেয়েদের

0
1392

নারী-পুরুষ তথা বিপরীত জেন্ডারের প্রতি আকর্ষণ প্রকৃতি প্রদত্ত। তবে নারী পুরুষের এই আকর্ষণের পাশাপাশি অনেক সময় বিপরীত চরিত্রও দেখা যায়। আবার অনেক পুরুষ নিজের প্রেমিকা ও স্ত্রী সম্পর্কে এমন কিছু ধারণা মনে পোষণ করে যা একান্তই কাম্য নয়।

দেখে নেওয়া যাক এমনই কিছু ভুল ধারণা সম্পর্কে-

১. কোন নারী ভালো ভাবে কথা বললেই পুরুষেরা ধরে নেন যে মেয়েটি তাঁর সঙ্গে প্রেম করতে আগ্রহী। এর চাইতে ভুল ধারণা আর হতেই পারে না। মেয়েরা কিন্তু খুব অপছন্দের মানুষের সঙ্গেও দারুণ ভদ্র আচরণ করতে জানেন।

২. মেয়েদের সম্পর্কে দুর্নাম আছে যে তাঁরা অনেক ইমোশনাল। পুরুষেরা ভুলে যান, যে সকলের আবেগ প্রকাশের ধরণ এক হয় না। মেয়েদের আবেগ প্রকাশ পুরুষের চাইতে ভিন্ন বলে তাঁকে নিয়ে ঠাট্টা করার কিছু নেই।

৩. নিজের কর্মক্ষেত্রে দারুণ সফল মেয়েদের ক্ষেত্রে বেশিরভাগ পুরুষই মনে করেন যে, মেয়েটি সৌন্দর্য দেখিয়ে বা শারীরিক সম্পর্কের বিনিময়ে পদোন্নতি পেয়েছেন। অথচ পুরুষেরা জানেনও না যে মেয়েদের অনেক বেশী পরিশ্রম করতে হয় পুরুষের সমান সফলতা অর্জন করতে।

৪. অনেক পুরুষ ভাবেন যে সব মেয়েরই প্রথম আগ্রহ শাড়ি, গহনা ও সাজগোজের প্রতি। এবং সব মেয়েরাই এইসব নিয়েই থাকতে ভালোবাসেন।

৫. মেয়েরা সাজলেই মনে করা হয় যে সেটা পুরুষদের দেখানোর জন্য। এটা আরও ভীষণ ভুল ধারণা। মেয়েরা সাধারণত ও অনেকসময়ই নিজের জন্যই সাজেন।

৬. সম্পর্কে কমিটমেন্ট চাইলেই পুরুষেরা মনে করেন যে মেয়েটি এক্ষুনি বিয়ে করতে চায়। সম্পর্কে প্রতিজ্ঞাবদ্ধ হওয়া আর বিয়ের মাঝে যে আকাশ পাতাল পার্থক্য এটা বহু পুরুষই বোঝেন না।

৭. আকর্ষণীয় পোশাক পরে কোন পুরুষের সামনে গেলেই তিনি ধরে নেন যে মেয়েটি যৌন সম্পর্কে আগ্রহী! এটাও ভুল ধারণা।

৮. প্রেমিক বা স্বামীকে সময় না দিয়ে নিজের বন্ধুদের সাথে সময় কাটালে পুরুষেরা ধরেই নেন যে মেয়েটি বাউন্ডুলে। এমনকি একজন নারীর পুরুষ বন্ধু থাকলে বেশিরভাগ পুরুষ তাঁকে চরিত্রহীন বলে ধরে নেন।

৯. ভালো চাকরি করলে নাকী মেয়েরা সংসারী হয় না।

১০. নিজের থেকে সফল নারীকেই পুরুষেরা “খারাপ” অভিহিত করেন। এটা পুরুষদের বাজে ধারণা।

জেলে থাকাকালীন অনেক নাবালিকা মেয়েরা গর্ভবতী হয়ে পড়েছেন।

পুরুষ কয়েদিদের পাশাপাশি একই ভাবে বৃদ্ধি পেয়েছে মহিলা কয়েদিদের সংখ্যাও। বর্তমানে সে দেশে ১ লক্ষ মহিলার মধ্যে ৬৭ জনই বিভিন্ন অপরাধের জন্য জেলে বন্দি। এর মধ্যে গুরুতর অপরাধ যেমন রয়েছে, তেমনই রয়েছে সূক্ষ্ম অপরাধও। এক ঝলকে দেখে নিন সেখানকার জেলে মহিলাদের কী কী সহ্য করতে হয়।

বিচারে এগিয়ে রয়েছে মার্কিন যুক্তরাষ্ট্র। এক আন্তর্জাতিক সংবাদমাধ্যমে প্রকাশিত প্রতিবেদন অনুযায়ী, বিশ্বের ২৫ শতাংশ কয়েদিই থাকেন যুক্তরাষ্ট্রের জেলে। ১৯৮০ থেকে ২০১০ সালের মধ্যেই সংখ্যাটা সবচেয়ে বেড়েছে।

১। নাবালিকা কয়েদিরা মাঝেমধ্যেই যৌন নিগ্রহের শিকার হন। বহুক্ষেত্রে জেল কর্মীরাই এই ঘটনার পিছনে থাকেন।

২। মহিলা কয়েদিরা পুরুষ কয়েদিদের তুলনায় বেশি অসুস্থ হন জেলে। হেপাটাইটিস সি, এইচআইভি, বিভিন্ন চর্মরোগ নিয়ে জর্জরিত থাকেন তারা। সবসময়ে এর প্রকৃত চিকিৎসাও মেলে না।

৩। জেলে থাকাকালীন অনেক নাবালিকা গর্ভবতী হয়ে পড়েছে। কর্তৃপক্ষ এ বিষয়েও নিরুত্তাপ।

৪। জেলকর্মীদের থেকে ক্রমান্বয়ে দুর্ব্যবহার পেতে পেতে মানসিক ভাবে অসুস্থ হয়ে পড়েন অনেক মহিলাই।

৫। জেল থেকে বেরনোর পরে চাকরি পাওয়া বা স্কুল-কলেজে যাওয়া একরকম অসম্ভব হয়ে যায়।

আরো পড়ুনঃ
জেনেনিন মেয়েদের মন পেতে এই ৬টি কৌশল কাজে লাগবে

মনের মানুষটি যে ভাষাতেই কথা বলুন না কেন, সেই ভাষা আপনি জানলে তা নির্ভুলভাবে বলতে শিখুন। ভাষার প্রাধান্য নয়, মেয়েরা পছন্দ করে ঠিক ব্যাকরণ, ভাষার সঠিক প্রয়োগ ও সুন্দর কথা বলার গুণ। কাজেই মনের মানুষকে ইমপ্রেস করতে আজই অভ্যাস করুন সেসব।
শিশুদের যদি শিশুদের ভালোবাসেন তাহলে আপনার ব্যবহারে তাদের প্রতি মমতা প্রকাশ করুন। মেয়েদের আকর্ষণের ক্ষেত্রে এটা কিন্তু আপনার ব্যক্তিত্বের ইতিবাচক দিক। মেয়েদের মধ্যে মাতৃত্বের এক আলাদা বৈশিষ্ট্য থাকে বলেই এই বিশেষত্বটি তাদের এত টানে।
নিজের বুদ্ধিমত্তার প্রকাশ যদি করতে পারেন কোনো মেয়ের সামনে, তা হলে তাকে ইমপ্রেস করার অনেকটা কাজই কিন্তু এগিয়ে রাখা যায়। যে কোনো কাজে দ্রুত সিদ্ধান্ত নিতে পারার ক্ষমতা, অন্যের আপদে-বিপদে ঝাঁপিয়ে পড়া ছেলেদের এসব গুণ মেয়েদের আকর্ষণ করে সহজেই।

আপনি যদি সুস্বাস্থ্যের ও আকর্ষণীয় চেহারার অধিকারী যদি হন, তাহলে মেয়েদের মন পাবার ক্ষেত্রে আপনার চেহারাই কথা বলবে আপনার হয়ে। সুস্বাস্থ্য বরাবরই মেয়েদের কাছে খুব আবেদন কাড়ে।
ক্লিন শেভ এখন আর মেয়েরা পছন্দ করে না। এক সমীক্ষায় জানা গেছে, শেভ গালের চেয়ে দাড়ি-গোঁফের পুরুষ মেয়েদের বেশি পছন্দের। গালে দাড়ি-গোঁফের উপস্থিতি চেহারায় পৌরুষ বাড়ায়। আলাদা গাম্ভীর্য আনে।

বাদ্যযন্ত্রগুলোর মধ্যে গিটার পছন্দ করেন বেশির ভাগ মেয়ে। তাই গিটার বাজাতে জানলে তাদের নজরে পড়া যায় সহজেই। কলেজ-বিশ্ববিদ্যালয়ের ক্যান্টিনে গিটারের আসর বসান।

আরো পড়ুনঃ
আরো জেনেনিন ইসলামের দৃষ্টিতে বাসর রাতে স্ত্রীর সাথে আপনার এই ১০ টি কাজ করতেই হবে,

বাসর রাত মুমিন জীবনের অন্যতম রাত। যারা পরকীয়া করে, লিভ টুগেদার করে, তারা এ রাতের মর্ম বুঝবে না। যারা বেশ্যা বা বহুগামিতা তাদের কাছে এ রাত বাতুলতা মাত্র। আমরা এ পর্বে বাসর রাতে অবশ্য পালনীয় কিছু টিপ্স নিয়ে আলোচনা করব।

০১. গোলাপ ফুল দিয়ে দুজন দুজনাকে বরণ করে নিতে হবে।

০২. উভয়ই মহান আল্লাহকে যে ভালবাসবেন তা পরিষ্কার ভাবে দুজনা বোঝা পড়া করবেন।

০৩. ছোট খাট ভুলের জন্য কাউকে তিরষ্কার না করা। কাউকে ছোট না করা।

০৪. হানিমুনে কোথায় যাবেন তা বাসর রাতেই ঠিক করবেন, সে ক্ষেত্রে স্বামী স্ত্রীকে এটা ঠিক করতে হবে যে, সবচেয়ে পৃথিবীর মূল্যবান যায়গা মক্কা মদীনায় যাওয়া এবং ওমরা করার পরিকল্পনা করা।

০৫. কোন পক্ষের আত্নীয় স্বজনকে ছোট না করা, গালি না দেওয়া, অপমান না করা।

০৬. ভবিষ্যত জেনারেশনের ব্যাপারে আলাপ সেরে নেওয়া। তবে বেশী দূর অগ্রসর না হওয়াই ভাল।

০৭. জীবনের প্রথম ভালবাসার রাত, তাই ভালবাসা অক্ষুন্ন রাখা।

০৮. দুজনাতে একটু খোশ গল্প করা, জীবন থেকে কোন গল্প বলা।

০৯. এ রাতই হল উত্তম ভালবাসার রাত। দুজনার সব আকুতি মেশানো ভালবাসা দিয়ে দুজনাকে জয় করা। কোন ভাবেই যেন ফজরের নামাজ কাজা না যায় সেদিকে লক্ষ্য রাখা ।

১০. মোহরানা যদি বাকি থাকে সেটা দেওয়ার প্রতিশ্রুতি দেওয়া, অল্প দিনের মধ্যেই মোহরানা পরিশোধ করা। স্ত্রী যদি চাকুরি করে তবে টাইম টেবিলটা নিয়ে একটু পরিষ্কার করা। চাকুরি না করলে ভবিষ্যত পরিকল্পনার কথা বলা।

বাসর রাতে স্ত্রীর নিকট যাওয়ার সময় স্বামীকে কোমন হওয়া উচিত। সেখানে কিছু শরবত ও কিছু সুস্বাদু খাদ্য রাখা সুন্নত, যা স্বামী-স্ত্রী উভয়েই খাবে। যারা ব্যবস্থাপনায় থাকবে তারাও এ খাদ্য অংশগ্রহন করতে পারে

ইসলামে নারী-পুরুষের মধ্যে সম্পর্ক স্থাপনের জন্য বিয়েই হচ্ছে একমাত্র বৈধ উপায়।

আল্লাহ তায়ালা বলেন,
“স্ত্রীদের প্রাপ্য মোহরানা আদায় করে দাও, খূশী হয়ে ও তাদের প্রাপ্য অধিকার মনে করে।’ (সূরা নিসা-৪)
অত্র আয়াত সমুহ প্রমাণ করে যে, মোহরানা ফরজ বা আদায় করা অপরিহার্য।
মোহরানা সম্পর্কে রাসুল (সাঃ) এর বানী :
উক্ববা ইবনু আমের (রাঃ) বলেন, রাসুল (সাঃ) বলেছেন, “অবশ্যই পূরণীয় শর্ত হচ্ছে, যার বিনিময়ে তোমরা স্ত্রীর যৌনাঙ্গ নিজেদের জন্য হালাল মনে কর।’ (বুখারী,মুসলিম)
মহানবী (স.) বলেন, ’যে ব্যক্তি কোন মেয়েকে মোহরানা দেয়ার ওয়াদায় বিয়ে করেছে, কিন্তু সে মোহরানা আদায় করার তার ইচ্ছে নেই, সে কেয়ামতের দিন আল্লাহর সামনে অপরাধী হিসেবে দাঁড়াতে বাধ্য হবে।’ (মুসনাদে আহমেদ)।

বিয়েতে মোহরানা ধার্য করা এবং তা যথারীতি আদায় করার জন্য ইসলামে বিশেষ ব্যবস্থা গ্রহন করা হয়েছে। স্বামীর পক্ষ থেকে স্ত্রীকে মোহরানা প্রদান করা ফরজ।
কোরআন ও হাদীসের আলোকে মোহরানা :
মোহরানা সম্পর্কে কোরআনের বানী :
আল্লাহ তায়ালা বলেন,
’তোমরা তোমাদের স্ত্রীদের নিকট যে যৌন স্বাধ গ্রহন কর, তার বিনিময়ে তাদের মোহরানা ফরজ মনে করে আদায় কর।’ (সূরা নিসা-২৪)
আল্লাহ তায়ালা বলেন,
’অতঃপর নারীদের অভিভাবকের অনুমুতি নিয়ে তাদের বিয়ে কর এবং তাদের মোহর যথাযথভাবে আদায় করে দাও।’ (সূরা নিসা-২৫)

সুতরাং মোহরানা স্ত্রীর এমন একটি প্রাপ্য যা তিনি স্বামীর সঙ্গে মিলিত হওয়ার আগে পাওনা হন, তবে স্ত্রী (স্বেচ্ছায় ও স্বত:স্ফূর্তভাবে) সময় দিলে বাকি রাখা যাবে। কিন্তু মোহরানার অর্থ আবশ্যিকভাবে পরিশোধ করতে হবে। বিবাহিত স্ত্রীকে অসহায় মনে করে ছলে-বলে-কৌশলে বা অজ্ঞতার সুযোগে মাফ করিয়ে নিলে মাফ না হয়ে তা হবে জুলুম-প্রতারণা। এ জুলুম প্রতিরোধকল্পে মহান আল্লাহপাক ঘোষণা করেন – ’যদি স্ত্রী নিজের পক্ষ থেকে স্বত:প্রবৃত্ত হয়ে মোহরের কিছু অংশ ক্ষমা করে দেয়, তবে তোমরা তা হৃষ্টচিত্তে গ্রহণ করতে পার।’ (সূরা নিসা, আয়াত-৪)।
মোহরানা এককালীন আদায় করতে অক্ষম হলে, উত্তম হল কিছু অংশ নগদ আদায় করে বাকি অংশ পরে আদায় করা, তা ধীরে ধীরে কিস্তিতে পরিশোধ করা। তবে মোহরানা নির্ধারণ করতে হবে স্বামীর সামর্থ্য অনুযায়ী যাতে তিনি সহজেই তা পরিশোধ করতে পারেন। কিন্তু বর্তমান সমাজের দু:খজনক ঘটনা হলো-বিশাল আকারের মোহরানা বাধা হয় নামে মাত্র অথচ বহুলাংশে তা পরিশোধ করতে দেখা যায় না।
আমাদের সমাজে কি দেখতে পাচ্ছি ?
আজ থেকে ২০/২৫ বছর আগেও বিয়েতে অল্প পরিমান মোহরানা ধার্য করা হতো। স্ত্রীকে প্রদান করতো কিনা আমার জানা নেই। তবে বর্তমানে বিয়েতে বেশী পরিমানে মোহরানা ধার্য করা হচ্ছে তার অন্যতম কারন হচ্ছে –
বিবাহ বিচ্ছেদ দিন দিন বেড়েই চলেছে। তাই মোহরানা বেশী ধার্য করা হয় যাতে স্বামী স্ত্রীকে তালাক দিতে ভয় পায়।
*** বর্তমানে ধনী পরিবারের বিয়েতে লোক দেখানোর জন্য কোটি টাকা মোহরানা ধার্য করা হয়।
*** মধ্যেবিত্ত পরিবারের বিয়েতেও ১০ লক্ষ টাকার উপরে মোহরানা ধার্য করা হয়।
*** নিম্মবিত্ত পরিবারের বিয়েতে ২ লাখ টাকার উপরে মোহরানা ধার্য করা হয়।
*** বিয়েতে স্ত্রীকে দেয়া স্বর্ন ক্রয়ের টাকাটা অর্ধেক অথবা পুরাটাই মোহরানা থেকে কর্তন করা হয়। আর বাকীটা পরে প্রদান করার প্রতিশ্রতি দিয়ে থাকে।
মিথ্যা ওয়াদা দিয়েই নব-দম্পর্তির সংসার জীবন শুরু হয় :
স্ত্রীকে মোহরানা আদায় করা ফরজ। আর এই ফরজ কাজটি না করে কিভাবে সংসার জীবন শুরু করবে? তাই বিয়ের পর স্ত্রীর সাথে প্রথম সাক্ষাতেই এই বিষয়টি ফয়সালা করা হয়। বউকে পরবর্তীতে প্রদান করার ঘোষনা দিয়েই সংসার জীবন শুরু করতে হয়। অচত আল্লাহ তায়ালা বলেন, ’তোমরা তোমাদের স্ত্রীদের নিকট যে যৌন স্বাধ গ্রহন কর, তার বিনিময়ে তাদের মোহরানা ফরজ মনে করে আদায় কর।’ তারপর মোহরানা আদায় না করে বছরের পর বছর স্ত্রীর সাথে বসবাস করে। স্ত্রীও সংসারের সুখ-শান্তি নষ্ট হবার ভয়ে স্বামীর কাছে মোহরানা অর্থ চাইতে সংকোচ করে। অনেকে স্বামী মোহরানার অর্থ আদায় না করেই কোন এক সময় না ফেরার দেশে চলে যায়। অনেকে সংসারে অশান্তি দেখা দিলে তালাকের মাধ্যমে দাম্পত্য জীবনের ইতি ঘঁটান আর তখনই স্বামীকে আদালতের রায়ের মাধ্যমে মোহরানার অর্থ পরিশোধ করতে বাধ্য হয়।আল্লাহ ও রাসুল (সাঃ) এর নির্দেশকে অমান্য করে আজ আমরা বিয়েতে মোহরানা কে কত বেশী দিতে পারি, কে কত নিতে পারি সেই প্রতিযোগিতায় লিপ্ত হয়েছি। যার ফলে সংসারে অশান্তি,ভূল-বোঝাবুঝি, পরিশেষে বিচ্ছেদের মত ঘঁটনা ঘটে।
তাই সবাইকে বলছি, বিয়েতে সমতা রক্ষা করুন। কম মোহরানা ধার্য করুন। আর মোহরানা আদায় করেই সংসার জীবন শরুন। মনে রাখবেন, পরবর্তীতে প্রদান করার মিথ্যা প্রতিশ্র”তি দিয়ে সংসার শুরু করলেও যে কোন মুহুত্বে আপনার মৃত্যু হতে পারে। তখন আপনার স্ত্রী কার কাছে মোহরানা চাইবে? যদি মোহরানা আদায় করার মত কিছু না থাকে? স্ত্রীর মোহরানা আদায় না করে আপনি কি জান্নাতে যেতে পারবেন?
তাই কেবল সামাজিক স্টাটাস রক্ষার জন্য মোটা অংকের মোহরানা নয়; বরং সামর্থ্যরে মধ্যে মোহরানা বেঁধে নির্দিষ্ট সময়ে বাসর হওয়ার আগেই তা পরিশোধ করে দেয়া উচিত।

কাহিনীঃ জাফর তানিয়াকে ১৬ লাখ টাকা মোহরানা ধার্য করে বিয়ে করেছে। বিয়েতে জাফর তানিয়াকে দশ ভরি স্বর্ণ উপহার দেয়। দুই পরিবারের সম্মতিতে স্বর্নের মূল্য থেকে তিন লাখ টাকা উসুল দেখিয়ে বাকী টাকা পরে পরিশোধ করার অঙ্গীকার করে বিয়ে হয়েছে। বিয়ের পরে বাসর রাতে জাফরের ভাবী রুমে প্রবেশ করে মোহরানার বাকী টাকাটা কিভাবে পরিশোধ করবে জাফরের কাছে জানতে চায়। জাফর পরবর্তীতে পরিশোধ করবে বলে ভাবীর সামনে তানিয়াকে জানায়। তানিয়া এই প্রস্তাবে রাজী হয়ে জাফরকে নিয়ে স্বপ্নের বাসর রাত পার করে।
বাসর রাতে বিড়াল মারা নিয়ে বিবাহিত/অবিবাহিত নারী/পুরুষরা নানা গুঞ্জন করে থাকে। একেক একজন একেক দৃষ্টি ভঙ্গিতে দেখে। সবাই এই বিষয়টিকে নিয়ে হাসি-তামাশা করে। বিড়াল মারতে পারলে সবাই খুশী। তবে দুঃখ জনক হলেও সত্য যে আজকাল স্বামীরা বাসর রাতে বিড়াল মারা তো দুরের কথা উল্টো বউয়ের কাছে মাফ চাইতে হয়। কেন মাফ চাইতে হয় জানেন? তাহলে শুনুন।
আজ থেকে কয়েক দশক আগেও বিয়েতে খুব অল্প পরিমান মোহরানা ধার্য করা হত। বেশীর ভাগ স্বামী মোহরানা আদায় করে দিত। কেউবা বউয়ের নামে জমি লিখে দিত। কিন্তু আজকাল মোহরানা নিয়ে বর-কনে দু’পক্ষের মধ্যে দর কষাকষি শুরু হয়।

দাম্পত্য জীবনে কোন এক সময় ভুল-বুঝাবুঝি হলে তালাকের মাধ্যমে সম্পর্ক ছিন্ন করতে চাইলে স্বামী স্ত্রীকে মোহরানার টাকা পরিশোধ করতে হয়। মোহরানার টাকা পরিশোধ করতে ব্যর্থ হলে স্বামী জেলের ভাত খেতে হয়।
তাই বাসর রাতে বিড়াল মারা নিয়ে যারা অতি উৎসাহী তাদেরকে বলতে চাই, বাসর রাতে বিড়াল মারার আগে স্ত্রীর মোহরানা আদায় করুন। মোহরানা আদায় না করে যদি আপনার মৃত্যু হয় তাহলে আপনাকে কঠিন শাস্তি পেতে হবে –
ইসলামী দৃষ্টিকোণ থেকে বাসর রাতে স্বামী-স্ত্রীর করণীয় কি পড়ে দেখুনঃ
বাসরঘর ও কনে সাজানো এবং তাদের জন্য দোয়া করাঃ
নতুন বর ও কনের জন্য একটি ঘরের ব্যবস্থা করা প্রয়োজন, যেখানে সুন্দরভাবে সাজিয়ে সুসজ্জিত করে বরের নিকট পেশ করা হবে। যেসব মহিলারা কনেকে সাজাবে তারা তাদের (বর-কনে) জন্য কল্যাণ, বরকত ও সৌভাগ্যবান হওয়ার জন্য দোয়া করবে।
বর-কনের জন্য ঘরের ব্যবস্থা করা এবং কনেকে সাজানো সুন্নত। আসমা বিনতে ইযাযিদ (রাঃ) বলেন, আমি রাসুল (সাঃ) এর জন্য আয়েশাকে সুসজ্জিত করেছিলাম।
(আহমদ, আদাবুয যিফাফ ১৯ পৃষ্টা)
বাসর রাতে স্ত্রীর সাথে সদয়, স্নেহময়, কোমল, ভদ্র ও নম্র হওয়া উত্তম এবং মিষ্টান্নর ব্যবস্থা থাকা উচিতঃ

ডিজিটাল এই যুগে তালাকের পরিমান দিন দিন বেড়েই চলেছে। তাই তালাক ঠেকাতে এখন মোহরানার পরিমান বেশী ধার্য করা হয়। মোহরানার টাকা স্বামী স্ত্রীকে দিতে পারবে কি পারবে না তা আর কেউ দেখে না। এখন বেশী টাকা মোহরানা ধার্য করে বিয়ে ঠিকিয়ে রাখার জন্য সবাই চেষ্টা করে। স্বামীকে চাপের মধ্যে রাখে। এই সুযোগে স্ত্রীদের পক্ষ থেকে তালাকের প্রস্তাব বেশী আসছে। তাই তালাকের পরিমান দিন দিন বেড়েই চলেছে।
ইসলামে মোহরানা আদায় করে স্ত্রীর কাছে যেতে বলা হয়েছে। বর্তমানে বিয়েতে স্ত্রীকে উপহার দেয়া স্বর্নের মূল্য হিসাব করে কিছু টাকা উসুল দেখিয়ে মোহরানার বাকী টাকাটা বাকীর খাতায় রেখে দেয়া হয়। তাই মোহরানার টাকা শত ভাগ পরিশোধ না করে বাসর রাতে স্বামী স্ত্রীকে মোহরানার বাকী টাকা পরে পরিশোধ করার ওয়াদা করে থাকে। স্ত্রীও স্বামীর কথায় বিশ্বাস করে সংসার জীবন শুরু করে। তাই বাসর রাতে বিড়াল মারার পরিবর্তে উল্টো স্ত্রীর কাছে মোহরানার টাকা নিয়ে ছোট হতে হয়।

আরো পড়ুনঃ
জেনেনিন মেয়েদের মন পেতে এই ৬টি কৌশল কাজে লাগবে

মনের মানুষটি যে ভাষাতেই কথা বলুন না কেন, সেই ভাষা আপনি জানলে তা নির্ভুলভাবে বলতে শিখুন। ভাষার প্রাধান্য নয়, মেয়েরা পছন্দ করে ঠিক ব্যাকরণ, ভাষার সঠিক প্রয়োগ ও সুন্দর কথা বলার গুণ। কাজেই মনের মানুষকে ইমপ্রেস করতে আজই অভ্যাস করুন সেসব।
শিশুদের যদি শিশুদের ভালোবাসেন তাহলে আপনার ব্যবহারে তাদের প্রতি মমতা প্রকাশ করুন। মেয়েদের আকর্ষণের ক্ষেত্রে এটা কিন্তু আপনার ব্যক্তিত্বের ইতিবাচক দিক। মেয়েদের মধ্যে মাতৃত্বের এক আলাদা বৈশিষ্ট্য থাকে বলেই এই বিশেষত্বটি তাদের এত টানে।
নিজের বুদ্ধিমত্তার প্রকাশ যদি করতে পারেন কোনো মেয়ের সামনে, তা হলে তাকে ইমপ্রেস করার অনেকটা কাজই কিন্তু এগিয়ে রাখা যায়। যে কোনো কাজে দ্রুত সিদ্ধান্ত নিতে পারার ক্ষমতা, অন্যের আপদে-বিপদে ঝাঁপিয়ে পড়া ছেলেদের এসব গুণ মেয়েদের আকর্ষণ করে সহজেই।

আপনি যদি সুস্বাস্থ্যের ও আকর্ষণীয় চেহারার অধিকারী যদি হন, তাহলে মেয়েদের মন পাবার ক্ষেত্রে আপনার চেহারাই কথা বলবে আপনার হয়ে। সুস্বাস্থ্য বরাবরই মেয়েদের কাছে খুব আবেদন কাড়ে।
ক্লিন শেভ এখন আর মেয়েরা পছন্দ করে না। এক সমীক্ষায় জানা গেছে, শেভ গালের চেয়ে দাড়ি-গোঁফের পুরুষ মেয়েদের বেশি পছন্দের। গালে দাড়ি-গোঁফের উপস্থিতি চেহারায় পৌরুষ বাড়ায়। আলাদা গাম্ভীর্য আনে।

বাদ্যযন্ত্রগুলোর মধ্যে গিটার পছন্দ করেন বেশির ভাগ মেয়ে। তাই গিটার বাজাতে জানলে তাদের নজরে পড়া যায় সহজেই। কলেজ-বিশ্ববিদ্যালয়ের ক্যান্টিনে গিটারের আসর বসান।

জেনেনিন বাসর রাতে মেয়েদের এতো ভয় কেন?

‌’বাসর রাতে বিড়াল মারা’ একটা প্রবাদ প্রচলিত আছে। এ প্রবাদ নিয়ে প্রশ্ন থাকলেও বাসর রাত প্রতিটি মানুষের জীবনেরই অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ। বাসর রাত নিয়ে পুরুষের মধ্যে যেমন কাজ করে প্রবল উত্তেজনা, তেমনি নারীর মধ্যে কাজ করে ভয়। এক্ষেত্রে শুধু ভয় বলা ঠিক হবে না, তাদের মনে শঙ্কা-অস্বস্তি সব মিলিয়ে অনেকগুলো অনুভব কাজ করে।

প্রথম একজন মানুষের সঙ্গে (বর) নিরবিলি জীবনের শুরু। এতদিন যাকে কেবল দূর থেকেই দেখেছেন, তার সাথেই এখন কাটাতে হবে জীবন। কমবেশি প্রতিটি নারীরই যৌন মিলনের ভয়টা থাকেই। বিয়ের সঙ্গে জড়িয়ে আছে যৌন সম্পর্কের বিষয়টা এবং প্রেম করে বিয়ে হোক বা পারিবারিক, অবধারিতভাবেই বিয়ের রাতে এই বিষয়টি নিয়ে প্রবল ভয় কাজ করে নারীদের মাঝে।

একই কামরায় দুজনে নিরিবিলি জীবন-যাপন করবেন, একসঙ্গে কাটাবেন জীবনের বাকি রাতগুলো। বাসর রাতে কি হবে, কেমন হবে ইত্যাদি বিষয় নিয়ে সব নারী চিন্তা করেন। তাহলে আসুন জেনে নেই মেয়েরা আসলে কি নিয়ে ভয় করেন-

১. নতুন একটি মানুষের সঙ্গে শুরু হবে তার নতুন জীবন। বাসর রাত মানে লজ্জা, জড়তা, অস্বস্তি সবকিছু মিলিয়ে একটি নতুন জীবনের যাত্রা। নিজের চিরচেনা জীবনের প্রায় সবকিছুই মেয়েদের ফেলে আসতে হয় বাবার বাড়িতে, নিজের প্রায় সমস্ত অভ্যাসই বিয়ের পর বদলে ফেলতে হয়। পরের দিন সকালটি কেমন হবে, কোন কাজটি কিভাবে করবেন এগুলো নিয়ে দুশ্চিন্তায় ভোগেন নারীরা।

২. বিয়ের প্রথম রাত বলে কথা, প্রত্যেক নারীই এইদিন অপসরার মত সাজেন ভালোবাসার মানুষটির জন্য। কেমন দেখাচ্ছে তাকে, বরের চোখে ভালো লাগছে কি না ইত্যাদি বিষয় নিয়ে তাদের মধ্যে ভয় কাজ করে।

৩. শুধু স্বামী তো নন, শ্বশুরবাড়িতে প্রায় সবাই নতুন আর অচেনা পরিবেশ। সবার সঙ্গে মানিয়ে নেয়া, সবার সঙ্গে সম্পর্ক তৈরি করার পালা শুরু হয়ে যায় বিয়ের প্রথম রাত থেকেই। পরের দিন থেকেই একেবারে ভিন্ন একটি জীবনের যাত্রা শুরু।

৪.প্রেমের বিয়ে হোক বা পারিবারিক, কোন নারীই চান না বিয়ের প্রথম রাতেই গর্ভবতী হয়ে যেতে। কিন্তু প্রথম রাতেই বরের সঙ্গে বিষয়টি নিয়ে কথা বলাটা অস্বস্তিকর। তাই বলাই বাহুল্য নার্ভাস হয়ে পড়েন নারীরা।

৫. জীবনে কখনো পরিবারকে ছেড়ে থাকা হয়নি। কীভাবে থাকা হবে সবাইকে ছাড়া? মা-বাবাকে ছেড়ে নতুন পরিবেশে কীভাবে মানিয়ে নেবেন? এসব শঙ্কা সব মেয়েরই কমবেশি থাকে।

মিলনের আগে টয়লেটে যান
? ভয়ঙ্কর বিপদের কথা বলছে বিজ্ঞানীরা!

মিলনের আগে টয়লেটে যান- যৌ’নতা নিয়ে অনেক ভুল ধারণা কাজ করে। এর মধ্যে অন্যতম প্রশ্ন, যৌ’নমিলনের আগে টয়লেটে যাওয়া উচিত কিনা!

মিলন বা যৌ’নতা নিয়ে একাধিক ভুল ধারণা রয়েছে। কিন্তু নিউ ইয়র্কের ইউরোলজিস্ট ডেভিড কফম্যান সম্ভবত সব থেকে বড় ভুল ধারণাটি ভাঙলেন। কফম্যান বলছেন, তাঁর যুক্তি মহিলাদের ক্ষেত্রে আরও বেশি করে প্রযোজ্য।

কী বলছেন কফম্যান? তাঁর কথায়, ‘‘অনেকেই, বিশেষ করে মহিলারা মনে করেন, যৌ’নতার আগে প্রস্রাব করে নেওয়া ভাল। কিন্তু এটা একেবারেই ভুল ধারণা।’’

কেন এ কথা বলছেন কফম্যান? তাঁর যুক্তি, ‘‘ মিলন-এর আগে প্রস্রাব করলে ইউরিনারি ট্র্যাক্ট ইনফেকশন হওয়ার সম্ভাবনা থাকে।’’ কীভাবে? কফম্যান বলছেন, ‘‘প্রস্রাবের পরে সে’ক্স করলে, ভ্যাজাইনাল ব্যাকটিরিয়া ইউরেথ্রাতে চলে যেতে পারে।

এতে ক্ষতি হওয়ার সম্ভাবনা সব থেকে বেশি।’’ তবে পরে প্রস্রাব করলে সেই সব ব্যাকটিরিয়া বেরিয়ে আসে। সেই কারণে মিলন-এর পরে প্রস্রাব করা সব সময়েই ভাল।

LEAVE A REPLY

Please enter your comment!
Please enter your name here