প্রেমিকাকে হাতের মুঠোয় রাখতে চান? কীভাবে জেনে নিন…এর জন্য রইল ১০টি টিপ্স

0
433

পুরনো হোক বা নতুন, গার্লফ্রেন্ডকে বশে রাখতে হয়। না-হলেই তারা সাপের পাঁচ পা দেখে। প্রথমত, মেয়ে হওয়ার সুবাদে সব কিছুতেই অগ্রাধিকার নেওয়ার একটা চেষ্টা থাকে। তার উপরে যখন-তখন ফাঁসিয়ে দিতে জুড়ি নেই। যদি এই হয় অবস্থা, তবে কি করে গার্লফ্রেন্ডকে ধরে রাখবেন?

একের পর এক প্রেম করছেন। একটার পর একটা করে গার্লফ্রেন্ড-ও জুটে যাচ্ছে। কিন্তু শেষমেষ কেউ-ই আর থাকছে না! বেলাশেষে আপনি একাই রয়ে যাচ্ছেন? তারমানে আপনি আপনার গার্লফ্রেন্ডকে ধরে রাখতে পারছেন না?

প্রশ্নটা ঠিক এখানেই। তাহলে আসুন আপনাকে জানিয়ে দিই কি করে হাতের মুঠোয় রাখবেন গার্লফ্রেন্ডকে? এর জন্য রইল ১০টি টিপ্‌স—

১। গার্লফ্রেন্ডের মেল আইডি এবং ফেসবুকের পাসওয়ার্ড জানতে চান। সত্যি সত্যি নেবেন না। কিন্তু চাইলে সে এক কথায় পাসওয়ার্ড জানাচ্ছে কি না খেয়াল করুন। না দিলে পাল্টা চাপ দিন এই বলে যে, তবে নিশ্চয়ই এমন কিছু ব্যাপার রয়েছে যা সে গোপন করতে চাইছে।

২। বান্ধবীকে মাঝেমধ্যেই কথায় ও কাজে বুঝিয়ে দিন যে সে কতটা ক্যাবলা এবং আপনাকে ছাড়া সে কতটা অসহায়।

৩। অফিসে বা কাজে থাকলে বান্ধবীর ফোন ধরবেন না। এমার্জেন্সি ছাড়া মেসেজেরও উত্তর দেবেন না। কিন্তু গার্লফ্রেন্ড যদি তার অফিস বা কাজের জায়গায় আপনার ফোন না তোলে তবে তুলকালাম করবেন। কারণ? কারণ মেয়েদের অনেক রকম বিপদ হতে পারে। সেই আশঙ্কাতেই আপনি ফোন না তুললে রেগে আগুন হয়ে যান। এটাই তাকে বলবেন।

৪। উইকএন্ড হলেই গার্লফ্রেন্ডকে নিয়ে বেরিয়ে পড়বেন না। নিজের বন্ধুবান্ধব, আত্মীয়-পরিজনদের সঙ্গেও প্ল্যান করুন এবং প্রেমিকাকে বুঝিয়ে দিন সব সময় তাকে চোখে হারান না আপনি।

৫। গার্লফ্রেন্ড যদি ফেসবুকে স্টেটাস কমিটেড বা এনগেজ্‌ড না করে তবে আপনিও নিজের স্টেটাস সিঙ্গল করে দিন। এর পরে সে কিছু বলতে এলে তাকে বলুন আগে যেন সে ফেসবুকে নিজের রিলেশনশিপ স্টেটাসে ঘোষণা করে কার সঙ্গে তার এনগেজমেন্ট।

৬। গার্লফ্রেন্ডদের বান্ধবীদের সঙ্গে ফেসবুক বা হোয়াট্‌সঅ্যাপ মারফত নিয়মিত যোগাযোগ রাখুন। তাদের প্রশংসা করুন। তবে তাদের সঙ্গে গার্লফ্রেন্ড নিয়ে কোনও কথা বলবেন না। তারা নিজে থেকে কিছু বলতে এলে চুপচাপ শুনে নিন। মন্তব্য করবেন না। এতে বান্ধবী হিংসেয় জ্বলবে এবং আপনার দৃষ্টি আকর্ষণের চেষ্টা করবে।

৭। বান্ধবীর বাবা-মা ও পরিবারের সকলের সঙ্গে খুব ভাল সম্পর্ক গড়ে তুলুন। বান্ধবী বাড়িতে যখন নেই, তখন বিশেষ করে তার বাড়িতে যান, বাড়ির সকলের সঙ্গে জমিয়ে গল্প করুন। টুকটাক কাজও করে দিন। বাড়ির সকলের চোখে আদর্শ ছেলে হয়ে উঠুন।

৮। ফোন আপনি করবেন না। তাকে করতে দিন। মনে রাখবেন মেয়ে বলেই তাকে বেশি তোল্লাই দেওয়ার কোনও দরকার নেই।

৯। সারা রাত জেগে গল্প করবেন না। নিজের শরীর এবং ঘুম কম্প্রোমাইজ করে প্রেম যে আপনি করবেন না, একথা ভাল করে তাকে বুঝিয়ে দিন।

১০। ফাঁকা বাড়িতে গার্লফ্রেন্ড ডাকলে যাবেন না। আপনার জন্য তার চাহিদা বাড়তে দিন। শপিং মলে যান, সিনেমা দেখুন কিন্তু গোপন অভিসার যতটা পারেন এড়িয়ে চলুন।

ছেলের জন্য মেয়ে দেখতে এসে সেই মেয়েকেই বিয়ে করে ফেললেন বাবা! তারপর…

সম্প্রতি এ ঘটনা ঘটেছে ভারতের বিহারের পাটনার সমশটিপুর জেলায়। জানা গেছে, ওই ব্যক্তির নাম রোশান লাল। পাটনা শাহরেই বাস করেন। ছেলের জন্য পাত্রী খুঁজছিলেন তিনি এবং অবশেষে ২১ বছর বয়সী স্বপ্নার সঙ্গে বিয়ের কথা পাকাপাকিও হয়।
পাত্রের বয়স ৬৫, পাত্রীর ২১। তাও আবার নিজের ছেলেকে বিয়ে দেয়ার জন্যই ঠিক করেছিলেন পাত্রীকে। কিন্তু, কপালের লিখন কেউ খণ্ডাতে পারলো না। ছেলের জন্য দেখা ওই পাত্রিকেই বিয়ে করে নিলেন বাবা।

পাত্রীও একই এলাকায় থাকতেন। দুই পরিবারের সম্মতিতেই ঠিক হয় বিয়ে। মহাধুমধামে শুরু হয় বিয়ের প্রস্তুতি। দুই পরিবারই আমন্ত্রণপত্র বিলি করে। কথামতো বিয়ের দিন উপস্থিত হন অতিথিরাও। নববধূ আশা নিয়ে অপেক্ষা করলেও বরের দেখে মেলিনি। পরে খোঁজাখুঁজি করে জানা যায়, বর তার প্রেমিকাকে নিয়ে পালিয়েছেন।

ছেলে-মেয়ের পরিবারের কেউই বিষয়টি জানতেন না। বিয়ের অনুষ্ঠানে অসংখ্য অতিথির সামনে দুই পরিবারই লজ্জায় পড়েন। রোশান লাল কনের মা-বাবাকে জিজ্ঞাসা করেন, এখন কী করা যেতে পারে? স্বপ্নার মা-বাবা তাদের সম্মান বাঁচাতে চান এবং বলেন বিয়ের অনুষ্ঠান বন্ধ করা যাবে না। অবশেষে তারা রোশান লালকে অনুরোধ করেন, তিনি যেন তাদের কন্যাকে বিয়ে করেন। চিন্তিত রোশান লাল প্রথমে রাজি না হলেও পরে রাজি হয়ে যান।

এদিকে ভারতে বিষাক্ত মদ পানে ১২ জনের মৃত্যু

ভারতের পশ্চিমবঙ্গের নদীয়া জেলার শান্তিপুরের চৌধুরীপাড়া গ্রামে বিষাক্ত চোলাই মদ পান করে ১২ জনের মৃত্যু হয়েছে। অসুস্থ হয়ে এখনো হাসপাতালে ভর্তি আছেন আরও ২৫ জন। প্রতীকী ছবিটি রয়টার্সেরভারতের পশ্চিমবঙ্গের নদীয়া জেলার শান্তিপুরের চৌধুরীপাড়া গ্রামে বিষাক্ত চোলাই মদ পান করে ১২ জনের মৃত্যু হয়েছে। অসুস্থ হয়ে এখনো হাসপাতালে ভর্তি আছেন আরও ২৫ জন। মৃতের সংখ্যা আরও বাড়তে পারে বলে আশঙ্কা করা হচ্ছে।

গত মঙ্গলবার বিকেলে এলাকার স্থানীয় চোলাই মদ বিক্রেতা চন্দন মাহাতোর কাছ থেকে মদ কিনে পান করে বেশ কয়েকজন। জানা গেছে, চন্দন মাহাতো এলাকায় গোপনে চোলাই মদ বিক্রি করতেন। পূর্ব বর্ধমানের কালনা থেকে নদীপথে এই মদ চোরাইপথে আনা হতো।

মঙ্গলবার সন্ধ্যা থেকেই শুরু হয় মৃত্যুর ঘটনা। শুরু হয় পেটে যন্ত্রণা এবং বমি। সঙ্গে সঙ্গে বিষাক্ত মদে আক্রান্ত নারী-পুরুষকে নিয়ে যাওয়া হয় বর্ধমানের কালনা হাসপাতাল, হুগলির উত্তরপাড়া স্টেট হাসপাতাল, কৃষ্ণনগর জেনারেল হাসপাতাল এবং কল্যাণী হাসপাতালে। মঙ্গল ও বুধবার—এই দুদিনে মারা যায় ১০ জন। আজ বৃহস্পতিবার মৃত্যু হয়েছে আরও দুজনের।

এদিকে এমন ঘটনার পর পশ্চিমবঙ্গ সরকার নিহত পরিবার পিছু ২ লাখ রুপি করে আর্থিক অনুদানের কথা ঘোষণা করেছে। এই ঘোষণার সমালোচনা করেছে রাজ্যের বিরোধী দল বিজেপি, কংগ্রেস ও বাম দলগুলো। তারা বলছে, চোলাই মদ যেখানে নিষিদ্ধ করা উচিত, সেখানে নিহতদের ২ লাখ রুপি করে অনুদান দেওয়া ঠিক নয়। এভাবে পরোক্ষভাবে চোলাই মদ পানে উৎসাহ দিচ্ছে সরকার।

নদীয়ার পুলিশ সুপার রূপেশ কুমার বলেছেন, বিষাক্ত মদ খেয়ে এ ঘটনা ঘটেছে। মদ বিক্রেতা চন্দন মাহাতো ও তাঁর এক আত্মীয় মারা গেছেন। এই ১২ জনের মধ্যে একজন নারী রয়েছেন। মৃত ও অসুস্থ ব্যক্তিরা পেশায় দিনমজুর। এ ঘটনার সঙ্গে জড়িত থাকার জন্য পুলিশ চারজনকে গ্রেপ্তার করেছে। পাশাপাশি থানার ওসি, দুই সার্কেল ইন্সপেক্টরসহ আবগারি দপ্তরের ১১ জন কর্মকর্তাকে বরখাস্ত করা হয়েছে। এই ঘটনার তদন্ত করছে সিআইডি।

LEAVE A REPLY

Please enter your comment!
Please enter your name here