ক্যামেরা থাকবে ট্রাফিকের গায়ে

0
112

সড়কে দায়িত্ব পালনকারী প্রত্যেক ট্রাফিকের গায়ে ক্যামেরা লাগানো থাকবে। মামলা দেওয়ার সময় ছবি না তোলা থাকলে সেই ট্রাফিকের বিরুদ্ধে কঠোর ব্যবস্থা নেওয়া হবে।’

আজ সোমবার (৪ নভেম্বর) সকালে ডিএমপি মিডিয়া সেন্টারে ‘সড়ক পরিবহন আইন-২০১৮’ নিয়ে ব্রিফিংকালে এসব কথা বলেন ডিএমপি কমিশনার শফিকুল ইসলাম।

সোমবার সকালে ডিএমপি মিডিয়া সেন্টারে ‘সড়ক পরিবহন আইন-২০১৮’ নিয়ে এক ব্রিফিংয়ে তিনি এসব কথা জানান।

ডিএমপি কমিশনার বলেন, ‘এক সপ্তাহ নতুন আইনে যানবাহনে কোনো মামলা দেওয়া হবে না। আইন কার্যকরের আগে কিছু প্রস্তুতিমূলক কাজ করেছে ডিএমপি। সচেতন করা হচ্ছে, প্রচারণা চালানো হচ্ছে, লিফলেট বিতরণ করা হচ্ছে। ট্রাফিক পুলিশের প্রশিক্ষণের ব্যবস্থা করা হয়েছে। আগামী সপ্তাহে মামলা-জরিমানার নতুন পদ্ধতি কার্যকর করা হবে।’

নতুন আইনে সাজা বাড়ানো হয়েছে উল্লেখ করে তিনি বলেন, ‘সাজার ভয়ে আইন মানবে মানুষ। চালকদের পয়েন্ট সিস্টেম রাখা হয়েছে। চালকদের পয়েন্ট কমতে থাকলে একটা পর্যায় লাইসেন্স বাতিল হয়ে যাবে। সেই চালক আর পরে লাইসেন্স নিতে পারবেন না।’

তিনি বলেন, আইন পুরোদমে বাস্তবায়ন শুরু হলে সড়কের ট্রাফিক শৃঙ্খলা ফিরে আসবে। সব মামলা সার্ভারে জমা হবে। ট্রাফিকের কেউ আইন অমান্য করলে বিভাগীয় ব্যবস্থা নেওয়া হবে। প্রথমবার কেউ অমান্য করলে অল্প জরিমানা করা হবে। পরেরবার তাকে আর ছাড় দেওয়া হবে না। মামলা করার সঙ্গে সঙ্গে তাকে লিফলেটও দেওয়া হবে।

এক প্রশ্নের জবাবে ডিএমপি কমিশনার বলেন, যেসব সড়কে ফুটওভার ব্রিজ নেই সেখানে পথচারীদের সড়ক পারাপারে সহযোগিতা করবে ট্রাফিক পুলিশ। আর যেসব সড়কের ফুটওভার ব্রিজ আছে সেখানে ব্রিজ ব্যবহার না করা হলে পথচারীদের শাস্তি দেওয়া হবে।

এ সময় সাংবাদিকদের এক প্রশ্নের জবাবে তিনি বলেন, আইন প্রয়োগের ক্ষেত্রে পুলিশ স্বচ্ছ থাকবে। আমরা পুলিশের সবাইকে বলে দিয়েছি, ট্রাফিকের লোকজন যদি আইন অমান্য করে তাদের বিরুদ্ধে বিভাগীয় ব্যবস্থা নেব।

আরেক প্রশ্নের জবাবে তিনি বলেন, আইন সম্পর্কে সার্জেন্টদের মাসখানেক প্রশিক্ষণ দেয়া হয়েছে, তাদের বই দেয়া হয়েছে এবং সেই বইয়ের ওপর পরীক্ষা নেয়া হবে। আর আইনের কোনো ধারায় যদি কাউকে সর্বোচ্চ শাস্তি দেয়া হয়, তাহলে সে বিষয়ে শুনানির ব্যবস্থা রয়েছে।

প্রায়ই মামলার কাগজ তোলা নিয়ে অনেককে ভোগান্তিতে পড়তে হয়। ভোগান্তি রোধে পুলিশের কোনো উদ্যোগ আছে কি না- জানতে চাইলে মোহা. শফিকুল ইসলাম বলেন, আমরা মামলা দিলে সংশ্লিষ্ট ডেপুটি কমিশনারের কার্যালয়ে তার দায়িত্বে কাগজ দেই। অন্য কোথাও কাগজ দেই না। উনার কাছে গেলেই ভোগান্তি ছাড়া গাড়ির কাগজপত্র পাওয়া যাবে।

LEAVE A REPLY

Please enter your comment!
Please enter your name here