অনেক বেশী রাগ আপনার ?জানুন রাগ নিয়ন্ত্রণ করার!

0
94

যখনই বুঝবেন খুব বেশি রেগে যাচ্ছেন, সাথে সাথেই লম্বা দম নেয়া শুরু করুন। মারাত্মকভাবে প্রতিক্রিয়া ব্যক্ত করার আগে লম্বা নিঃশ্বাস নিন।

এটা আপনাকে শান্ত থাকতে সাহায্য করবে,প্রতিক্রিয়াটা আর আগের মতন তীব্র হবে না। রাগের সময় কোন কাজ করতে যাবেন না। এমনকি কথা বলাও না। চুপচাপ একলা থেকে রাগ কমানোর পর্যন্ত বসে থাকুন। কিংবা খানিকক্ষণ একলা হাঁটাহাঁটি করুন, এক গ্লাস ঠাণ্ডা পানি খান। দেখবেন বেশ দ্রুত রাগ কমে স্বাভাবিক চিন্তা ফিরে আসছে।

রাগ এমন একটি আবেগ যা মানুষ খুব কমই নিজের নিয়ন্ত্রণে রাখতে পারেন। রাগের মাথায় অনেক অকাজ করে ফেলতে দেখা যায় অনেককেই। হুট করে রেগে যাওয়া ব্যক্তির চাইতে অবশ্য ঠাণ্ডা মানুষের রাগের মাত্রা বেশি হয়। কিন্তু রাগ মূলত ক্ষতিকর একটি আবেগ যা নিয়ন্ত্রণে রাখাটাই বুদ্ধিমানের কাজ। কারণ রাগে হিতাহিত জ্ঞান হারিয়ে অনেকেই অনেক বাজে কাজ করে বসেন যার কারণে হয়তো পরবর্তীতে আফসোস করতে হয় নতুবা অনেক ক্ষতির সম্মুখীন হতে হয়। কিন্তু কীভাবে নিয়ে আসবেন নিজের রাগকে নিয়ন্ত্রণে? চলুন জেনে নেয়া যাক রাগ নিয়ন্ত্রণে আনার দারুণ কিছু টিপস।

কিন্তু কোন পর্যায়ে গেলে সেই রাগ নিয়ন্ত্রণ করার কথা ওঠে? মধুরিমা সাহা বলছেন, ‘যখন সেটা স্বাভাবিকের পর্যায়ে থাকবে না তখনই তা নিয়ন্ত্রণের দরকার। যেমন কেউ যদি আক্রমণাত্মকভাবে সেটি প্রকাশ করে, মানুষজনকে আঘাত দিয়ে, অন্যকে হুমকি দিয়ে বা জিনিসপত্র ভাঙচুর করে যদি কেউ রাগ প্রকাশ করে – তাহলে।’ হুট করে এমন রেগে গিয়ে খুন খারাবি পর্যন্ত হয়ে যাচ্ছে এমন ঘটনাও শোনা যায়। রাগ এমন পর্যায়ে চলে যাওয়ার আগেই সেটি নিয়ন্ত্রণ করা দরকার বলছিলেন এই মনোবিজ্ঞানী। কিন্তু রাগ কিভাবে নিয়ন্ত্রণ সম্ভব?

তিনি বলছেন, ‘প্রতিদিন কিন্তু রাস্তায় বের হলেই অন্তত দুই থেকে তিনটা ঝগড়া দেখি। যেমন ধরুন, রিকশাওয়ালার সাথে যাত্রীর, এক বাসের সাথে আরে বাসের চালকের, ফেরিওয়ালার সঙ্গে ক্রেতার। প্রতিদিনই কিন্তু আমরা ঝগড়া দেখছি। আমাদের অবজারভেশন বলে আমাদের ধৈর্য কমছে আর রাগ বাড়ছে।

 

  1. অন্ধকার কোনো ঘরে চলে যান।

  2. সাথে সাথে গান শোনা শুরু করুন।

  3. লম্বা দম নিন।

  4. বিরতি নিন।

  5. পর্যাপ্ত পরিমাণে ঘুমান।

  6. মনোযোগ অন্য দিকে সরিয়ে নিন।

LEAVE A REPLY

Please enter your comment!
Please enter your name here