সাবেক রাষ্ট্রপতি ও বিরোধীদলীয় নেতা জাতীয় পার্টির (জাপা) চেয়ারম্যান এইচ এম এরশাদের দুটি জানাজা হবে আজ ঢাকায়। এর একটি হবে জাতীয় সংসদের দক্ষিণ প্লাজায়, আরেকটি হবে বায়তুল মোকাররমে। এ ছাড়া তাকে কাকরাইলের দলীয় কার্যালয়ে নিয়ে যাওয়া হবে। সেখানে নেতাকর্মীরা সাবেক এই রাষ্ট্রপতির প্রতি শ্রদ্ধা জানাবেন। এর পর আগামীকাল মঙ্গলবার তাকে রংপুর নেওয়া হবে।
ঠিক ৫ মাস ৫ দিন আগে ১০ ফেব্রুয়ারি এই সংসদেই এসেছিলেন বিরোধীদলীয় নেতা হিসেবে। সেদিন হুইল চেয়ারে করে সংসদ অধিবেশনে যোগ দিতে এসেছিলেন হুসেইন মুহম্মদ এরশাদ। এত দিন পরে শেষ বিদায় নিতে সংসদের দক্ষিণ প্লাজায় সাবেক রাষ্ট্রপতির লাশের কফিন।
প্রাক্তন রাষ্ট্রপতি হুসেইন মুহম্মদ এরশাদের নামাজে জানাজায় অংশ নিতে সংসদ ভবনের দক্ষিণ প্লাজায় উপস্থিত হয়েছেন রাষ্ট্রপতি মো. আবদুল হামিদ। আরও উপস্থিত আছেন জাতীয় সংসদের ডেপুটি স্পিকার অ্যাডভোকেট ফজলে রাব্বী মিয়া, চিফ হুইপ নূর-ই-আলম চৌধুরীসহ অন্যান্য সংসদ সদস্যরা।
এর আগে সকাল থেকেই বিভিন্ন শ্রেণি-পেশার মানুষ ও জাতীয় পার্টির নেতাকর্মীরা দলে দলে সংসদ ভবনের দক্ষিণ প্লাজায় আসতে থাকেন। পুরো সংসদ ভবন এলাকায় তিনস্তরের নিরাপত্তা বেষ্টনী তৈরি করা হয়।
মঙ্গলবার হেলিকপ্টারে সাবেক রাষ্ট্রপতি এরশাদের মরদেহ নেওয়া হবে রংপুরে। রংপুরে জানাজা শেষে ঢাকায় সামরিক কবরস্থানে তাকে দাফন করার কথা রয়েছে।
এর আগে রোববার বাদ জোহর ঢাকা সেনানিবাসের কেন্দ্রীয় মসজিদে এরশাদের প্রথম জানাজার নামাজ অনুষ্ঠিত হয়। রোববার রাতে সিএমএইচ এর হিমঘরে রাখা হয় এরশাদের মরদেহ।
রোববার সকাল ৭টা ৪৫ মিনিটে ঢাকা সেনানিবাসে সম্মিলিত সামরিক হাসপাতালে চিকিৎসাধীন অবস্থায় মারা যান জাতীয় পার্টির চেয়ারম্যান। তিনি মাইডোলিসপ্লাস্টিক সিনড্রোমে আক্রান্ত ছিলেন, রক্তে হিমোগ্লোবিনের স্বল্পতায়ও ভুগছিলেন।









