যানজটে পাটুরিয়া-দৌলতদিয়া ঘাট

0
239

মানিকগঞ্জ প্রতিনিধিঃ কয়েক সপ্তাহ ধরে অব্যাহত নদীতে প্রবল স্রোত ও ডুবো চরের কারণে পাটুরিয়া-দৌলতদিয়া নৌ-রুটে ফেরি চলাচল মারাত্মকভাবে ব্যাহত হচ্ছে। ফলে দুই পারেই সৃষ্টি হয়েছে যানজট।

এ ছাড়া এ রুটের ফেরি বহরে বেশ কিছু ফেরি অনেক দিনের পুরনো হওয়ায় অতিরিক্ত স্রোতের বিপরীতে চলাচল করতে গিয়ে দফায় দফায় বিকল হয়ে পড়ছে।ফলে যাত্রীবাহী একটি গাড়ী পার হতে ঘন্টার পর ঘন্টা অপেক্ষা করতে হচ্ছে। শুক্রবার সকাল থেকে পাটুরিয়া ঘাট এলাকা থেকে নবগ্রাম পর্যন্ত তিন কিলোমিটার এবং ঢাকা-আরিচা মহাসড়কের পাটুরিয়া সংযোগ মোড় থেকে শিবালয় সদর উদ্দিন কলেজ পর্যন্ত তিন কিলোমিটার যানবাহনের দীর্ঘ সারি রয়েছে। এতে পাটুরিয়া ও দৌলতদিয়া ঘাটে পণ্যবাহী ট্রাকসহ ছয় শতাধিক যানবাহন ফেরি পারের অপেক্ষায় রয়েছে।

এতে চরম দুর্ভোগে পরেছে ঘাটে পার হতে আসা যাত্রী ও চালকরা। ঢাকা থেকে পন্য বোঝাই করে কুষ্টিয়াগামী আমজাত নামের এক ট্রাক চালক জানান, বুধবার রাতে ঘাটে এসে পারের অপেক্ষায় বসে আছি । শুক্রবার সকাল পর্য়ন্ত এখনও পার হতে পারি নাই ।কখন পার হতে পারবো তা এখনও বলতে পারছি না।

মাগুরাগামী সার্বিক পরিবহনের অাফছার নামের এক যাত্রী জানান, ঘাটে এসে পারের অপেক্ষায় তিন ঘন্টা যাবৎ বসে আছি। প্রচন্ড গরমের মধ্য চরম দুর্ভোগে পড়েছি।বিআইডব্লিউটিসির পাটুরিয়া ঘাটের মধুমতি ভাসমান কারখানার নির্বাহী প্রকৌশলী মো. এনামুল হক জানান, এ রুটে ফেরি বহরের মধ্য বেশ কিছু ফেরি অনেক দিনের পুরোন হওয়ার কারনে তীব্র স্রোতের বিপরীদে চলতে গিয়ে কয়েক দিন পর পর বিকল হয়ে পড়ছে। বর্তমানে পদ্মা নদীতে তীব্র স্রোতের কারনে দৌলতদিয়া ঘাটের কাছে ফেরি পল্টুনে ভীড়তে প্রচন্ড সমস্যা হচ্ছে।

বিআইডব্লিউটিসির পাটুরিয়া ঘাটের সহকারী ব্যবস্থাপক মহিদ্দীন রাসেল জানান, নদীতে প্রবল স্রোত ও ডুবো চরের কারণে ফেরি চলাচলে স্বাভাবিক সময়ের থেকে অনেক বেশি সময় লাগছে। এ কারনে ফেরি ট্রিপ সংখ্যাও কমে গেছে। এছাড়া দৌলতদিয়া ঘাটের কাছে প্রবল স্রোত থাকায় ফেরি পল্টুনে বেঁধে রেখে লোড- আনলোডে মারাত্বক ভাবেব্যাহত হচ্ছে। এ কারনে পাটুরিয়া ঘাটে পারের অপেক্ষায় রয়েছে কয়েক শতাধিক পণ্যবাহী যানবাহন। তবে অগ্রধিকার ভিত্তিতে যাত্রীবাহী বাস পার করা হচ্ছে।

এ নৌ- রুটে ছ্টো-বড় ১৮টি ফেরির মধ্য ১৬টি ফেরি চলাচল করছে । বাকি ২ টি রো-রো ফেরি শাহ পড়ান ও শাহ মুখদুম পাটুরিয়া ঘাটে ভাসমান কারখানায় মেরামতের রয়েছে।

LEAVE A REPLY

Please enter your comment!
Please enter your name here