উত্তরে ২২ নং ওয়াডে জনপ্রিয়তার শীর্ষে সাজ্জাদ হোসেন চিশতী

0
111

নিজস্ব প্রতিবেদকঃ আসন্ন ঢাকা সিটি করপোরেশন উত্তর ২২ নং ওয়াডে সৎ, শিক্ষিত চিশতী এবার সবচেয়ে জনপ্রিয়। তিনি পিএইচডি করেছেন। ১৯৮২ সালে২৫ মে জন্ম নিয়েছেন এই ঢাকায়।

তাঁর পিতা বীর মুক্তিযোদ্ধা মরহুম প্রিন্সিপাল আবু তাহের ভূঁইয়া। তিনি ছিলেন ফেনী কলেজের ভিপি, ফেনী জেলা ছাত্রলীগের সভাপতি, ফেনী জেলা শ্রমিক লীগের সভাপতি, স্বাধীন বাংলাদেশ ছাত্র সংগ্রাম পরিষদ ফেনী জেলার আহ্বায়ক, ফেনী জেলা জাসদ (ইনু) আহ্বায়ক।

নতুন প্রজন্ম পরিষদ কেন্দ্রীয় কমিটির সভাপতি, ঢাকাস্থ ফেনী গুণীজন ও মুক্তিযোদ্ধা মূল্যায়ন পরিষদের সভাপতি, সাংবাদিক, কলামিস্ট, সমাজসেবক ও শিক্ষাবিদ। তার মাতা আঞ্জুমান আরা বেগম একজন সুগৃহিণী। তারা দুই ভাই ও এক বোনের মধ্যে তিনি বড়। তার ছোট ভাই নটরডেম ইউনিভার্সিটির ইংরেজির প্রভাষক ও বোন সরকারি স্কুলের শিক্ষিকা। তারা তিন ভাই-বোনই ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় থেকে পড়াশোনা করেছে। ব্যক্তিজীবনে তিনি বিবাহিত এবং এক পুত্র সন্তানের জনক ছিলেন, ২০১৭ সালে ডেঙ্গুজ্বরে আক্রান্ত হয়ে তার একমাত্র ছেলে ইউশা মারা যায়।

তিনি বলেন আমার চাওয়া-পাওয়ার কিছুই নেই। আমি শুধু আপনাদের ভালোবাসা, দোয়া চাই। বাংলাদেশের স্থপতি, হাজার বছরের শ্রেষ্ঠ বাঙালি, বাংলার রাখাল রাজা, শতাব্দীর মহানায়ক, জাতির পিতা বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানের আদর্শের আমি একজন নগণ্য সৈনিক। বঙ্গবন্ধুর স্বপ্নের সোনার বাংলার রূপদানকারী, ডিজিটাল বাংলাদেশের স্বপ্নদ্রষ্টা, মাদার অব হিউম্যানিটি, বিশ্বনেত্রী, বিশ্বের অন্যতম প্রভাবশালী প্রধানমন্ত্রী, গণপ্রজাতন্ত্রী বাংলাদেশ সরকারের মাননীয় প্রধানমন্ত্রী, বাংলাদেশ আওয়ামীলীগের সভানেত্রী, দেশরত্ন, গণতন্ত্রের মানসকন্যা, জননেত্রী শেখ হাসিনার আদর্শে সুখী, সমৃদ্ধশালী, দারিদ্র্যমুক্ত ও ডিজিটাল বাংলাদেশ গড়ার লক্ষ্যে একজন নগণ্য কর্মী হিসেবে কাজ করে যাওয়াই আমার লক্ষ্য ও উদ্দেশ্য।

‘এগিয়ে যাচ্ছে বাংলাদেশ, আসুন বদলে দেই রামপুরাকে’ এটাই আমার একমাত্র মনোবাসনা। সুপ্রিয় রামপুরাবাসী, সে লক্ষ্যে সব ধরনের সন্ত্রাস ও চাঁদাবাজি রোধে আগামী দিনগুলোতে কাজ করে যেতে চাই, আর আপনাদের সঙ্গে নিয়ে ব্যক্তি, পরিবার তথা সমাজ ধ্বংসকারী সর্বনাশা মাদকের বিরুদ্ধে দৃঢ় অবস্থানকে কাজে লাগিয়ে দুর্বার সামাজিক আন্দোলনের রূপ দিতে চাই।

সব নাগরিক সমস্যা ও জনভোগান্তির অবসান ঘটিয়ে রাজধানীর প্রাণকেন্দ্র রামপুরাকে গড়ে তুলতে চাই একবিংশ শতাব্দীর বসবাসযোগ্য করে। সে সঙ্গে নাগরিক জীবনের যান্ত্রিকতা থেকে সয়িষ্ণু ও ভঙ্গুর সামাজিক বন্ধনকে শক্তিশালী করতে রামপুরাবাসীকে নিয়ে আসতে চাই এক সুদৃঢ় পারিবারিক বন্ধনে। এ লক্ষ্যে অপসংস্কৃতিকে দূর করে সাংস্কৃতিক ও সামাজিক আন্দোলনকে বেগবান করতে আমি দৃঢ় প্রতিজ্ঞ। তিনি আরো বলেন আমার মত অতিক্ষুদ্র মানুষের পরিচিতি আপনাদের বলছি রাজনৈতিকভাবে আমি সাবেক ছাত্রনেতা (ছাত্রলীগ), আমি সাবেক ৩২নং ওয়াড, মতিঝিল থানা ও ঢাকা মহানগর দক্ষিণ ছাত্রলীগের গুরুত্বপূর্ণ পদে ছিলাম। সাবেক সদস্য বাংলাদেশ আওয়ামী যুবলীগ কেন্দ্রীয় কমিটি, যুগ্মসাধারণ সম্পাদক-বঙ্গবন্ধু প্রজন্ম লীগ কেন্দ্রীয় কমিটি, প্রচার ও প্রকাশনা সম্পাদক বঙ্গবন্ধু পেশাজীবী লীগ কেন্দ্রীয় কমিটি, সহসভাপতি ফুটবল সাপোর্টাস ফোরাম, উপদেষ্টা-শহীদ নূর হোসেন সংসদ, আহ্বায়ক-বাংলাদেশ মানবাধিকার উন্নয়ন কমিশন, ঢাকা মহানগর (দক্ষিণ)।

বর্তমানে আমি বহুল প্রচারিত দৈনিক স্বদেশ প্রতিদিনে যুগ্ম সম্পাদক হিসেবে কর্মরত আছি। ইতিপূর্বে আমি কাজ করেছি, দৈনিক আজকালের খবর, এনএনবি, মানববার্তা, দৈনিক আজকের বিজনেস বাংলাদেশ, দ্য ডেইলি আওয়ার টাইম, দৈনিক আমাদের সময় ডটকম, দৈনিক আমাদের কুমিল্লা, দৈনিক বাংলাদেশের খবর, দ্য ডেইলি অবজারভার, দৈনিক ভোরের পাতা, দ্য ডেইলি পিপলস টাইম, দৈনিক মানবকণ্ঠ, দৈনিক বর্তমান, দৈনিক যুগান্তর, দৈনিক যায়যায়দিন, দৈনিক আমার দেশ, মোহনা টিভি, দৈনিক ডেসটিনি, ইসলামী টেলিভিশন, বৈশাখী টেলিভিশন, দৈনিক সমকাল, দৈনিক ইনকিলাব, দৈনিক নয়াদিগন্ত, দ্য ডেইলি বাংলাদেশ অবজারভারে গুরুত্বপূর্ণ পদেসহ নানা জায়গায় কর্মরত ছিলাম। এছাড়া আমি সদস্য, সাংবাদিকদের সর্বোচ্চ সংগঠন বিএফইউজে ও ডিইউজে (আওয়ামী লীগপন্থী), যুগ্মসাধারণ সম্পাদক বাংলাদেশ সংবাদপত্র কমচারী ফেডারেশন, সাবেক সাধারণ সম্পাদক-নিউজ পেপার কমার্শিয়াল অ্যাসোসিয়েশন অব বাংলাদেশ, সাবেক উপদেষ্টা ইয়ুথ জানালিস্ট ফোরাম বাংলাদেশ,উপদেষ্টা-বীরশ্রেষ্ঠ রুহুল আমিন স্মৃতি পাঠাগার ও শিশু-কিশোর কল্যাণকণ্ঠ, সাবেক যুগ্ম আহ্বায়ক যাযাদি ফ্রেন্ডস ফোরাম।

তিনি আরো বলেন ২২নং ওয়ার্ডে আমি কোনো রাজনৈতিক পরিচিত মুখ নই, আমি প্রচুর জায়গা-সম্পত্তিরও মালিক নই; আমি রাজনীতিকে পেশা হিসেবে নিয়ে-এ মহান পেশাকে ভিন্নখাতে প্রবাহিত করে তাকে কলুষিত করার মতো লোকও নই। আমি চাঁদাবাজ, দখল ও গুণ্ডাবাহিনীর প্রধানও নই, আমার সাথে দেখা করতে বা কথা বলতে ভীত হওয়ারও প্রয়োজন নেই। আমার জন্মঢাকাতে। আমি রাজনীতির সাথে সম্পৃক্ত সপ্তম শ্রেণি থেকে সাবেক ৩৬ ও ৩২ নং ওয়ার্ড (মতিঝিল থানা ছাত্রলীগ)-এর মাধ্যমে।

আমার বিশ্বাস হচ্ছে প্রকৃত সম্পত্তি কবর, যেখানে আমি আমার আমল নিয়ে যেতে চাই। আমি সেবাহিসেবে রাজনীতিকে বেছে নিয়েছি-পেশা হিসেবে নয়। আমি চাঁদাবাজি, দখলবাজিও গুণ্ডামির সাথে আমৃত্যু জেহাদ করে যাবো বলে দৃঢ় অঙ্গীকার করছি। আমার প্রাণপ্রিয় রামপুরাবাসীর সাথে আমার প্রতিটি সুখ-দুঃখ, হাসি-কান্না ভাগাভাগি করতে চাই আপনাদের সন্তান/ভাই হতে চাই। আপনাদের এত বড় হৃদয়ে আমার জন্য কী সামান্য এতটুকুও জায়গা হবে না? আমি কি আপনাদের পরিবারের একজন সদস্য হতে পারি না? যে রাত ৩টায় কেউ অসুস্থ হলে হাসপাতালে ছোটাছুটি করবে, যে বোনের/মেয়ের বিয়েতে আনন্দে হই-হুল্লোড়ে মেতে থাকবে। আমি শুধু আপনাদের বিশাল হৃদয়ে সামান্য এতটুকু জায়গা চাই। আমার দৃঢ় বিশ্বাস রামপুরাবাসী সচেতন ও শিক্ষিত তারা আমাকে অবশ্যই তাদের হৃদয়ে ঠাঁই দেবেন। আপনাদের একান্ত আপনজন হয়ে প্রতিদিন পাশে থাকতে চাই আপনাদের হাসি-আনন্দ ও সুখ-দুঃখে। এলাকার উন্নয়ন, নাগরিক দাবী আদায়ে।

LEAVE A REPLY

Please enter your comment!
Please enter your name here