খন্দকার রাশেদুল হক সংগীত ভুবনে যিনি মিল্টন খন্দকার নামে খ্যাত। যাঁর হাত ধরে খ্যাতিমান হয়েছেন এ দেশের বহু কণ্ঠশিল্পী। আগমন ঘটেছে বা ডেব্যু অ্যালবাম করেছেন শতাধিক শিল্পীর।
আধুনিক বাংলা গান এবং অডিও শিল্পের মোড় ঘুরিয়ে দেয়া পাইনিয়রদের একজন বলা হয় তাঁকে।
তাঁর কথা ও সুরে (অডিও অ্যালবাম, চলচ্চিত্র, নাটক, টেলিভিশন, বেতার) এ পর্যন্ত প্রকাশিত হয়েছে চার সহস্রাধিক গান। তার মধ্যে একক অ্যালবাম-ই দুইশতাধিক।
নবাগত শিল্পীদের পাশাপাশি তাঁর গানে সমানতালে কণ্ঠ দিয়েছেন- বাংলাদেশ ও মুম্বাইয়ের উল্লেখযোগ্য প্রায় সকল শিল্পী। কর্মের স্বীকৃতি স্বরূপ ১৯৯৫ সালে প্রযোজক সমিতির বিচারে “বিশ্বপ্রেমিক” ছবির গানে ও ২০১২ সালে শ্রেষ্ঠ গীতিকার হিসেবে পেয়েছেন- জাতীয় চলচ্চিত্র পুরস্কার এবং দেশের বিভিন্ন সংগঠন কর্তৃক সংবর্ধনা ও সম্মাননা।
এবার মিল্টন খন্দকারের হাত ধরে মৌলিক গানে অভিষেক হচ্ছে ভাইরাল রিকশাচলক মিঠুনের। মাস্টার্স শেষ বর্ষে পড়ুয়া মিঠুন একজন রিকশাচালক। রিকশা চালানোর সময় তিনি গান গেয়ে চলেন। বেশিরভাগ ক্ষেত্রেই তাঁর কণ্ঠে মিলে যায় ভারতের কুমার শানুর সঙ্গে।
অনেকেই তাই মিঠুনকে কুমার শানু হিসেবে আখ্যায়িত করেন। এবার মিঠুনের স্বপ্ন পূরণ হতে যাচ্ছে। কেননা তাকে শিল্পী হিসেবে অভিষিক্ত করতে যাচ্ছেন মিল্টন খন্দকার।
বিষয়টি জনপ্রিয় সংগীতজ্ঞ নিজেই জানিয়েছেন। সামাজিক মাধ্যমে মিল্টন খন্দকার বলেন, সম্প্রতি একজন রিকশাচালক ভাইয়ের একটি গান নেট দুনিয়ায় ভাইরাল হয়েছে।
অবিকল কুমার শানুর মতো গায়। শ্রদ্ধেয়া বড় আপা– ‘রুখসানা আনোয়ার’ সেই গানটা আমাকে ট্যাগ করেছেন। শুধু তিনিই নন, আমার আরো একজন প্রিয় মানুষ জিল্লু ভাইসহ বেশকিছু ভক্ত গানটি আমার ইনবক্সে পাঠিয়েছেন। হয়তো চেয়েছেন। আমি যেন এই গুণী শিল্পীকে গান বিষয়ক সহযোগিতা করি। আপনাদের সবার প্রতি কৃতজ্ঞতা প্রকাশ করছি।
তিনি বলেন, সেই সাথে সেই চালক ভাইটিকে অনুরোধ করছি তিনি যেন আমার সাথে যোগাযোগ করেন। তাহলে তার একটি মৌলিক গান অন্তত আমি তৈরি করে সহযোগিতা করতে পারি। বাকিটা আল্লাহ ভরসা–
ফলে নওগাঁর মিঠুনের গায়ক হবার স্বপ্ন এখন শুধু সময়ের অপেক্ষায়।





