ঢাবির সব ভবনে আজও তালা

0
109

সরকারি ৭ কলেজকে ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের অধিভুক্তি থেকে বাতিলের দাবিতে দ্বিতীয় দিনের মতো ক্লাস-পরীক্ষা বর্জন করে সব একাডেমিক ও প্রশাসনিক ভবনে তালা দিয়েছে শিক্ষার্থীরা। সোমবার (২২ জুলাই) সকাল থেকেই এসব ভবনে তালা দেয় শিক্ষার্থীরা। এতে বন্ধ রয়েছে সব ধরনের ক্লাস-পরীক্ষা ও প্রশাসনিক কার্যক্রম।

জানা গেছে, সকাল ৮টার দিকে বিশ্ববিদ্যালয়ের সকল একাডেমিক ও প্রশাসনিক ভবনে তালা দেয় আন্দোলনরত শিক্ষার্থীরা। এরপর সেখানে বিভিন্ন ধরনের প্ল্যাকার্ড ঝুলিয়ে অবস্থান নেয় তারা। সকাল ১০টার দিকে আন্দোলনকারীদের সঙ্গে সমাজ বিজ্ঞান বিভাগের অধ্যাপক আ ক ম জামাল উদ্দিনসহ কয়েকজন শিক্ষকের বাগবিতণ্ডা হয়।

শিক্ষার্থীরা বলছেন, ‘আমাদের একটাই দাবি, সাত কলেজের অধিভুক্তি বাতিল করতে হবে। অন্যথায় অনির্দিষ্টকালের জন্য এ আন্দোলন চলবে।’

এ সময় তারা ‘প্রশাসন করে কী, খায় দায় ঘুমায় নাকি’, ‘নির্লজ্জ প্রশাসন, ধিক্কার, ধিক্কার’, ‘ঢাবির সম্মান, নষ্ট হতে দেব না’, ‘সাত কলেজ বাতিল চাই’, ‘রক্তে ঢাবির সম্মান, সাত কলেজ বেমানান’ ইত্যাতি স্লোগান দিতে থাকেন।

উল্লেখ্য, সাত কলেজের অধিভুক্তি বাতিলসহ চার দফা দাবিতে গতকাল থেকে অনির্দিষ্টকালের ধর্মঘট ডেকেছে শিক্ষার্থীরা। পূর্বঘোষিত কর্মসূচির অংশ হিসেবে আজও ক্লাস-পরীক্ষা বর্জন কর্মসূচি চলছে। অধিভুক্তি বাতিলসহ দাবিগুলো হলো-চলতি শিক্ষাবর্ষ থেকেই অধিভুক্ত ৭ কলেজের অধিভুক্তি বাতিল করা; দুই মাসের মধ্যে বিশ্ববিদ্যালয়ের সব পরীক্ষার ফলাফল দেয়া; বিশ্ববিদ্যালয়ের প্রশাসনিক কার্যক্রম ডিজিটালাইজেশন করা এবং ক্যাম্পাসে যানবাহন নিয়ন্ত্রণ ও রিকশা ভাড়া নির্ধারণ করা।

আন্দোলনকারীদের মুখপাত্র শাকিল মিয়া বলেন, আজও স্বতঃস্ফূর্তভাবে শিক্ষার্থীরা আন্দোলনে অংশ নিয়েছে। সব একাডেমিক ও প্রশাসনিক ভবনে তালা দেয়া হয়েছে। সাধারণ শিক্ষার্থীরা ক্লাস পরীক্ষায় অংশগ্রহণ থেকে বিরত থাকছে।

উল্লেখ্য, রোববার (২১ জুলাই) আন্দোলনকারীদের অবরোধে বন্ধ থাকে বিশ্ববিদ্যালয়ের প্রশাসনিক কার্যক্রম। বিকেলে শিক্ষার্থীদের লাগানো তালাগুলো ভেঙে ফেলে বিশ্ববিদ্যালয় প্রশাসন। পরে জরুরি এক বৈঠকের পর বিশ্ববিদ্যালয়ের প্রো-ভিসি (প্রশাসন) অধ্যাপক ড. মুহাম্মদ সামাদ শিক্ষার্থীদের যৌক্তিক দাবিতে তাদের সহানুভূতি রয়েছে দাবি করে তাদের ক্লাসে ফিরে যাওয়ার অনুরোধ করেন।

LEAVE A REPLY

Please enter your comment!
Please enter your name here