আবার ও হৈ চৈ ফেলে দিয়েছে আবেদনয়ী অভিনেত্রী স্বস্তিকা

0
365

বেশ কিছুদিন হলো মুম্বাইয়ে আছেন কলকাতার বাংলা চলচ্চিত্রের অভিনেত্রী স্বস্তিকা মুখোপাধ্যায়। বাংলা চলচ্চিত্র অঙ্গনে তিনি এরই মধ্যে স্বনামধন্য। এবার নতুন ইন্ডাস্ট্রিতে নিজের অভিনয়ের সেরাটুকু উজাড় করে দিতে চলেছেন স্বস্তিকা। ‘আরন’-এর মাধ্যমে মারাঠি সিনেমা ইন্ডাস্ট্রিতে তাঁর অভিষেক হতে চলেছে।

একটি সাক্ষাৎকারে স্বস্তিকা বলেছিলেন, ছেলে বা মেয়েকে চুমু খাওয়াতে কোনও পার্থক্য নেই। ওই সাক্ষাৎকারেই আবার স্বস্তিকাকে বন্ধু পরিচালক মৈনাক ভৌমিকের সম্পর্কের কথা জিজ্ঞাসা করায় তার জবাবে তিনি বলেন, “থ্যাঙ্কফুলি মৈনাকের চেহারাটা এমন যে আমার পেয়ার হিসাবে লোকে ওকে ভাবতে পারে না বলেই আমাকে আর ওকে নিয়ে প্রেমের মাখো মাখো গল্প তৈরি হয় না।

তবে ও যদি মেয়ে হত তবে আমি কবেই লেসবিয়ান হয়ে যেতাম।” এর পরে মৈনাক ভৌমিকের আর একটি ছবি ফ্যামিলি অ্যালবাম ছহিতে পাওলিকে চুমু খাওয়ার দৃশ্য় নিয়ে তাঁকে প্রশ্ন করা হলে তিনি বলেছিলেন,”একজন অভিনেত্রী হিসেবে এই কাজটা না করলে জানতে পারতাম না যে চুমু খাওয়ার ক্ষেত্রে ছেলে বা মেয়ে ততটা গুরুত্বপূর্ণ নয় যতটা গুরুত্বপূর্ণ আমার মন! আমার মন আদর করতে চাইছে এটাই সবচেয়ে সত্যি। বিশ্বাস করুন, মেয়ে বা ছেলের চুমুতে কোনও তফাত নেই।” এর পরই স্বস্তিকাকে নিয়ে চরম বিতর্ক তৈরি হয়েছিল, তবে কী স্বস্তিকা সমকামি?

অভিনয় দক্ষতা, বা ছবির থেকেও ব্যক্তিগত জীবনের সম্পর্ক ঘিরে বেশিবার খবরে এসেছেন স্বস্তিকা। ১৮ বছর বয়সে সঙ্গীত শিল্পী প্রমিত সেনকে বিয়ে করেছিলেন স্বস্তিকা। দুবছরের মধ্য়ে বিবাহ বিচ্ছেদ হয়। স্বামীর বিরুদ্ধে শারীরিক অত্যাচারের অভিযোগ আনেন অভিনেত্রী। এর পরে একাধিক সম্পর্কে জড়িয়েছেন তিনি। জিত, পরমব্রত, দেব, শ্রীজিত একাধিক নাম। তরে পরমব্রতর সঙ্গে সম্পর্ক ভাঙার পর স্বস্তিকা মিডিয়ায় জানিয়েছিলেন একটি ইমেল করে পরম তার সঙ্গে সম্পর্ক শেষ করেছেন। লন্ডনে কাউকে পেয়ে গিয়েছেন বলেই পরমব্রত এই সিদ্ধান্ত নিয়েছেন। এই ঘটনাকে ঘিরে বেশ একটা শোরগোল পরে গিয়েছিল টলিউডে ।

২০০৩ সালে উর্মী চক্রবর্তী পরিচালিত ‘হেমন্তের পাখি’ ছবির মাধ্যমে বড় পর্দায় আত্মপ্রকাশ করেন স্বস্তিকা। ছবিটিতে তিনি পাশ্ব-চরিত্রে অভিনয় করেছিলেন। তিনি প্রথম প্রধান চরিত্রে অভিনয় করার সুযোগ পান রবি কিনাগী পরিচালিত ‘মাস্তান’ ছবিতে। এরপর শুধু এগিয়ে চলেছেন।

তবে সে সময়ের স্বস্তিকা আর এখনকার স্বস্তিকার মধ্যে যোজন যোজন পার্থক্য। প্রথম দিকে তিনি হাজির হতেন মমতাময়ী প্রেমিকা রূপে, কিন্তু গত কয়েক বছর ধরে খোলামেলা চরিত্রেই তাকে বেশি দেখা যায়। আর এই চরিত্রে তিনি ইতিমধ্যেই ছাড়িয়ে গেছেন অন্য সবাইকেই। কাজেই নিজেকে তিনি অদ্বিতীয়া বলতেই পারেন।

টালিপাড়ার এই অভিনেত্রী প্রতিবেদককে বলেন, ‘নিজের সম্পর্কে গুগলে সার্চ করে দেখাকে আমার কাছে অদ্ভুত মনে হয়। আমি তো আগে কখনো করিনি। করে দেখা যাক, লোকে কী নিয়ে আগ্রহী।’

প্রতিবেদকের কথা অনুযায়ী, স্বস্তিকা লিখে নিজেই গুগলে সার্চ দেন অভিনেত্রী। সে সময় তিনি দেখেন, তার নামের পাশে ‘হট সিন’, ‘হট অ্যান্ড সেক্সি’, ‘সেনসেশনাল সিনস’ শব্দগুলো সাজেস্ট করছে।

উল্লিখিত শব্দগুচ্ছ দেখে স্বস্তিকা বলেন, ‘এত ভালো কাজ করলাম, সেগুলো নিয়ে কারো মাথাব্যথা নেই। এসব নিয়ে যে লোকে কিউরিয়াস, আমি শুনতে পাই। আর ওয়েট (ওজন) নিয়ে এত কিউরিওসিটি (আগ্রহ) কেন? ওয়েট তো ফ্ল্যাকচুয়েট (উঠানামা) করতেই পারে!’

LEAVE A REPLY

Please enter your comment!
Please enter your name here