পাকিস্তান ক্রিকেট বোর্ডের (পিসিবি) ওপর ধৈর্য হারিয়ে ফেলছেন টেস্ট দলের কোচ জেসন গিলেস্পি। সর্বশেষ ঘটনা তাকে বিকল্প ভাবতে বাধ্য করছে বলে জানিয়েছে ইএসপিএন ক্রিকইনফো। কারণ দক্ষিণ আফ্রিকা সফরকে কেন্দ্র করে তার সহকারী কোচ টিম নিয়েলসেনের চুক্তির মেয়াদ বাড়ায়নি পিসিবি।
নিয়েলসনকে এই বছরের আগস্টেই নিয়োগ দেয় পিসিবি। তার আনুষ্ঠানিক পদ ছিল মূলত হাইপারফরম্যান্স রেড বল কোচ। অস্ট্রেলিয়ায় পাকিস্তান সফরের পর তার চুক্তির মেয়াদ বাড়ানোর কথা ছিল। তিনি নিজেও মনে করছিলেন, দলের সঙ্গে ভালো বোঝা পড়া হয়ে গেছে তার। এবং দক্ষিণ আফ্রিা ও ওয়েস্ট ইন্ডিজের বিপক্ষে টেস্ট সিরিজেও নিজেকে প্রতিশ্রুতিবদ্ধ ভাবছিলেন। কিন্তু পিসিবি হঠাতই জানিয়ে দিয়েছে, তাকে আর প্রয়োজন নেই!
এটা জানা গেছে, দক্ষিণ আফ্রিকা সিরিজের আগে নিজের সহকারীকে যে পাবেন না, সেটা গিলেস্পিকে জানানো হয়নি। যা মোটেও ভালোভাবে নেননি সাবেক অজি তারকা। তাতে বিগত কয়েক মাসে পাকিস্তান ক্রিকেটে তার ক্ষমতা যে খর্ব হচ্ছে এই সর্বশেষ উদাহরণ ক্ষোভ বাড়িয়েছে তার।
অক্টোবরে সিলেকশন প্যানেল থেকেই সরিয়ে দেওয়া হয় তাকে। এখন শুধু তার ভূমিকা একজন ম্যাচ ডে অ্যানালিস্টের!
অবশ্য পিসিবি এখনও জানায়নি নিয়েলসনের স্থলাভিষিক্ত কে হবেন। তবে বর্তমান প্রশাসন বিদেশি কোচদের সরিয়ে পাকিস্তানিদের রাখার পক্ষে জোর দিচ্ছে। কারণ বিদেশি কোচরা পাকিস্তানে থেকে দলকে সময় দিচ্ছেন না।
সম্প্রতি এটা নিয়ে নিজেদের অসন্তুষ্টির কথা জানিয়েছে পিসিবি। যেমনটা হয়েছে গ্যারি কারস্টেনের বেলায়। অক্টোবরে দায়িত্ব ছেড়েছেন তিনি। গিলেস্পি অবশ্য তার চুক্তির আওতার মধ্যেই সব কিছু পালন করছেন। তার পরেও ক্রিকইনফোর খবর অনুযায়ী পরিস্থিতি যেমন, তাতে দক্ষিণ আফ্রিকা সিরিজের আগে চাকরি ছেড়ে দিতে পারেন গিলেস্পি। পিসিবিও যদি তাকে ছাঁটাই করে তখন মেয়াদের বাকি অংশের বেশিরভাগ অর্থই বোর্ডকে পরিশোধ করতে হবে। চুক্তির মেয়াদ আছে ২০২৬ সালের মাঝামাঝি পর্যন্ত। তবে গিলেস্পি নিজ থেকে চলে গেলে তখন পে-আউটের পরিমাণটা উল্লেখযোগ্য হারে কমে যাবে।





