আবরার হত্যার আরেক আসামি গ্রেপ্তার

0
19

বাংলাদেশ প্রকৌশল বিশ্ববিদ্যালয়ের (বুয়েট) ছাত্র আবরার ফাহাদ রাব্বীকে পিটিয়ে হত্যার ঘটনায় এজাহারনামীয় আরও এক আসামিকে গ্রেফতার করেছে ডিএমপির গোয়েন্দা ও অপরাধ তথ্য বিভাগ।

তার নাম মোয়াজ আবু হুরায়রা (২০)। তিনি কিশোরগঞ্জের কুলিয়ারচর উপজেলার ওসমানপুর থানার পিরপুর গ্রামের মাশরুর-উজ-জামানের ছেলে। তিনি বুয়েটের ইইই বিভাগের ১৭তম ব্যাচের ছাত্র।

শনিবার বেলা ১১টায় উত্তরার ১৪ নং সেক্টর এলাকা থেকে তাকে গ্রেফতার করে ডিএমপির গোয়েন্দা ও অপরাধ তথ্য বিভাগের একটি দল।

মাসুদুর রহমান আরো জানান, ৬ অক্টোবর আবরার ফাহাদ হত্যার ঘটনায় ১৯ জনকে আসামি করে চকবাজার থানায় মামলা করেন তার বাবা বরকত উল্লাহ। মোয়াজ আবরারের বাবার দায়েরকৃত মামলার এজহারভুক্ত আসামি। তবে সে ঘটনার পর থেকে আত্মগোপনে ছিল। গোপন সংবাদের ভিত্তিতে তাকে গ্রেপ্তার করা হয়েছে।

গোয়েন্দা পুলিশ জানায়, ২০১১ নম্বর কক্ষে আবরারকে পিটিয়ে মারা হয়। সে রুমে মোয়াজ উপস্থিত ছিল। যা পরবর্তী ভিডিও ফুটেজে একাধিকবার দেখা গেছে। একই সাথে এ মামলার গ্রেপ্তারকৃত অন্য আসামিরা মোয়াজের নাম বলেছে। মোয়াজ ক্রিকেট খেলার স্ট্যাম্প দিয়ে আরবারকে পিটিয়েছে বলে তারা স্বীকারোক্তি দিয়েছে।

এই নিয়ে আবরার হত্যায় ১৯ জনকে গ্রেপ্তার করা হয়েছে।

গ্রেপ্তার হওয়া আসামিরা হলেন বুয়েট শাখা ছাত্রলীগের সাধারণ সম্পাদক মেহেদী হাসান ওরফে রাসেল, যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক ফুয়াদ হোসেন, অনীক সরকার, মেফতাহুল ইসলাম, ইফতি মোশারেফ, বুয়েট ছাত্রলীগের সাংগঠনিক সম্পাদক মেহেদী হাসান ওরফে রবিন, গ্রন্থ ও প্রকাশনা সম্পাদক ইশতিয়াক আহমেদ ওরফে মুন্না, ছাত্রলীগের সদস্য মুনতাসির আল জেমি, খন্দকার তাবাখখারুল ইসলাম ওরফে তানভীর, মোহাজিদুর রহমান, শামসুল আরেফিন, মনিরুজ্জামান ও আকাশ হোসেন, মিজানুর রহমান (আবরারের রুমমেট), ছাত্রলীগ নেতা অমিত সাহা, হোসেন মোহাম্মদ তোহা, মো. মাজেদুল ইসলাম এবং মোয়াজ।

৬ অক্টোবর আবরার ফাহাদ হত্যার ঘটনায় ১৯ জনকে আসামি করে চকবাজার থানায় মামলা করেন তার বাবা বরকত উল্লাহ। মামলার এজাহারভুক্ত আসামিরা প্রত্যকেই বুয়েটের শিক্ষার্থী ও ছাত্রলীগের রাজনীতির সঙ্গে যুক্ত। তারা হলেন মেহেদী হাসান, সিই বিভাগ (কেমিক্যাল ইঞ্জিনিয়ারিং ১৩তম ব্যাচ), মুহতাসিম ফুয়াদ (১৪তম ব্যাচ, সিই বিভাগ), অনীক সরকার (১৫তম ব্যাচ), মেহেদী হাসান রবিন (কেমিক্যাল বিভাগ, ১৫তম ব্যাচ), ইফতি মোশারফ হোসেন (বায়োমেডিক্যাল ইঞ্জিনিয়ারিং, ১৬তম ব্যাচ), মনিরুজ্জামান মনির (পানিসম্পদ বিভাগ, ১৬তম ব্যাচ), মেফতাহুল ইসলাম জিয়ন (মেরিন ইঞ্জিনিয়ারিং, ১৫তম ব্যাজ, মাজেদুল ইসলাম (এমএমই বিভাগ, ১৭তম ব্যাচ), মোজাহিদুল (ইইই বিভাগ, ১৬তম ব্যাচ), তানভীর আহম্মেদ (এমই বিভাগ, ১৬তম ব্যাচ), হোসেন মোহাম্মদ তোহা (এমই বিভাগ, ১৭তম ব্যাচ) , জিসান (ইইই বিভাগ, ১৬তম ব্যাচ), আকাশ (সিই বিভাগ, ১৬তম ব্যাচ), শামীম বিল্লাহ (মেরিন ইঞ্জিনিয়ারিং বিভাগ, ১৭তম ব্যাচ), শাদাত (এমই বিভাগ, ১৭তম ব্যাচ), তানীম (সিই বিভাগ, ১৭তম ব্যাচ), মোর্শেদ (এমই বিভাগ, ১৭তম ব্যাচ), মোয়াজ, মুনতাসির আল জেমি (এমআই বিভাগ)।

LEAVE A REPLY

Please enter your comment!
Please enter your name here