আফগানিস্তান সাথে ব্যথা নিয়েই খেলবেন মুশফিক

0
312

শনিবার সংযুক্ত আরব আমিরাতে গড়িয়েছে এশিয়া কাপের ১৪তম আসর। উদ্বোধনী ম্যাচে শ্রীলংকার বিপক্ষে টস জিতে আগে ব্যাটিং নেয় বাংলাদেশ। তবে শুরুতেই হোঁচট খায় টাইগাররা। দলীয় ২ রানেই ফিরে যান লিটন-সাকিব। এরপর মরার উপর খাঁড়ার হয়ে আসে তামিমের আঘাত। দলীয় এ রানেই সুরঙ্গা লাকমলের বাউন্স লেগ সাইডে খেলতে গিয়ে বাঁহাতের কব্জিতে আঘাত পান তিনি। এতে রিটায়ার্ড হার্ট হয়ে মাঠ ছাড়েন ড্যাশিং ওপেনার।

ফলে চরম বিপর্যয়ের মুখে পড়ে বাংলাদেশ। সেখান থেকে দলকে টেনে তোলেন মুশফিক। প্রথমে মোহাম্মদ মিঠুনের সঙ্গে ১৩১ রানের অবিশ্বাস্য জুটি গড়েন তিনি। শেষদিকে তামিমের সঙ্গে ৩২ রানের মহামূল্যবান জুটি গড়েন মিস্টার ডিপেন্ডেবল। যার সবক’টি রানই এসেছে তার ব্যাট ব্যাট থেকে। মাঝে মাত্র ১টি বল খেলেন তামিম।

মুশফিকের অনবদ্য সেঞ্চুরির ম্যাচে দুর্দান্ত জয় পেয়েছে বাংলাদেশ। লংকানদের ১৩৭ রানে হারিয়েছেন টাইগাররা। দারুণ বোলিং করেছেন বোলাররা। মাশরাফি, মোস্তাফিজ, মেহেদী প্রত্যেকে নিয়েছেন ২টি করে উইকেট। মূলত মুশির দুরন্ত সেঞ্চুরির সুবাদে তারা ভালো করার ভিত্তি পেয়েছেন। তাই বুক চিতিয়ে লড়াকু সেঞ্চুরি জন্য ম্যাচসেরার পুরস্কারও উঠে উইকেটরক্ষক-ব্যাটসম্যানের হাতে।

বাঁ হাতের কব্জিতে আঘাত পেয়ে ছিটকে গেছেন তামিম। ফলে দায়িত্ববোধ আরও বেড়ে গেছে মুশফিকুর রহিমের। মূলত শ্রীলংকার বিপক্ষে ম্যাচ উইনিং ইনিংস তার দায়িত্ববোধটা বাড়িয়ে দিয়েছে ব্যাপক। তবে তাতে প্রতিবন্ধকতা হয়ে দাঁড়িয়েছে পাঁজরের ব্যথা। তবু দায়িত্ব পালন থেকে একচুলও নড়ছেন না তিনি। ব্যথা নিয়েই আগামী ম্যাচে আফগানিস্তানের বিপক্ষে খেলবেন মিস্টার ডিপেন্ডেবল।

বিসিবির মিডিয়া কমিটির চেয়ারম্যান জালাল ইউনুস বলেন, তামিমকে হারানো দলের জন্য বড় ধাক্কা। মুশফিকেরও হালকা চোট রয়েছে। পরের ম্যাচের আগে চারদিন সময় পাওয়ায় কিছুটা সুবিধা হয়েছে। এই ক’দিনের বিশ্রামে ছোটখাটো সমস্যা হয়তো ঠিক হয়ে যাবে। পাঁজরের ব্যথা থাকলেও পরের ম্যাচে খেলবে মুশফিক।

তামিম আর মুশফিকের দৃঢ়চেতায় ২৬১ রানের চ্যালেঞ্জিং স্কোর পায় বাংলাদেশ। ১৫০ বলে ১১ চার ও ৪ ছক্কায় ১৪৪ রানের মহাকাব্যিক ইনিংস খেলে থিসারা পেরেরার শিকার হয়ে ফেরেন মুশফিক। ২ রানে অপরাজিত থাকেন তামিম।

১৪৪ রানের ইনিংসটি ওয়ানডে ক্যারিয়ারে মুশফিকের সেরা। বাংলাদেশের ওয়ানডে ইতিহাসে দ্বিতীয় সর্বোচ্চ। এর আগে সীমিত ওভারের ক্রিকেটে এ উইকেটরক্ষক ব্যাটসম্যানের ব্যাক্তিগত সর্বোচ্চ ছিল ১১৭। ২০১৪ সালে ফতুল্লায় ভারতের বিপক্ষে এ দুর্দান্ত ইনিংসটি খেলেন তিনি।

LEAVE A REPLY

Please enter your comment!
Please enter your name here