পুরুষেরা যে ৭টি কারণে বয়সে বড় মহিলাদের প্রতি বেশি আকৃষ্ট হন

0
611

প্রচলিত একটি কথা আছে, সব পুরুষই জীবনের কোনও না কোনও সময়ে বয়সে বড় কোনও মহিলার প্রেমে পড়েন। কেউ কেউ এই প্রেম মনের মধ্যে চেপে রাখেন, কখনও প্রকাশ করেন না। কিন্তু অনেকেই সাহসে ভর করে এগিয়ে যান। কিন্তু কেন?

বয়সে বড় মেয়েদের সঙ্গে সম্পর্ক নিয়ে বাঙালিদের মধ্যে প্রবল সামাজিক আপত্তি থাকলেও ভারতের বিভিন্ন রাজ্যে কিন্তু এই সম্পর্ককে খারাপ চোখে দেখা হয় না।

বিশেষ করে, রাজপরিবারগুলির মধ্যে বয়সে ৪-৫ বছরের বড় মহিলাদের সঙ্গে বিয়ে আকছার হয়েই থাকে। সেখানে মূল কথা আভিজাত্য, বয়স নয়।

তা ছাড়া, ভারতের পশ্চিমাঞ্চলের রাজ্যগুলি, বিশেষ করে গুজরাতে, সাধারণের মধ্যেও বয়সে বড় মেয়েদের সঙ্গে সম্পর্ককে আর যাই হোক, নোংরা চোখে দেখা হয় না।

গুজরাতে ‘দিয়াবাট্টু’ বলে একটি সামাজিক প্রথা আছে। স্বামী মারা গেলে, তার ছোট বা বড় ভাইয়ের সঙ্গে বিয়ে দেওয়া হয় স্ত্রীকে। কখনও ১০-১২ বছরের ছোট দেওরের সঙ্গেও বিয়ে দেওয়া হয়।

কিন্তু এ তো গেল সামাজিক প্রথার কথা। যেখানে সে সব বাধ্যবাধকতা নেই, সেখানে চলে আসে আকর্ষণের প্রসঙ্গ। ঠিক কী কারণে একটু বেশি বয়সি মেয়েদের প্রতি আকৃষ্ট হন ছেলেরা?

বিভিন্ন মনস্তাত্বিক গবেষণায় উঠে এসেছে নীচের কারণগুলি—

১) পরিণত শরীরের প্রতি যৌন আকর্ষণ বোধ করে অনেক ছেলে। তাই বিশেষ করে টিন-এজে ৫-৬ বছর, এমনকী ১০-১২ বছরের বড় মহিলাদের প্রতিও আকৃষ্ট হয় তারা।

২) ফ্রয়েডীয় তত্ত্ব বলছে, ছেলেরা সঙ্গিনীর মধ্যে মা-কে পেতে চায়। তাই স্বভাবতই বয়সে বড় মহিলাদের প্রতি আকর্ষণটা আসে।

৩) সম্পর্কের ক্ষেত্রে মেয়েরা ছেলেদের চেয়ে বয়সে ছোট হবে—এই যে প্রচলিত ধারা, তার বাইরে যাওয়ার প্রবণতা থেকেও অনেকে বয়সে বড় মেয়েদের প্রেমে পড়েন।

৪) শরীরের টানের পাশাপাশি ছেলেরা সব সময়ে সেই মেয়েদেরই সঙ্গিনী হিসেবে চায়, যাদের বুদ্ধি-বিবেচনা ভাল, যে কোনও পরিস্থিতি সামাল দিতে পারে আবার প্রয়োজন মতো বিছানায় ছেলেদের ‘ইগো’-কে পুষ্ট করতে পারে।

বয়সে ছোট মেয়েরা নিজেরাই প্যাম্পার্‌ড হতে চায় ছেলেদের কাছ থেকে, তাই খুব বেশি ইগো বুস্টিং করতে পারে না।

৫) অনেক সময়ে ছোটবেলায় যৌন নিগ্রহের শিকার হলে সেই অভিজ্ঞতার ছাপ পড়ে যায় যৌন চাহিদায়। পরবর্তীকালে বয়সে বড় কোনও মহিলার শরীরকেই তখন পেতে চায় ছেলেরা।

৬) পর্ন দেখার অভিজ্ঞতা থেকেও বয়সে বড় মেয়েদের প্রতি আকর্ষণ জন্মায়। বিশেষ করে, সাম্প্রতিক সময়ে যারা খুব বেশি ‘ম্যাচিওর’ পর্ন দেখে, তাদের মধ্যে এই প্রবণতা বেশি।

৭) বয়সে বড় কোনও মেয়েকে সঙ্গিনী হিসেবে পেলে অনেক ছেলেরই নিজের প্রতি আত্মবিশ্বাস বাড়ে। তাকে যৌনতৃপ্তি দিতে পারলে আত্মবিশ্বাস আরও বহুগুণ বেড়ে যায়।

দেখুন বিশ্বের সেরা ১০ পর্ণতারকা। তাদের আয় শুনলে চোখ কপালে উঠবে

তপর্ণ স্টারদের আয় কী রকম কখনও ভেবে দেখেছেন? জানলে চমকে উঠবেন। তারকাদের আয় নিয়ে সাধারণ মানুষের আগ্রহের শেষ নেই।
আয়ের নিরিখে অনেক দেশের বড় বড় স্টারদের অনায়াসে টেক্কা দিতে পারেন এই পর্ন তারকারা। এক নজরে দেখে নিন, আয়ের বিচারে প্রথম ১০ জন পর্ন তারকা কারা এবং তাঁদের বার্ষিক আয় কত।

১০) কেটি মর্গ্যান: এক সময় জেলবন্ধি জীবন কাটাচ্ছিলেন কেটি। মেক্সিকো থেকে আমেরিকায় মারিজুয়ানা পাচার করতে গিয়ে ধরা পড়ে গিয়েছিলেন তিনি। নিজের জামিন এবং মামলা লড়ার খরচ জোগাড় করতেই এই পেশায় আসেন কেটি। এখন অন্যতম ধনী তারকা তিনি। বছরে আয় ৬০ লক্ষ মার্কিন ডলারের কিছু বেশি।

৯) লেক্সিনটন স্টিলি: এক সময় পেশায় স্টক ব্রোকার ছিলেন একটি নামকরা ফার্মে। ২০০১ সালে ওয়ার্ল্ড ট্রেড সেন্টারে য়খন হামলা হয়, তখন তিনি সেখানেই ছিলেন। বরাত জোরে বেঁচে গিয়েছিলেন। এঁর বার্ষিক আয় ৬০ লক্ষ মার্কিন ডলার।

৮) ব্রি ওলসন: ছোটবেলা থেকেই অভিনয়ের শখ ছিল। স্টেজে এক সময় অভিনয়ও করেছেন। তার পর এ পেশায় আসা ঠিক করেন। এ মুহূর্তে আয়ের বিচারে তিনি ৮ নম্বরে রয়েছে। বার্ষিক আয় ৭০ লক্ষ মার্কিন ডলার।

৭) রন জেরেমি: এক সময় শিক্ষক ছিলেন। পরে অভিনেতা হওয়ার আশায় নিউ ইয়র্কের রাস্তায় রাস্তায় ভিক্ষে পর্যন্ত করতে হয়েছে তাঁকে। এখন তাঁকে বেস্ট মেল পর্ন স্টারের আখ্যা দেওয়া হয়। ব্যাঙ্ক ব্যালান্সও সে কথাই বলে। বার্ষিক আয় ৭৫ লক্ষ মার্কিন ডলার।

৬) মারিয়া তাকাগি: এ মুহূর্তে অন্যতম জনপ্রিয় পর্ন অভিনেত্রী। জাপান থেকে সোজা মার্কিন মুলুকে পাড়ি জমানোর পর আয়ের বিচারেও সকলকে টেক্কা দিচ্ছেন। বার্ষিক আয় প্রায় ৮০ লক্ষ মার্কিন ডলার।

৫) জেসি জেন: নিউ ইয়র্কে তিনি রীতিমতো জনপ্রিয়। একটি আর্টিকেলে লেখা হয়েছিল, ‘তিনি ২ বার ব্রেস্ট ইমপ্ল্যান্ট অপারেশন করিয়েছেন। আসলে অপারেশন নয়, ইনভেস্টমেন্ট।’ বার্ষিক আয় ৯০ লক্ষ মার্কিন ডলার।

৪) ট্রেসি লর্ডস: আসল নাম নোরা লুইসি কুজমা। মাত্র ১৫ বছর বয়সে এক জন ন্যুড মডেল হিসাবে কেরিয়ার শুরু করেন ট্রেসি। দীর্ঘ কেরিয়ার শেষ করেছেন। তার সঙ্গে বানিয়েছেন বিরাট ব্যাঙ্ক ব্যালান্স। বার্ষিক আয় ১ কোটি মার্কিন ডলার।

৩) পিটার নর্থ: গিয়েছিলেন মডেল হতে, হয়ে গেলেন পর্ন তারকা। একটি ইন্টারভিউতে নিজের মুখেই এ কথা স্বীকার করেছেন নর্থ। একটি প্রাইভেট পার্টিতে মডেলিংয়ের কাজ করার সময় এক পরিচালকের নজরে পড়ে যান তিনি। তার পর প্রচুর পর্ন মুভিতে অভিনয় করেছেন এবং নিজেও পরিচালনার কাজ করেছেন। বার্ষিক আয় ১ কোটি ১০ লক্ষ মার্কিন ডলার।

২) টেরা প্যাট্রিক: ১৯৯৯ সালে পর্ন দুনিয়ায় নিজের কেরিয়ার শুরু করেন টেরা। ২০০৮ সালে অবসর নিলেও নিজের প্রোডাকশন হাউস চালান। বিশ্বজুড়ে নিজের অভিনীত ছবিগুলিকে লাইসেন্স করিয়েছেন। সেই থেকেই বিরাট আয় হয় তাঁর। এখন বছরে আয় করেন দেড় কোটি মার্কিন ডলার।

১) জেনা জেমসন্স: বয়ফ্রেন্ডের ওপর রাগ করে হঠাত্‍ করে ঠিক করেন পর্ন তারকা হবেন, ব্যস যেমন ভাবা তেমন কাজ। হয়েই গেলেন। এ মুহূর্তে রোজগারের বিচারে এক নম্বরে রয়েছেন জেনা। বার্ষিক আয় ৩ কোটি মার্কিন ডলার।

স্পেশাল মেনশন: হ্যাঁ, যাকে খুঁজছেন তিনিও আছেন তালিকায়। সানি লিওন। পর্ন সিনেমায় মুখ দেখানো ছেড়েছেন অনেক দিন হয়ে গিয়েছে, তবে আয়ের বিচারে তিনি আছেন ২১ নম্বরে।

LEAVE A REPLY

Please enter your comment!
Please enter your name here