রূপপুর পারমাণবিক বিদ্যুৎকেন্দ্রে গ্রিন সিটি প্রকল্পে সরকারি জিনিসপত্র কেনাকাটায় দুর্নীতি বিষয়ে তদন্তে অনিয়মের অভিযোগের সত্যতা পেয়েছে গণপূর্ত মন্ত্রণালয়ের তদন্ত কমিটি। এতে প্রকল্প এলাকার কর্মকর্তা-কর্মচারীদের জন্য বিছানা, বালিশ ও আসবাবপত্র কিনতে অস্বাভাবিক মূল্যে ধরার অভিযোগের সত্যতা রয়েছে।
হিসাবে মালামালের প্রকৃত মূল্য অপেক্ষা ৩৬ কোটি ৪০ লাখ টাকা বেশি দেখানো হয়েছে। এই টাকা সরকারের কোষাগারে ফিরিয়ে নেওয়ার সুপারিশ করেছে তদন্ত কমিটি।
এ ঘটনায় গঠিত গণপূর্ত মন্ত্রণালয়ের তদন্ত কমিটির প্রতিবেদনে এ তথ্য উঠে এসেছে। সোমবার অ্যাটর্নি জেনারেল কার্যালয়ে এক হাজার পৃষ্ঠার অধিক এ প্রতিবেদন জমা দেওয়া হয়। আগামী ২১ জুলাই বিচারপতি তারিক উল হাকিম ও বিচারপতি মো. সরওয়ার্দীর নেতৃত্বাধীন হাইকোর্ট বেঞ্চে এ প্রতিবেদন দাখিল করা হবে।
এর আগে রিটের পর ২০ মে শুনানিতে অ্যাটর্নি জেনারেল মাহবুবে আলম ওই ঘটনায় গণপূর্তের করা দুটি তদন্ত কমিটির কথা উল্লেখ করে আদালতকে বলেন, ‘এরই মধ্যে দুটি তদন্ত কমিটি করা হয়েছে। তারা সাতদিনের মধ্যে প্রতিবেদন দেবেন। প্রতিবেদনটি এলে এরপর যেকোনো সিদ্ধান্ত নিতে পারেন। সে পর্যন্ত স্ট্যান্ডওভার (মুলতবি) রাখা যেতে পারে।’
এরপর আদালত স্ট্যান্ডওভার রাখেন। এর ধারাবাহিকতায় ১ জুলাই (সোমবার) রিট আবেদনটি তালিকায় উঠে আসে। ওইদিন শুনানিতে ডেপুটি অ্যাটর্নি জেনারেল বলেন, ‘কাজ তো চলছে, কমিটির কাজ চলছে। ফেয়ার রিপোর্টের স্বার্থে আমাদের ১৪ জুলাই পর্যন্ত সময় দেন।’









