এমএলএস প্লে অফে মেসির ইতিহাস

0
32

প্রথম মেজর লিগ সকার কাপ জয়ের পথে বড় ধাপ ফেলল ইন্টার মায়ামি। গতকাল (রোববার) লিওনেল মেসির মনোমুগ্ধকর পারফরম্যান্সে ইস্টার্ন কনফারেন্স সেমিফাইনালে সিনসিন্নাতিকে ৪-০ গোলে হারিয়েছে ফ্লোরিডা ক্লাব। সবগুলো গোলেই অবদান আর্জেন্টাইন ফরোয়ার্ডের। একটি গোল করেছেন, বানিয়ে দিয়েছেন বাকি তিনটি।

পুরো ম্যাচ জুড়ে আর্জেন্টাইন ফরোয়ার্ড ছিলেন দুর্দান্ত। তিনি শট নিয়েছেন ৩টি, সফল ড্রিবল ছিল ২টি। এ ছাড়া শতভাগ ট্যাকেল জেতার পাশাপাশি ফাইনাল থার্ডে পাস দিয়েছেন ৭টি। তার ক্রস এবং লং বলগুলোও ছিল শতভাগ নিখুঁত। ম্যাচে সব মিলিয়ে তার নিখুঁত পাস ছিল ৪১টি। পাশাপাশি তাদেও আলেন্দে জোড়া গোল করেন। তাতে টিকিউএল স্টেডিয়ামে তিন বছরের জয়খরা কাটাল মায়ামি।

প্রথম সুযোগেই মায়ামি লিড নেয়। ১৯ মিনিটে মাতেও সিলভেত্তির ক্রসে মেসি জালে বল জড়ান। সিনসিন্নাতি আক্রমণে ফেরার চেষ্টা করেছিল। কিন্তু সমতা ফেরাতে পারেনি।

দ্বিতীয়ার্ধে দাপট ছিল মায়ামির। ৫৭ মিনিটের পর দ্বিতীয় গোলের দেখা পায় তারা। মেসির বানিয়ে দেওয়া বলে সিলভেত্তি ব্যবধান দ্বিগুণ করেন। চোখের পলকে সিনসিন্নাতি তৃতীয় গোল হজম করে ৬২ মিনিটে। মেসি এবারো রাখেন অবদান।

নিজের অর্ধ থেকে বল দখলে নেন মেসি। তারপর বলে তিনবার পা ছুঁয়ে আলেন্দের পায়ে দেন বল। ৭৫ মিনিটে আলেন্দের গোল। তাতে বড় জয় পায় মায়ামি।

মায়ামির হয়ে সাত প্লে অফ ম্যাচে সাত গোল ও ছয় অ্যাসিস্ট করেছেন মেসি। তাতে প্লে অফে ইতিহাস গড়েছেন তিনি। এমএলএস খেলোয়াড় হিসেবে প্লে অফে সর্বোচ্চ গোলে অবদান রাখলেন মেসি।

এই জয়ে প্রথমবার ইস্টার্ন কনফারেন্স ফাইনালে উঠেছে মায়ামি। তারা মুখোমুখি হবে নিউইয়র্ক সিটি এফসির। বিজয়ী দল ৬ ডিসেম্বর এমএলএস কাপের ফাইনালে উঠে যাবে।

LEAVE A REPLY

Please enter your comment!
Please enter your name here