দেশের বিভিন্ন স্থানে মৃদু শৈত্যপ্রবাহ চলছে। অঞ্চল ভেদে কোথাও ‘তীব্র’, কোথাও ‘মাঝারি’ ও ‘মৃদু’ শৈত্যপ্রবাহ বইছে। রাজধানীসহ সারাদেশের মানুষ শীতে কাবু, বিপর্যস্ত জনজীবন। অনেকটাই জবুথবু অবস্থা। নিম্নআয়ের দরিদ্র ও বস্ত্রহীন মানুষের ভোগান্তির শেষ নেই। এ শীতে বেশি ভুগছে বয়স্ক ও শিশুরা।
গতকাল শুক্রবার সকাল ৯টা থেকে পরবর্তী ২৪ ঘণ্টার পূর্বাভাসে আবহাওয়া অধিদফতর বলছে, উপ-মহাদেশীয় উচ্চচাপ বলয়ের বর্ধিতাংশ পশ্চিমবঙ্গ ও তৎসংলগ্ন এলাকায় অবস্থান করছে। মৌসুমের স্বাভাবিক লঘুচাপ দক্ষিণ বঙ্গোপসাগরে অবস্থান করছে। শ্রীমঙ্গল, নওগাঁ, দিনাজপুর, তেঁতুলিয়া, ডিমলা, রাজারহাট ও চুয়াডাঙ্গা অঞ্চলের ওপর দিয়ে মৃদু শৈত্যপ্রবাহ বয়ে যাচ্ছে এবং তা অব্যাহত থাকতে পারে।
বিভিন্ন হাসপাতালে ঠান্ডাজনিত শিশু ও বয়স্ক রোগীদের ভিড় বেড়েছে। এ দিকে দেশের সাতটি অঞ্চলের ওপর দিয়ে মৃদু শৈত্যপ্রবাহ বয়ে যাচ্ছে এবং তা অব্যাহত থাকতে পারে। শুক্রবার দেশের সর্বনিম্ন তাপমাত্রা রেকর্ড করা হয়েছে তেঁতুলিয়ায় ৭ দশমিক ৬ ডিগ্রি সেলসিয়াস।
গত ২৪ ঘণ্টার পূর্বাভাবে বলা হয়েছে, সারাদেশের আবহাওয়া শুষ্ক থাকতে পারে। মধ্যরাত থেকে সকাল পর্যন্ত দেশের নদী অববাহিকার কোথাও কোথাও মাঝারি থেকে ঘন কুয়াশা এবং দেশের অন্যত্র কোথাও কোথাও হালকা থেকে মাঝারি কুয়াশা পড়তে পারে। সারাদেশে রাত এবং দিনের তাপমাত্রা প্রায় অপরিবর্তিত থাকতে পারে। আগামী ৪ দিনের শেষের দিকে তাপমাত্রা সামান্য বৃদ্ধি পেতে পারে।
শিশু কনসালট্যান্ট আসাদুর রহমান মালিক খোকন জানান, শিশুরা শীতের কারণে ডায়রিয়ায় আক্রান্ত হচ্ছে। বয়স্ক রোগীদের মধ্যে শীতের কারণে হার্ট অ্যাটাক এবং স্ট্রোকও হতে পারে।









