মা হতে চান,কিভাবে সঙ্গীর সাথে ভাল সম্পর্ক রাখবেন ?

0
289

সবচেয়ে মূল্যবান উপহার যা আপনি এবং আপনার স্বামী আপনাদের সন্তানকে দিতে পারেন তা হল একটি সুখী সুন্দর দাম্পত্য জীবন কারণ একটি সুদৃঢ় দাম্পত্য আপনার সন্তানের জন্য একটি উদাহরণ যার থেকে সে শিখবে ও সেই ভাবেই আচরন করবে।

আপনার জীবনধারন রীতি কেমন? সাধারণভাবে সকল মাতা পিতাই চান যেন তাদের সন্তান স্বাস্থ্যকর খাবার খেতে পায়, প্রতিদিন খেলাধূলাকরার অবসর পায়, এবং ধূমপান অথবা মদ্যপান থেকে বিরত থাকে। কিন্তু মনে রাখতে হবে, শিশুরা তাদের অভ্যাসগুলো শিখে নেয়আপনার কাছ থেকেই, তাই আপনার নিজের পছন্দ সম্পর্কে সচেতন হওয়া দরকার। আপনার স্বামীর সঙ্গে কথা বলুন কিভাবে আপনারাএকে অন্যকে সহায়তা করতে পারবেন।

কিছু বিরক্তিকর অভ্যাস আছে যার কারণে অনেকেরই সম্পর্ক নষ্ট হয়ে যায় তার ভালোবাসার মানুষটির সাথে। আর একবার সম্পর্ক নষ্ট হলে সেই সম্পর্ক পুনরায় আগের মত হয়না কখনোই।

অনেকের নিজের বর্তমান ভালোবাসার মানুষটির সামনে কথায় কথায় প্রাক্তন প্রেমিক/প্রেমিকার কথা বলার অভ্যাস আছে। এই অভ্যাসটি আপনার বর্তমান সম্পর্কের জন্য অনেক বেশি ক্ষতিকর। আপনি আপনার প্রাক্তন প্রেমিক/প্রেমিকার সম্পর্কে ভালো বা খারাপ যাই বলুন না কেন আপনার বর্তমান প্রেমিক/প্রেমিকা তা ভালো চোখে দেখবেন না। এতে করে আপনার প্রেমিক/প্রেমিকা ভাবতে পারেন আপনার মনে এখনো আপনার প্রাক্তন মানুষটিই আছে। সম্পর্কচ্ছেদ হওয়ার জন্য এই সামান্য চিন্তাই যথেষ্ট। সুতরাং এই অভ্যাসটি দূর করুন।

ভালোবাসার সম্পর্ক ঠিক রাখতে হলে প্রেমিক এবং প্রেমিকা উভয়কে ভালো শ্রোতা হতে হয়। আপনি আপনার ভালোবাসার মানুষটির কথা শুনলেন না বা শুনতে চাইলেন না এতে করে তিনি ভাবতে পারেন আপনি তাকে এড়িয়ে চলছেন। এই ভাবনাটি সম্পর্কের জন্য ভালো নয়। প্রেমিক/প্রেমিকার কথা মনোযোগ দিয়ে শুনুন। এতে করে তিনি নিজেকে আপনার কাছে গুরুত্বপূর্ণ মনে করবেন। এবং সেই হিসেবে তিনিও আপনাকে গুরুত্ব দেবেন।

অর্থের গরম দেখাবেন না: যেহেতু আপনি বয়সে বেশ বড়, কাজেই উপার্জন আপনার বেশি হওয়াটা স্বাভাবিক। কিন্তু এই জন্য প্রেমিকার কাছে টাকার গরম দেখাবেন না। অথবা প্রেমিকা কর্মজীবী হলে তার উপার্জনকে খাটো করে দেখবেন না। আর তরুণ প্রেমিকের সঙ্গিনী যদি হন কলেজ-পড়ুয়া মেয়ে, তবে তার কাছে অর্থের ভাব দেখানোর কোনও অর্থ নেই। এর দ্বারা সাময়িক সময়ের জন্যে মেয়েদের আকর্ষণ করা যায়। কিন্তু সত্যিকার ভালোবাসায় অর্থের বিষয়টি অর্থবহ নয়।

ভারসাম্য আনুন: মতের দ্বন্দ্ব বা ঝগড়া হলে আপনাকেই ভারসাম্য আনতে হবে। নিজে দ্বায়িত্ব নিয়ে ফের ভারসাম্য ফিরিয়ে আনুন। কম বয়সী মেয়েরা এক্ষেত্রে আপনার দিক থেকেই প্রথম পদক্ষেপটি দেখতে চাইবেন। তাদের এই চাওয়ার মূল্য দিতে হবে। প্রেমিকার ভুল থাকলেও যে আপনার জিততেই হবে, এমন কোনও কথা নেই।

LEAVE A REPLY

Please enter your comment!
Please enter your name here