প্রবীণ দিবস আজ

0
215

দেশইনফো ডেস্ক: ‘মানবাধিকার প্রতিষ্ঠায়- প্রবীণদের স্মরণ পরম শ্রদ্ধায়’ প্রতিপাদ্য নিয়ে আজ পালিত হচ্ছে আন্তর্জাতিক প্রবীণ দিবস।

বিশ্বের অন্যান্য দেশের মতো বাংলাদেশেও বিভিন্ন কর্মসূচির মাধ্যমে এই দিবসটি পালন করা হচ্ছে। দিবসটি উপলক্ষে বর্ণাঢ্য র‌্যালি ও আলোচনা সভার আয়োজন করেছে সমাজসেবা অধিদপ্তর ও প্রবীণদের কল্যাণে কর্মরত বিভিন্ন সংগঠন।

সকাল ১০ টায় আগাঁরগাও সমাজসেবা অধিদফতর এলাকায় র‌্যালি শুরু হয়বে, র‌্যালি শেষে অধিদপ্তরে এক আলোচনা সভা অনুষ্ঠিত হয়। সমাজকল্যাণ মন্ত্রী রাশেদ খান মেনন অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথি এবং সমাজকল্যাণ প্রতিমন্ত্রী নুরুজ্জামান আহমেদ বিশেষ অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন। অনুষ্ঠানে সভাপতিত্ব সমাজকল্যাণ সচিব করেন মোঃ জিল্লার রহমান।

এদিকে, আগামীকাল বেলা ১১ টায় পিআইবি সেমিনার কক্ষে ‘পিআইবি-প্রবীণবন্ধু সম্মাননা ২০১৮’র আয়োজন করেছে প্রেস ইনস্টিটিউট বাংলাদেশ (পিআইবি) ও প্রবীণ বন্ধু ফাউন্ডেশন। অনুষ্ঠানে ‘সেলিব্রেটিং লিজেন্ডস’ শীর্ষক আয়োজনের মাধ্যমে বার্ধক্য নিয়ে কাজ করছে এমন প্রতিষ্ঠানের প্রধান, গুণিজন এবং প্রবীণ ব্যক্তিসহ আটজনকে পুরুস্কৃত করা হবে। এছাড়া এদিন ‘প্রবীণের অধিকার, টেকসই উন্নয়ন ও গণমাধ্যমের ভূমিকা’ শীর্ষক একটি সেমিনারও অনুষ্ঠিত হওয়ার কথা।

বর্তমানে বাংলাদেশে প্রায় এক কোটি ৩০ লাখ প্রবীণ বা সিনিয়র সিটিজেন রয়েছেন বলে জানান প্রবীণ বন্ধু ফাউন্ডেশনের প্রতিষ্ঠাতা চেয়ারম্যান ডা. মহসীন কবির। তিনি মনে করেন, আগামী ২০২৫ সাল নাগাদ দেশে প্রবীণদের সংখ্যা হবে প্রায় এক কোটি ৮০ লাখ। ২০৫০ সালে এই সংখ্যা প্রায় সাড়ে চার কোটি এবং ২০৬১ সালে প্রায় সাড়ে পাঁচ কোটি প্রবীণ জনগোষ্ঠী হবে।

মহসীন মনে করেন, ২০৫০ সালে বাংলাদেশে প্রতি ৫ জনে এক জন প্রবীণ হবেন, যা ওই সময়ের জনসংখ্যার ২০ শতাংশ। বাংলাদেশে আগামী ২০৫০ সালে শিশুর চেয়ে প্রবীণ নাগরিকের সংখ্যা এক শতাংশ বেশি হবে। ওই সময়ে শিশুর সংখ্যা হবে ১৯ শতাংশ এবং প্রবীণ নাগরিকের সংখ্যা হবে ২০ শতাংশ। তিনি প্রবীণদের উন্নয়নে দীর্ঘমেয়াদি পরিকল্পনা গ্রহণ এবং সে অনুযায়ী কর্মসূচি বাস্তবায়নের জন্য সরকারের নীতি-নির্ধারকের প্রতি আহ্বান জানান ‘প্রবীণ বন্ধু ফাউন্ডেশন’ চেয়ারম্যান।

প্রবীণদের সুরক্ষা এবং অধিকার নিশ্চিতের পাশাপাশি বার্ধক্যের বিষয়ে বিশ্বব্যাপী গণসচেতনতা সৃষ্টির লক্ষ্যে ১৯৯০ সালে ১ অক্টোবর আন্তর্জাতিকভাবে দিবসটি পালনের সিদ্ধান্ত নেয় জাতিসংঘ। ১৯৯১ সাল থেকে এ দিবসটি পালন করা শুরু হয়।

LEAVE A REPLY

Please enter your comment!
Please enter your name here