যে উপায়েই মিটতে পারে আপনার সিঙ্গেল লাইফের চাহিদা !

0
759

যৌনতা নিয়ে প্রকাশ্যে মুখ খুলতে এখনও অনেকেই ইতস্ততবোধ করেন৷ তবে, যৌনতা নিয়ে পরীক্ষা-নিরীক্ষা করার সুপ্ত বাসনা অনেকের মনেই থাকে৷ কারণ বিভিন্ন স্বাদের খোঁজ পেতে কেইবা না চায়৷ কিন্তু, কোনও বিষয়ে যদি কথাই না বলা যায়, তবে সেই বিষয় অভিজ্ঞতা লাভ হবে কীভাবে? এছাড়া যারা এখনও সিঙ্গেল তাঁরাই বা কেমন ভাবে যৌনতার মর্ম বুঝতে পারবেন? একথা ভেবে মানসিক অবসাদে ভোগেন অনেকে৷ তবে বিশেষজ্ঞরা বলছেন, এত ভাবনার কিছুই নেই৷ এই পরিস্থিতি থেকে মুক্তিরও উপায় রয়েছে৷ সিঙ্গেল বা একাকী জীবনেও উদ্যম যৌনতায় মেতে উঠতে পারেন যে কেউ৷ নিজেই পেতে পারেন যৌনতার সেই অবর্ণনীয় স্বাদ৷ এরজন্য মেনে চলতে হবে নির্দিষ্ট কিছু টিপস৷

১৷ বিশেষজ্ঞরা বলছেন, যৌনতা মানেই এর নির্দিষ্ট একটা পারিপার্শ্বিক পরিবেশ ও মানসিক অবস্থা থাকা প্রয়োজন৷ সেটা সঙ্গী বা সঙ্গিনীর সঙ্গে সঙ্গমে মেতে ওঠার সময়েই হোক অথবা, একক ভাবে যৌনতার স্বাদ পাওয়ার ক্ষেত্রেই হোক৷ নিশ্চিন্ত মানসিক অবস্থা ও সুস্থ পরিবেশ যৌনতার ক্ষেত্রে অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ বলে জানাচ্ছেন বিশেষজ্ঞরা৷

২৷ ঘরের মধ্যে আধো আলো, আধো অন্ধকারে একাকী রয়েছে আপনি৷ বিশ্বের সমস্ত রকমের অসুবিধা, কোলাহল থেকে একেবারে মুক্ত, স্নিগ্ধ ও নিশ্চিন্তের পরিবেশ তৈরির ক্ষেত্রে ব্যবহার করা যেতে পারে সুগন্ধি ক্যানডেল৷ চলবে স্লো টিউনের একটি গান৷ সঙ্গে থাকবে সেক্স টয়৷

৩৷ একাকী যৌনতার ক্ষেত্রে যেহেতু আপনিই শুরু এবং আপনিই শেষ৷ তাই এখানে নিজের সঙ্গেই পরীক্ষা-নিরীক্ষায় মেতে উঠতেই হবে৷ গতানুগতিক স্বমেহনে মেতে না উঠে, চেষ্টা করা উচিত নিত্যনতুন পদ্ধতির৷

৪৷ একাকী ঘরে থাটের পাশে রাখা বালিশটি কিন্তু আপনার স্বপ্নের সঙ্গী বা সঙ্গিনী হয়ে উঠতেই পারে৷ তাকে দিয়েও নিজের ফ্যান্টাসি পূরণ করা যেতে পারে৷

৫৷ যখন অন্য কেউ নেই, তখন এখানে নিজেকেই সবটাই সামলাতে হবে৷ ফলে অনেকটা সময় নিয়ে নিজের মতো করে আপনাকেই মেতে থাকতে হবে যৌনতায়৷

বিশেষজ্ঞরা বলছেন, যৌনতার ক্ষেত্রে সবর্দাই জানার ইচ্ছা থাকতে হবে৷ রোমাঞ্চ উন্মোচন করার কৌতূহল থাকতে হবে৷ তবেই সঠিক স্বাদ আস্বাদন করা যেতে পারে৷ সঙ্গী বা সঙ্গিনী না থাকলেও ভেঙে পড়ার কিছু নেই৷ কারণ এই উপায়গুলি নেমে চললে হলফ করে বলা যেতে পারে রোমাঞ্চ-রহস্যের হদিশ পাবেন আপনিও৷

পুরুষেরা যে ৭টি কারণে বয়সে বড় মহিলাদের প্রতি বেশি আকৃষ্ট হন

প্রচলিত একটি কথা আছে, সব পুরুষই জীবনের কোনও না কোনও সময়ে বয়সে বড় কোনও মহিলার প্রেমে পড়েন। কেউ কেউ এই প্রেম মনের মধ্যে চেপে রাখেন, কখনও প্রকাশ করেন না। কিন্তু অনেকেই সাহসে ভর করে এগিয়ে যান। কিন্তু কেন?

বয়সে বড় মেয়েদের সঙ্গে সম্পর্ক নিয়ে বাঙালিদের মধ্যে প্রবল সামাজিক আপত্তি থাকলেও ভারতের বিভিন্ন রাজ্যে কিন্তু এই সম্পর্ককে খারাপ চোখে দেখা হয় না।

বিশেষ করে, রাজপরিবারগুলির মধ্যে বয়সে ৪-৫ বছরের বড় মহিলাদের সঙ্গে বিয়ে আকছার হয়েই থাকে। সেখানে মূল কথা আভিজাত্য, বয়স নয়।

তা ছাড়া, ভারতের পশ্চিমাঞ্চলের রাজ্যগুলি, বিশেষ করে গুজরাতে, সাধারণের মধ্যেও বয়সে বড় মেয়েদের সঙ্গে সম্পর্ককে আর যাই হোক, নোংরা চোখে দেখা হয় না।

গুজরাতে ‘দিয়াবাট্টু’ বলে একটি সামাজিক প্রথা আছে। স্বামী মারা গেলে, তার ছোট বা বড় ভাইয়ের সঙ্গে বিয়ে দেওয়া হয় স্ত্রীকে। কখনও ১০-১২ বছরের ছোট দেওরের সঙ্গেও বিয়ে দেওয়া হয়।

কিন্তু এ তো গেল সামাজিক প্রথার কথা। যেখানে সে সব বাধ্যবাধকতা নেই, সেখানে চলে আসে আকর্ষণের প্রসঙ্গ। ঠিক কী কারণে একটু বেশি বয়সি মেয়েদের প্রতি আকৃষ্ট হন ছেলেরা?

বিভিন্ন মনস্তাত্বিক গবেষণায় উঠে এসেছে নীচের কারণগুলি—

১) পরিণত শরীরের প্রতি যৌন আকর্ষণ বোধ করে অনেক ছেলে। তাই বিশেষ করে টিন-এজে ৫-৬ বছর, এমনকী ১০-১২ বছরের বড় মহিলাদের প্রতিও আকৃষ্ট হয় তারা।

২) ফ্রয়েডীয় তত্ত্ব বলছে, ছেলেরা সঙ্গিনীর মধ্যে মা-কে পেতে চায়। তাই স্বভাবতই বয়সে বড় মহিলাদের প্রতি আকর্ষণটা আসে।

৩) সম্পর্কের ক্ষেত্রে মেয়েরা ছেলেদের চেয়ে বয়সে ছোট হবে—এই যে প্রচলিত ধারা, তার বাইরে যাওয়ার প্রবণতা থেকেও অনেকে বয়সে বড় মেয়েদের প্রেমে পড়েন।

৪) শরীরের টানের পাশাপাশি ছেলেরা সব সময়ে সেই মেয়েদেরই সঙ্গিনী হিসেবে চায়, যাদের বুদ্ধি-বিবেচনা ভাল, যে কোনও পরিস্থিতি সামাল দিতে পারে আবার প্রয়োজন মতো বিছানায় ছেলেদের ‘ইগো’-কে পুষ্ট করতে পারে।

বয়সে ছোট মেয়েরা নিজেরাই প্যাম্পার্‌ড হতে চায় ছেলেদের কাছ থেকে, তাই খুব বেশি ইগো বুস্টিং করতে পারে না।

৫) অনেক সময়ে ছোটবেলায় যৌন নিগ্রহের শিকার হলে সেই অভিজ্ঞতার ছাপ পড়ে যায় যৌন চাহিদায়। পরবর্তীকালে বয়সে বড় কোনও মহিলার শরীরকেই তখন পেতে চায় ছেলেরা।

৬) পর্ন দেখার অভিজ্ঞতা থেকেও বয়সে বড় মেয়েদের প্রতি আকর্ষণ জন্মায়। বিশেষ করে, সাম্প্রতিক সময়ে যারা খুব বেশি ‘ম্যাচিওর’ পর্ন দেখে, তাদের মধ্যে এই প্রবণতা বেশি।

৭) বয়সে বড় কোনও মেয়েকে সঙ্গিনী হিসেবে পেলে অনেক ছেলেরই নিজের প্রতি আত্মবিশ্বাস বাড়ে। তাকে যৌনতৃপ্তি দিতে পারলে আত্মবিশ্বাস আরও বহুগুণ বেড়ে যায়।

LEAVE A REPLY

Please enter your comment!
Please enter your name here