জাতীয় নির্বাচনে ইভিএম: পক্ষ-বিপক্ষ

0
168

দেশইনফো প্রতিবেদক: সংসদ নির্বাচনে ইলেকট্রনিক ভোটিং মেশিন (ইভিএম) ব্যবহারের বিধান যুক্ত করে গণপ্রতিনিধিত্ব আদেশ (আরপিও) সংশোধনের সিদ্ধান্ত নিয়েছে নির্বাচন কমিশন (ইসি)।তবে একাদশ সংসদ নির্বাচনে ইভিএম ব্যবহারের বিষয়ে কোনো সিদ্ধান্ত হয়নি। সম্প্রতি ইসি সচিবালয়ে দিনব্যাপী কমিশনের মুলতবি সভায় এ সিদ্ধান্ত নেয়া হয়।পরিস্থিতি অনুকূল থাকলে আগামী জাতীয় সংসদ নির্বাচনে ইভিএম ব্যবহারের কথাও জানান সিইসি।

ইভিএম নিয়ে রাজনৈতিক মহলের বিতর্ক:

আওয়ামী লীগ: ইলেকট্রনিক ভোটিং মেশিনে (ইভিএম) নির্বাচনী ফল টেম্পারিং করা অসম্ভব বলে দাবি করেছেন আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক এবং সড়ক পরিবহন ও সেতুমন্ত্রী ওবায়দুল কাদের। নির্বাচনে ইভিএমের ব্যবহার দেশের নির্বাচন সম্পর্কে ইতিবাচক ধারণা তৈরি করবে বলেও মন্তব্য করেন তিনি।

শুক্রবার সকাল সাড়ে ৮টায় সিলেট সার্কিট হাউসে এক সংবাদ সম্মেলনে এ কথা বলেন তিনি।সেতুমন্ত্রী বলেন, ২০১৪ সালের ৫ জানুয়ারির নির্বাচনের ট্রেন কি থেমে থাকবে কোনো একটা দলের জন্য। বিএনপি সেই নির্বাচনে অংশ নেয়নি, সেটি তাদের ভুল। তিনি বলেন, নিয়মানুযায়ী নির্বাচন হয়েছে, সংবিধান অনুযায়ী নির্বাচন হয়েছে। নির্বাচন কমিশন ফ্রি, ফেয়ার নির্বাচন করেছে। এখন একটা দল নির্বাচনে অংশ না নিয়ে বিনাপ্রতিদ্বন্দ্বিতায় নির্বাচনের একটা ফাঁদ তৈরি করেছিল। সেটি তো সংবিধানের দোষ নয়। সেটি তো যারা বিনা প্রতিদ্বন্দ্বিতায় নির্বাচিত হয়েছেন, ওই ফাঁদের মধ্যে আটকা পড়ে, সেটি তো তাদের দোষ নয়। ইলেকশনে তো যারা প্রতিদ্বন্দ্বী, তারা প্রতিদ্বন্দ্বিতা করার জন্যই নির্বাচনে অংশ নিয়েছিল।

তিনি বলেন, নিরপেক্ষ সরকারের চেয়েও বেশি দরকার নিরপেক্ষ ইলেকশন কমিশন, নির্বাচন কমিশন নিরপেক্ষ থাকলে নিরপেক্ষ নির্বাচন সম্ভব। যারা প্রতিদ্বন্দ্বিতা করবেন, তাদের দরকার নির্বাচনটা নিরপেক্ষ হবে কিনা? নিরপেক্ষ নির্বাচন হলে তাদের ভয় কোথায়?,’ যোগ করেন ওবায়দুল কাদের।

অন্যান্য দল: নির্বাচন কমিশনের সঙ্গে সংলাপে বিএনপিসহ বেশির ভাগ রাজনৈতিক দল জাতীয় নির্বাচনের ইভিএম ব্যবহারের বিপক্ষে মত দিয়েছিল। আওয়ামী লীগসহ কয়েকটি রাজনৈতিক দল ইভিএম ব্যবহারের পক্ষে সায় দিয়েছিল।

এছাড়া কয়েকটি অনিবন্ধিত রাজনৈতিক দলও প্রকাশ্যে ইভিএমের বিরোধিতা করছে। একইভাবে সংলাপে বেশির ভাগ রাজনৈতিক দল আরপিও সংশোধনে আইনশৃঙ্খলা বাহিনীর সংজ্ঞায় সশস্ত্র বাহিনী শব্দ যুক্তের প্রস্তাব করেছিল। এছাড়া আরপিও নিয়ে কমবেশি একশ’ প্রস্তাব উঠে এসেছিল ওই সংলাপে। কিন্তু নির্বাচন কমিশন অনেকটা তড়িঘড়ি করে ইভিএমের বিধান অন্তর্ভুক্ত করার সিদ্ধান্ত নিল। আইনশৃঙ্খলা বাহিনীর সংজ্ঞায় সেনাবাহিনী অন্তর্ভুক্তের বিষয়ে কোনো সিদ্ধান্ত হয়নি।

আরপিও সংশোধনী ইস্যুতে সিইসি:এমন প্রশ্নের জবাবে সিইসি বলেন, উল্লেখ করার মতো আর কোনো সংশোধনী নেই। ইভিএমের সঙ্গে আনুষঙ্গিক কিছু সংশোধনী এসেছে। জরুরি উল্লেখ করার মতো সংশোধনী নেই। সংখ্যা কত তা মনে নেই, তবে ৮-১০টির বেশি হবে না। আইন সংস্কার কমিটি কয়টি ধারা সংশোধনী প্রস্তাব করেছিল- এমন প্রশ্নের জবাবে সিইসি বলেন, কয়টি প্রস্তাব করেছিল, আর কয়টি অনুমোদন করেছি, তা মনে নেই। তবে কমিটি ১৫টির মতো প্রস্তাব করেছে, সব নিইনি। কিছুটা নেওয়া হয়েছে। সংখ্যাটা বলা যাবে না। মূলত ইভিএম নিয়ে সিদ্ধান্ত হয়েছে।

কেন এখন এ সিদ্ধান্ত- এই প্রশ্নে সিইসি বলেন, জাতীয় সংসদ নির্বাচনে ইভিএম হবে সে রকম না। আমরা ইভিএম স্থানীয় সরকার নির্বাচনে ব্যবহার করে ভালো ফল পেয়েছি। সে কারণে আমরা জাতীয় নির্বাচনে ইভিএম ব্যবহার করা যায় কি না, সেটার প্রেক্ষাপট তৈরির জন্য আইনের পরিবর্তন এনেছি। কারণ একসময় যদি মনে হয়, আমরা যদি দেখি কমিশন যদি মনে করে ইভিএম করা দরকার, তখন আইন যদি হাতে না থাকে তবে এটা ব্যবহার করা যাবে না। সে কারণেই প্রস্তুতি নেয়া। সিইসি জানান, আমাদের একজন কমিশনার দ্বিমত পোষণ করেছেন। আমরা চারজন কমিশনার সম্মত হয়েছি যে এটার পরিবর্তন আনলে ভালো হবে।

ইভিএম সংক্রান্ত এক প্রশ্নের জবাবে তিনি বলেন, স্থানীয় সরকার নির্বাচনের এসেসমেন্ট হল- ভালো রেজাল্ট পাওয়া গেছে। লোকজন স্বতঃস্ফূর্তভাবে বলেছে যে, প্রথমদিকে কষ্ট হলেও নির্বিঘ্নে ভোট দেয়া সম্ভব হয়েছে। অপর এক প্রশ্নের জবাবে সিইসি বলেন, ১০০টি আসনে ইভিএম ব্যবহার হবে, সে রকম সিদ্ধান্ত হয়নি। কমিশন এখনও সিদ্ধান্ত নেয়নি। আইন যদি পার্লামেন্ট পাস করে তারপর আমরা আমাদের প্রদর্শনী দেখাব, সেখানে যদি স্টেকহোল্ডারদের সম্মতি থাকে কমিশন বসবে, যদি পরিবেশ-পরিস্থিতি অনুকূলে থাকে তাহলে হবে।

বেশির ভাগ দল সেনা মোতায়েন চেয়েছে, এ বিষয়ে আরপিও সংশোধন হবে কি না- এমন প্রশ্নের জবাবে বলেন, এটি নিয়ে কথা হয়নি। ইভিএম বেশির ভাগ দল চায় না- এ প্রশ্নে বলেন, মুভ নিয়েছি। আইন পরিবর্তন করে পরিবেশ যদি অনুকূলে থাকে, তাহলে ব্যবহার করব। ব্যবহার করবই, সে কথা না। প্রস্তুতিমূলক এটা। কমিশনের এমন সিদ্ধান্তে অনাস্থা তৈরি হবে কি না- এমন প্রশ্নে বলেন, আমার মনে হয় না।

দুর্নীতির জন্য এই ইভিএম কেনা হচ্ছে- এমন প্রশ্নে বলেন, আমাদের হাতে টাকা নেই। এ টাকার ব্যবহার আমরা করি না। টাকাপয়সা যা বরাদ্দ হবে, তা নির্বাচন কমিশনের কাছে না, সরকারের কাছে থাকবে।

মাহবুব তালুকদারের সংবাদ সম্মেলন : সিইসির বক্তব্যের পর নিজ কার্যালয়ে কথা বলেন নির্বাচন কমিশনার মাহবুব তালুকদার। তিনি বলেন, তিন কারণে আমি নোট অব ডিসেন্ট (লিখিত আপত্তি) দিয়েছি। প্রথমত, নির্বাচন কমিশন ইভিএম আলোচনার প্রথম থেকেই বলে আসছে সব রাজনৈতিক দল না চাইলে জাতীয় নির্বাচনে ইভিএম ব্যবহার করা হবে না। ইসির সঙ্গে সংলাপের বইয়ে দেখলাম, অধিকাংশ রাজনৈতিক দল ইভিএম ব্যবহারের বিপক্ষে, আর কিছু কিছু রাজনৈতিক দল ইভিএমের পক্ষে। তাহলে আমরা (ইসি) ইভিএম নিয়ে যে বক্তব্য দিলাম, তা রাখতে পারছি না। তাই আমি মনে করি, আগামী জাতীয় সংসদ নির্বাচনে অন্তত ইভিএম ব্যবহার করা ঠিক হবে না।

দ্বিতীয়ত, ইভিএম ব্যবহারের জন্য ইসি যাদের প্রশিক্ষণ দিচ্ছে, আমার নিজের বিবেচনায় এ প্রশিক্ষণ অপ্রতুল। জাতীয় নির্বাচনের প্রশিক্ষণ দেয়ার ব্যাপারে আমি অত্যন্ত সন্দিহান। আর প্রশিক্ষণ দেয়ার যে সময়ের প্রয়োজন হবে, তা আমাদের হাতে নেই।

তৃতীয়ত, ইভিএম ব্যবহারে ভোটারদের মধ্যে অনীহা রয়েছে। সিটি কর্পোরেশন নির্বাচনগুলোয় পর্যবেক্ষণ করে দেখেছি, অনেক ভোটার ইভিএম ব্যবহার করতে চাচ্ছেন না। এর কারণ হচ্ছে- ভোটারদের প্রশিক্ষণ দেয়া দরকার ছিল। তাদের অভ্যস্ত করে তোলা দরকার ছিল। আমাদের মেয়াদকালে প্রথম থেকে যদি আমরা ইভিএম ব্যবহারের সিদ্ধান্ত নিতাম, তাহলে এতদিনে তাদের প্রশিক্ষণ দিতে পারতাম। এতদিনে মোটামুটি একটা বৃহৎ জনগোষ্ঠীকে প্রশিক্ষণ দেয়া যেত। এছাড়া কর্মপরিকল্পনার কোথাও ইভিএম ব্যবহারের কথা নেই। এটা হঠাৎ করেই নির্বাচনের আগে আগে খুব একটা গুরুত্বপূর্ণ বিষয় হয়ে গেল। এতে আমার মনে হয়, ভোটারদের অভ্যস্ত না করলে ইভিএম সাকসেস হবে না।

তিনি বলেন, আমি ইভিএম ব্যবহারের বিপক্ষে নই। তবে জাতীয় নির্বাচনে ইভিএম ব্যবহারের প্রস্তুতি আমাদের নেই। তবে স্থানীয় সরকার নির্বাচনগুলোয় ইভিএমের ব্যবহার যদি আরও বাড়ানো যায়, তাহলে আশা করি ৫-৭ বছরের মধ্যে এ মেশিন ব্যবহারের অভ্যাস গড়ে উঠবে। তখন ৫ বা ১০ বছর পর হোক, ইভিএম ব্যবহার অপরিহার্য হয়ে উঠবে।

দেড় লাখ ইভিএম মেশিন কেনার প্রকল্পে পাঁচ কমিশনার সম্মতি দিয়েছেন- সিইসির এমন বক্তব্যের বিষয়ে তার অবস্থান জানতে চাইলে মাহবুব তালুকদার বলেন, কাগজ কোথায়? তিনি বলেন, পরিকল্পনা কমিশনের যে প্রকল্প গেছে সে বিষয়ে যদি অনুমোদন দেয়া হয় তাহলে কমিশন সভার কার্যবিবরণীতে থাকবে। কোন সভার কোন কার্যবিবরণীতে এ প্রকল্প অনুমোদন দেয়া হয়েছে, তা আমি দেখিনি। এ সময় তিনি সিইসির বক্তব্যের বিপরীতে কথা বলতে রাজি হননি।

তিনি বলেন, আমি নোট অব ডিসেন্ট দিয়েছি, তা কারও বিরুদ্ধে নয়। আমি দ্বিমত বা ভিন্নমত পোষণ করতে পারি। তাই বলে আমার সহকর্মী কারও সঙ্গে (নির্বাচন কমিশনাররা) আমার মতবিরোধ নেই।

বৈঠক থেকে বেরিয়ে আসার বিষয়ে তিনি বলেন, বৈঠকের কার্যপত্রে আরপিও সংশোধনের বিষয় ছিল। আমি মোটেই চাই না আগামী সংসদ নির্বাচনে ইভিএম ব্যবহার হোক। এখন উনারা বসে বসে আরপিও সংশোধন করতে থাকবেন, আর আমি মূর্তি হয়ে বসে থাকব, তা আমার কাছে যথাযথ মনে হয়নি। আমার কাছে মনে হয়েছে, উনারা উনাদের কাজ করুক, আমি আমার কাজ করি।

ইভিএম ক্রয়: জরুরি ভিত্তিতে দেড় লাখ ইলেকট্রনিক ভোটিং মেশিন (ইভিএম) কিনতে যাচ্ছে নির্বাচন কমিশন (ইসি)। আগামী জাতীয় সংসদ নির্বাচনের কিছু ভোট কেন্দ্রে এসব মেশিন ব্যবহার করা হতে পারে। আসন্ন জাতীয় সংসদ নির্বাচনে সম্ভাব্য ভোট কেন্দ্রের সংখ্যা ৪৪ হাজার। মেশিনগুলো কেনার লক্ষ্যে নির্বাচন কমিশন গত সপ্তাহে একটি প্রকল্প অনুমোদন করে পরিকল্পনা কমিশনে পাঠিয়েছে।

‘নির্বাচন ব্যবস্থাপনায় অধিকতর স্বচ্ছতা আনার লক্ষ্যে ইলেকট্রনিক ভোটিং মেশিন (ইভিএম) ক্রয়, সংরক্ষণ ও ব্যবহার’ শীর্ষক এ প্রকল্পে ব্যয় ধরা হয়েছে ৩ হাজার ৮২১ কোটি ৪০ লাখ ৬০ হাজার টাকা।এর সিংহভাগই ব্যয় হবে ইভিএম কেনার খাতে। প্রতি ইউনিট ইভিএমের দাম পড়ছে প্রায় দুই লাখ টাকা।

আগামী রোববার এ প্রকল্পের ওপর পিইসি (প্রকল্প মূল্যায়ন কমিটির) সভা অনুষ্ঠিত হবে। এছাড়া ইভিএম সাধারণ মানুষের মধ্যে জনপ্রিয় করতে শিগগিরই ‘ইভিএম মেলা’র আয়োজন করতে যাচ্ছে কমিশন। ইসি সচিবালয় সূত্রে জানা গেছে এসব তথ্য।

ইভিএম পরিচালনা: ইসি সচিবালয় সূত্রে জানা গেছে, বর্তমান কমিশনের সময়ে রংপুর, খুলনা, গাজীপুর, সিলেট, রাজশাহী ও বরিশাল সিটি কর্পোরেশন এবং কক্সবাজার পৌরসভার কিছু কেন্দ্রে ইভিএম ব্যবহার করে ভোট গ্রহণ করা হয়েছে। এসব কেন্দ্রে ইভিএম পরিচালনা খাতে ব্যয় হচ্ছে লাখ লাখ টাকা।

রংপুর সিটি কর্পোরেশনের ভোটে একটি কেন্দ্রের জন্য ৩ লাখ ৯৪ হাজার টাকা এবং খুলনার দুটি কেন্দ্রের ভোট পরিচালনায় ৬ লাখ ৬৯ হাজার টাকা ব্যয় হয়েছে। চলতি অর্থবছরে সিলেট সিটির দুটি কেন্দ্রের জন্য ৪ লাখ ১ হাজার ৫০০ টাকা, বরিশালের ১১টি কেন্দ্রের জন্য ১৭ লাখ ৩১ হাজার টাকা, রাজশাহীর দুটি কেন্দ্রের জন্য ৪ লাখ ১ হাজার টাকা খরচ হয়েছে।

এর মধ্যে বরিশাল সিটিতে একটি কেন্দ্রের ইভিএম অকার্যকর ছিল। সেখানে প্রচলিত পদ্ধতিতে ভোট গ্রহণ করা হয়। পরিচালনা খাতে ইভিএম সেটসহ আনুষঙ্গিক মালামাল পরিবহন, টিমের কর্মকর্তা-কর্মচারীদের সম্মানী ভাতা, গাড়ি ভাড়া, ডেকোরেটর সামগ্রী ভাড়া, স্ক্রিনসহ মাল্টিমিডিয়া প্রজেক্টর-শব্দযন্ত্র ভাড়া, মাইকিংসহ বিভিন্ন খাতে এ টাকা ব্যয় হয়েছে।

সুপারিশ: আগামী নির্বাচনে অনলাইনে মনোনয়নপত্র জমা দেয়া, ইসির নির্দেশে নির্বাচন কর্মকর্তাদের ২৪ ঘণ্টার মধ্যে বদলি, জামানত বৃদ্ধিসহ কয়েকটি ছোটখাটো সংশোধনের সিদ্ধান্ত হয়েছে। এছাড়া ইভিএম বিধান অন্তর্ভুক্তের কারণে কয়েকটি নতুন ধারা ও উপধারা যুক্ত করতে হচ্ছে। ২৬, ২৭, ২৮ ও ৩৬ ধারার কোথাও কোথাও সংশোধনী আনা হচ্ছে। শিগগিরই আরপিওর এ সংশোধনী ভেটিংয়ের জন্য আইন মন্ত্রণালয়ে পাঠানো হবে। এরপর মন্ত্রিসভা হয়ে সংসদে উঠবে। ৯ সেপ্টম্বর সংসদ অধিবেশন শুরু হতে যাচ্ছে।

LEAVE A REPLY

Please enter your comment!
Please enter your name here