ছেলেরা যে ৬টি কৌশল করে মেয়েদের পটিয়ে নিজের মনের আশা পূরন করবেন!

0
464

বিয়েটা হয়েছে পারিবারিক ভাবেই। আর তাই বিয়ের পর থেকেই মন জিতে নেয়ার চেষ্টা করছেন তার। কিন্তু কেন যেন সব চেষ্টাকেই বৃথা মনে হয় দিন শেষে। কোনো ভাবেই বুঝতে পারছেন না কিভাবে জীবন সঙ্গীর মন জিততে পারবেন।

প্রতিটি মানুষই নিজের মনের মানুষটির কাছে হয়ে উঠতে যায় একজন আদর্শ সঙ্গী। আর তাই প্রিয় মানুষটিকে খুশি করার জন্য কত কিছুই না করে থাকে মানুষ। জীবন সঙ্গীর কাছে নিজেকে পৃথিবীর শ্রেষ্ঠ মানুষ বানিয়ে তোলার এই প্রয়াসটি সৃষ্টির শুরু থেকেই দেখা যায়। মনে রাখবেন, প্রিয় মানুষটির মন জিতে নেয়া খুব বেশি কঠিন কাজ নয়। প্রয়োজন শুধু একটু সদিচ্ছা। আসুন জেনে নেয়া যাক প্রিয় মানুষটির মন জিতে নেয়ার ৬টি উপায়।

সুবিধা অসুবিধার প্রতি লক্ষ্য রাখুন
জীবন সঙ্গীর মন জিতে নিতে চাইলে প্রতিদিনের সংসারেই জীবন সঙ্গীর সুবিধা অসুবিধার দিকে খেয়াল রাখা উচিত। সঙ্গী কী খাবে, কখন ঘুমাবে, ক্ষুধা লেগেছে কিনা, ক্লান্ত কিনা, কী প্রয়োজন ইত্যাদি সব বিষয়ের প্রতিই জীবন সঙ্গীর হয়ে উঠতে হবে সচেতন। প্রতিদিনের একটু একটু আদর যত্নই ভালোবাসা বাড়িয়ে দেয় অনেক খানি। তাই জীবন সঙ্গীর মন জিতে নিতে চাইলে প্রতিদিন সঙ্গীর সুবিধা অসুবিধার দিকে লক্ষ্য রাখা জরুরী।

উপহার দিন
সঙ্গীর মন জিতে নিতে চাইলে সঙ্গীকে মাঝে মাঝে উপহার দেয়া উচিত। পৃথিবীর সব মানুষই জীবন সঙ্গীর কাছ থেকে উপহার আশা করে। প্রেমের সময় অধিকাংশ যুগলই উপহার আদান প্রদান করলেও বিয়ের পরে অধিকাংশ মানুষই তা করে না। সঙ্গীর মন জিতে নিতে চাইলে আপনার সামর্থ্য অনুযায়ী মাঝে মাঝে উপহার দিন তাকে। আর কিছু না হোক একটি ফুল নিয়ে তো চমকে দেয়াই যায় তাই না?

নিজেকে আকর্ষণীয় করে তুলুন
জীবন সঙ্গীর মন জিতে নিতে চাইলে নিজেকে আকর্ষণীয় করে তোলাটা জরুরী। জীবন সঙ্গী আপনাকে সব সময়ই দেখে বলে নিজেকে অগোছালো রাখা উচিত না। প্রতিনিয়তই নিজের যত্ন নিন। সেই সঙ্গে জীবন সঙ্গীর পছন্দের সুন্দর পোষাক পরুন এবং সুগন্ধি ব্যবহার করুন। নিজেকে গুছিয়ে রাখলে সঙ্গীর মন জিতে নিতে পারবেন খুব সহজেই।

সঙ্গীর পরিবারের যত্ন নিন
একটি মানুষকে জীবন সঙ্গী করা মানে নতুন একটি পরিবারের সাথে আত্মীয়তা হওয়া। আপনার জীবন সঙ্গীর সব চাইতে কাছের মানুষ তো তারাই। তাই আপনার জীবন সঙ্গীর মন জিতে নিতে চাইলে তার পরিবারের সুবিধা অসুবিধার দিকে লক্ষ্য রাখুন। তাদের বিপদে আপদে সব সময় তাদেরকে সাহায্য করুন। তাহলে আপয়ান্র জীবন সঙ্গীর মন জিতে নিতে পারবেন সহজেই।

সঙ্গীকে স্বাধীনতা দিন
একজন মানুষকে জীবন সঙ্গী করা মানেই তার জীবনের সমস্ত স্বাধীনতা ছিনিয়ে নেয়া নয়। আপনার জীবন সঙ্গীকে যথেষ্ট পরিমাণে স্বাধীনতা দিন। তাকে তার নিজস্ব জগতটাকে উপভোগ করতে দিন। সারাক্ষণ তার পিছে পিছে না থেকে তাকে তার মত করে জীবনটাকে উপভোগ করতে দিন মাঝে মাঝে। তাহলে আপনার সঙ্গীর মন জিতে নিতে পারবেন আপনি।

নিজের ব্যক্তিত্ব বজায় রাখুন
দাম্পত্য সম্পর্ক মানেই নিজেকে উজার করে দেয়া নয়। জীবন সঙ্গীর কাছে নিজের ব্যক্তিত্বকে উজার করে দিলে এক পর্যায়ে জীবনসঙ্গী একঘেয়ে বোধ করে। তাই জীবন সঙ্গীর সাথে নিজের ব্যক্তিত্ব বজায় রাখুন। জীবন সঙ্গীর প্রতি অতিরিক্ত নির্ভরশীল হবেন না। আপনার ব্যক্তিত্ব ও আত্মনির্ভরশীলতা আপনার জীবন সঙ্গীকে মুগ্ধ করবে।

জেনেনিন যে ধরণের পুরুষদের ন‍ারীরা তাদের সব কিছু দিতে চান

যে ধরণের পুরুষদের ন‍ারীরা পাগলের মত ভালবাসে- শরীর তো আছেই, সঙ্গে অবশ্যই থাকতে হবে আবেগ-অনুভূতিও। নারীর হৃদয় জয়ে সফল হতে হলে এসব পুরুষালি গুণের চর্চায় মনোযোগী হতে পারেন আজ থেকেই। পড়ুন এমন পাঁচটি গুণের কথা

মুখে হাসি ফোটান :

রসবোধ থাকাটা যে কারও জন্যই উঁচুমানের গুণ হিসেবে বিবেচিত হয়। কাঙ্ক্ষিত পুরুষের চরিত্রে নারীরা এটা খোঁজেন। প্রাত্যহিক জীবনে এমনিতেই বহু ঝুট-ঝামেলা নিয়ে ত্যক্ত-বিরক্ত হয়ে থাকার মতো যথেষ্টই কারণ থাকে নারীদের। তাই একজন মনমরা টাইপ সঙ্গী তাঁদের জন্য মড়ার উপর খাঁড়ার ঘা। তাই নিজে হাসুন, তাঁর মুখেও হাসি ফোটাতে

খেয়াল রাখতে হবে ঠাট্টা-তামাশা করতে গিয়ে সব সময়ই অন্য কাউকে খাটো করা, আঘাত করা মোটেই কাজের কথা না। অনেক নারীই এটা রীতিমতো অপছন্দ করেন। আর যে পুরুষ হাসিমুখে নিজের ভুল স্বীকার করতে পারেন, নিজেকে নিজেই মশকরা করতে পারেন, তাঁর প্রতি নারীদের আকর্ষণ কতটা তীব্র সে বিষয়ে আমরা কিছু বলব না, আপনি নিজেই তা পরীক্ষা করে দেখুন।

তাঁকে বুঝতে দিন যে আপনি যত্নবান :

নারীরা সব সময়ই বারবারই এটা নিশ্চিত হতে চান যে তাঁকে কেউ ভালোবাসছেন, তাঁর খেয়াল রাখছেন। তাঁর হাত ধরে হাঁটা, সুযোগ পেলে একসঙ্গে সূর্যাস্ত দেখা—হোক তা বারান্দায় দুই মিনিটের জন্য, মাঝেমধ্যেই জড়িয়ে ধরা, রাস্তা পেরোনোর সময় তাঁর খেয়াল রাখার মতো কাজগুলোকে মোটেই অবহেলা করবেন না। আপনার এসব ছোট ছোট অভ্যাস থেকে অনেক কিছুই বোঝা যায়। কখনো কখনো রাস্তায়, বেড়াতে গিয়ে সবার সামনে তাঁর হাত ধরে হাঁটা মানে আপনি তাঁকে নিয়ে গর্বিত। তবে এ চর্চা যেন হয় জড়তাহীন, সাবলীল আর আতিশয্য বর্জিত।

নিজের রুচি তুলে ধরুন :

দামি ব্র্যান্ডের জামা-জুতো হতে হবে বিষয়টা মোটেও এমন নয়। আর যদি একটার সঙ্গে বেমানান আরেকটা এই ব্র্যান্ডের শার্ট, ওই ব্র্যান্ডের জুতো, সেই ব্র্যান্ডের জিনস হয় তাহলে তা আপনাকে দেখেই দৌড়ে পালাতে পারে যে কেউ। তাই সাধারণ দোকান থেকে কেনা হলেও পোশাকে-আশাকে নিজের রুচি পছন্দটা তুলে ধরুন। আর খেয়াল রাখুন তা যেন আপনার শারীরিক গড়ন আর গায়ের রঙের সঙ্গে মানানসই হয়। নিজের একটা স্টাইল গড়ে তুলুন।আপনাকে বুঝতে হবে, আপনি যেমন নারীদের ‘সন্ন্যাসিনী’ সেজে থাকা পছন্দ করেন না, ঠিক তেমনি আধুনিক নারীরাও ‘অফিস টাইপ’ পোশাকের পুরুষদের পছন্দ করেন না।

ফিটফাট থাকুন :

নারীরা দীর্ঘদেহী পুরুষ পছন্দ করেন বটে, তবে উচ্চতাই শেষ কথা নয়। গুরুত্বপূর্ণ হলো আপনি কীভাবে নিজেকে উপস্থাপন করছেন। আসল বিষয় হলো নারী বুঝতে চায় আপনি নিজের যত্ন নিতে, ফিটফাট থাকতে পারছেন কি না। তাঁরা ভাবেন, যে পুরুষ নিজের দেখভাল করতে পারেন না, তিনি আমার দেখভাল করবেন কী করে?

সুতরাং, আলুথালু পোশাক, এলোমেলো চুল, নখ না কাটা বা ময়লা থাকা, মোজায় গন্ধ, ময়লা শার্ট বা জিনসের উদাসীনতার দিন শেষ। হালের নারীরা এসব একেবারেই পছন্দ করেন না। নারীর মন পেতে হলে এসব খামখেয়ালিপনা আজই ছাড়ুন।

ও চোখে চোখ পড়েছে :

যখনই তাঁর চোখে চোখ রেখে তাকান। মিষ্টি করে একবার হাসুন। ভালোবাসার চোখে সরাসরি তাঁর চোখে তাকালে একজন নারী যে অনুভূতি পান তার তুলনা করা দুষ্কর। আপনার ওই চাহনিতে নিজেকে লাখে একজন মনে হতে পারে তাঁর। আর মাঝেমধ্যেই চোখে চোখ রেখে তাকানোটা জরুরি। কেননা, অনেক কথায় যা হয় না, চোখের ভাষায় সেটা বলা হয়ে যেতে পারে।

LEAVE A REPLY

Please enter your comment!
Please enter your name here