চট্টগ্রামে ট্রেনের তলে পড়ে মারা গেল বাবা-মেয়েসহ তিনজন

0
284

চট্টগ্রাম জিআরপি থানা পুলিশের ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মোস্তাফিজুর রহমান জানান, ঢাকা থেকে আসা চট্টগ্রামগ্রামী কর্ণফুলী এক্সপ্রেস মাদামবিবি এলাকায় এসে বিকল হয়ে পড়লে চট্টগ্রাম থেকে একটি ইঞ্জিন আনা হয়। সেই ইঞ্জিনে করে ডাউনলাইন দিয়ে ট্রেনটিকে চট্টগ্রামের দিকে আনা হচ্ছিল।

চট্টগ্রামের সীতাকুণ্ডে ট্রেনে কাটা পড়ে মেয়ে ও বাবাসহ তিনজন নিহত হয়েছেন। এ সময় আহত হয়েছেন এক নারীসহ দুজন। গতকাল রোববার রাত ৮টার দিকে উপজেলার মাদামবিবি এলাকায় এ ঘটনা ঘটে।

রেলওয়ের ডাউনলাইনে সাধারণত ট্রেন চলাচল করে না, ফলে পথচারীদের অনেকেই সেখান দিয়ে হাঁটছিলেন। টেনে আনা বিকল ট্রেনটি সোনাইছড়ি এলাকায় এলে ওই ট্রেনে কাটা পড়ে ঘটনাস্থলে এক শিশুসহ তিনজন নিহত হন।

নিহত চার মাসের শিশু সোমার মা রোকেয়া বেগমের বরাত দিয়ে ওসি জানান, মেয়েকে কোলে নিয়ে তাঁরা দুজন রেললাইন ধরে হাঁটার সময় পেছন দিক থেকে একটি ট্রেন তাঁদের চাপা দেয়। এ সময় তাঁর স্বামী আবুল কাসেম ও মেয়ে ট্রেনে কাটা পড়ে।

ভাগ্যক্রমে বেঁচে যান রোকেয়া বেগম। এ ঘটনায় নিহত অপরজন আবুল খায়ের গ্রুপের কর্মচারী বলে জানা গেলেও তাঁর নাম-পরিচয় নিশ্চিত হওয়া যায়নি।

সোনাইছড়ি ইউনিয়ন পরিষদের (ইউপি) চেয়ারম্যান মনির আহম্মদ জানান, ট্রেনে কাটা পড়ে একই পরিবারের দুজনসহ তিনজন মারা গেছেন। হতাহতদের উদ্ধার করে হাসপাতালে পাঠানো হয়েছে।

ওসি মোস্তাফিজুর রহমান জানান, ঘটনার পর স্থানীয় লোকজন ঘটনাস্থল থেকে হতাহতদের উদ্ধার করে। আহত রোকেয়াসহ আরো একজনকে চট্টগ্রাম মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে ভর্তি করা হয়েছে।

এদিকে এক কিশোরকে গাছের সঙ্গে বেঁধে মধ্যযুগীয়

কায়দায় নির্যাতন কিশোরগঞ্জ সদর মডেল থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা আবু শামা মো. ইকবাল হায়াত বলেন, মামলায় অভিযুক্তদের গ্রেফতারে অভিযান অব্যাহত রয়েছে।

কিশোরগঞ্জে পূর্ব শত্রুতার জের ধরে এক কিশোরকে গাছের সঙ্গে বেঁধে মধ্যযুগীয় কায়দায় মারধর করা হয়েছে। গুরুতর অবস্থায় নির্যাতনের শিকার ছেলেটিকে হাসপাতালে ভর্তি করা হয়। এ ঘটনায় ৯ জনকে আসামি করে একটি মামলা করেছে নির্যাতিতর পরিবার। আসামিদের গ্রেফতারে অভিযান চলছে বলে জানিয়েছে পুলিশ।

গত ২২ অক্টোবর কিশোরগঞ্জের সদর উপজেলার কালিকাবাড়ি গ্রামে পূর্ব শত্রুতার জের ধরে কিশোর সাফিককে গাছের সঙ্গে বেঁধে মধ্যযুগীয় কায়দায় নির্যাতন করে আবদুল লতিফ ও তার পরিবারের সদস্যরা। এক সময় মৃত ভেবে ছেলেটিকে একটি বাঁশের ঝাড়ের পাশে ফেলে রাখা হয়। পরে স্থানীয়রা তাকে উদ্ধার করে সদর হাসপাতালে ভর্তি করেন।

নির্যাতনের শিকার সাফিক বলেন, মারধরের সময় অজ্ঞান হয়ে যায়। পরবর্তীতে আমাকে তারা রাস্তার পাশে ফেলে চলে যায়।

সাফিকের মা বলেন, আমার ছেলেকে এভাবে নির্যাতনের বিচার চাই।

চিকিৎসকরা জানিয়েছেন, আশঙ্কামুক্ত হলেও সাফিকের শরীরের বিভিন্নস্থানে ক্ষত চিহ্ন রয়েছে।

কিশোরগঞ্জ সদর হাসপাতালের সহকারী পরিচালক ডা. রমজান মাহমুদ বলেন, তার শরীরের বিভিন্ন জায়গাতে জখমের চিহ্ন রয়েছে।

এ ঘটনায় সাফিকের মা বাদী হয়ে ৯ জনকে আসামি করে সদর থানায় একটি মামলা করেন।নির্যাতিত সাফিক নির্মাণ শ্রমিক হিসেবে কাজ করে।

LEAVE A REPLY

Please enter your comment!
Please enter your name here