জাতীয় পার্টির প্রতি কৃতজ্ঞতা ওবায়দুল কাদেরের

0
136

জাতীয় পার্টির প্রতি কৃতজ্ঞতা জানিয়ে আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক ও সেতুমন্ত্রী ওবায়দুল কাদের বলেছেন, ১৯৯৬ সাল থেকে জাতীয় পর্টির সঙ্গে আওয়ামী লীগের মিত্রতা শুরু হয়। শেখ হাসিনার নেতৃত্বে সেদিন আমাদের রাষ্ট্র ক্ষমতায় যেতে জাতীয় পার্টির একটা গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা ছিল।

শনিবার দুপুরে ইঞ্জিনিয়ার্স ইনস্টিটিউশন প্রাঙ্গনে জাতীয় পার্টির নবম সম্মেলনে আমন্ত্রিত অতিথি হিসেবে উপস্থিত হয়ে তিনি এসব কথা বলেন।

তিনি বলেন আওয়ামী লীগের এই নেতা বলেন, ‘জাতীয় পার্টির প্রতিষ্ঠাতা চেয়ারম্যান বাংলাদেশে পল্লিবন্ধু নামে খ্যাত। তিনি আমাকে ব্যক্তিগতভাবে ছোট ভাইয়ের মতো স্নেহ করতেন, ভালোবাসতেন। তিনি একজন বিনয়ী রাজনীতিক ছিলেন। জাতীয় পার্টি এবং এইচএম এরশাদ একই বৃন্তে দুটি ফুলের মতো।’

সারাদেশে জাতীয় পার্টির অনেক কর্মী রয়েছে উল্লেখ করে আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক বলেন, ‘এরশাদ বেঁচে থাকলে আজ পরিবেশ আরও ভিন্নমাত্রা পেতো। আজ জাতীয় পার্টির জাতীয় সম্মেলনে তার স্মৃতি বারবার মনে পড়ছে। জাতীয় পার্টি বিরোধী দলে আসার পর সংসদের কার্যক্রমে নতুন মাত্রা এসেছে। তারা সংসদের ভেতরে ও বাইরে কখনও ভায়োলেন্সের রাজনীতি করেনি। সংসদে জাতীয় পার্টি দায়িত্বশীল, গঠনমূলক বিরোধী দলের ভূমিকা পালন করেছে।’

ইলেকট্রনিক ভোটিং মেশিন (ইভিএম) নিয়েও কথা বলেন আওয়ামী লীগ সাধারণ সম্পাদক। তিনি বলেন, ডিজিটাল যুগে ইভিএম ব্যবহারের যৌক্তিকতা রয়েছে। পার্শ্ববর্তী দেশ ভারতেও অনেক বিতর্কের পরও নির্বাচন হয়েছে ইলেকট্রনিক ভোটিং মেশিন দিয়ে।

গত ২০ ও ২১ ডিসেম্বর আওয়ামী ২১তম জাতীয় সম্মেলন অনুষ্ঠিত হয়। সম্মেলনে সভাপতি পদে শেখ হাসিনা টানা নবম ও সাধারণ সম্পাদক পদে ওবায়দুল কাদের টানা দ্বিতীয়বারের মতো নির্বাচিত হন।

সম্মেলনে বক্তব্য রাখেন দলের মহাসচিব ও সংসদ সদস্য (এমপি) মশিউর রহমান রাঁঙ্গা, ঢাকা জেলা জাতীয় পার্টির সভাপতি ও সাবেক মহিলা ও শিশুবিষয়ক প্রতিমন্ত্রী অ্যাডভোকেট সালমা ইসলাম এমপি, প্রেসিডিয়াম সদস্য জিয়াউদ্দিন বাবলু, কাজী ফিরোজ রশীদ এমপি, সাবেক মহাসচিব রুহুল আমিন হাওলাদার, আবু হোসেন বাবলা এমপি, প্রেসিডিয়াম সদস্য ব্যারিস্টার আনিসুল ইসলাম মাহমুদ প্রমুখ।

জাতীয় পার্টির গঠনতন্ত্রে তিন বছর পরপর কাউন্সিল করার বিধান থাকলেও পার্টির প্রতিষ্ঠাতা চেয়ারম্যান হুসেইন মুহম্মদ এরশাদের মৃত্যুর কারণে ২৮ ডিসেম্বর নবম কাউন্সিলের তারিখ নির্ধারণ করা হয়।

এদিকে কাউন্সিল ঘিরে জমজমাট এখন জাতীয় পার্টির প্রধান দুটি কার্যালয়। বনানীর পার্টি চেয়ারম্যানের কার্যালয়ের পাশাপাশি কাকরাইলের কেন্দ্রীয় কার্যালয়ে এখন নেতাকর্মীদের পদচারণায় মুখরিত।

LEAVE A REPLY

Please enter your comment!
Please enter your name here