এইউএপি লার্নিং অ্যান্ড শেয়ারিং ফোরামে এআই এবং মানসিক স্বাস্থ্য সচেতনতা একীকরণের পক্ষে ড. মোঃ সবুর খান

0
89

দক্ষিণ কোরিয়ায় স্বাস্থ্য বিষয়ক এইউএপি লার্নিং অ্যান্ড শেয়ারিং ফোরামে এআই এবং মানসিক স্বাস্থ্য সচেতনতার একীকরণের পক্ষে গুরুত্বারোপ করেছেন এইউএপি’র সভাপতি ড. মোঃ সবুর খান। দক্ষিণ কোরিয়ায় দায়েগু হেলথ কলেজ আয়োজিত স্বাস্থ্য বিষয়ক এইউএপি লার্নিং অ্যান্ড শেয়ারিং ফোরামে এ একীভূতকরণের বিষয়ে নিজের মতামত তুলে ধরেন তিনি। ফোরামে, এশিয়া, ইউরোপ এবং অস্ট্রেলিয়ার ১২টিরও বেশি দেশ এবং ৪৫টি বিশ্ববিদ্যালয়ের প্রতিনিধিত্বকারী প্রায় ১০০ জন অংশগ্রহণকারী অংশগ্রহণ করেছে, যার লক্ষ্য স্বাস্থ্য শিক্ষার ক্ষেত্রে সহযোগিতা এবং জ্ঞান বিনিময় বৃদ্ধি করা। এই প্রোগ্রামে চিকিৎসা প্রযুক্তি, নার্সিং ও পুনর্বাসন, পেপার প্রেজেন্টেশন এবং মেডিকেল ট্যুরের বিভিন্ন সেশন ছিল।

অ্যাসোসিয়েশন অফ ইউনিভার্সিটিজ অফ এশিয়া অ্যান্ড দ্য প্যাসিফিক (এইউএপি) এর সভাপতি এবং ড্যাফোডিল ইন্টারন্যাশনাল ইউনিভার্সিটির প্রতিষ্ঠাতা ও ট্রাস্টি বোর্ডের চেয়ারম্যান ড. মোঃ সবুর খান। ফোরামের উদ্বোধনী ভাষণে ডঃ মোঃ সবুর খান একাডেমিক সেটিংসের মধ্যে মানসিক স্বাস্থ্য সমস্যাগুলিকে মোকাবেলার গুরুত্বের ওপর জোর দেন। তিনি জোর দিয়ে বলেন যে স্নাতক যারা শারীরিক এবং মানসিক উভয় সুস্থতার অধিকারী তারা সামাজিক কল্যাণে উল্লেখযোগ্যভাবে অবদান রাখতে পারে। উদ্বোধনী অনুষ্ঠানে বিশেষ অতিথিদের মধ্যে ছিলেন এইউএপি’র প্রাক্তন প্রেসিডেন্ট এবং দায়েগু হেলথ কলেজের প্রেসিডেন্ট ডঃ সুঙ্গি নাম এবং দক্ষিণ কোরিয়ার দায়েগু মেট্রোপলিটন সিটির ইউনিভার্সিটি পলিসি ব্যুরোর মহাপরিচালক জনাব জংচান কিম।

“হায়ার এডুকেশন কারিকুলামে এআই এবং টেকনোলজিকে একীভূত করা” শিরোনামের মূল বক্তৃতার উপস্থাপনকালে ড. সবুর খান স্বাস্থ্যসেবা শিক্ষায় এআই প্রযুক্তি অন্তর্ভুক্ত করার তাৎপর্য তুলে ধরেন। ড. সবুর খান স্পষ্টভাবে বলেছেন যে, আর্টিফিসিয়াল ইনটেলিজেন্স (এআই) কার্যকরভাবে কাজে লাগানোর জন্য দক্ষতা ও জ্ঞানের সাথে সজ্জিত স্বাস্থ্যসেবা পেশাদারদের পরবর্তী প্রজন্মের উদ্ভাবন, গবেষণা এবং প্রশিক্ষণে একাডেমিয়া একটি গুরুত্ব¡পূর্ণ ভূমিকা পালন করবে। তিনি আরো যোগ করেন যে, একাডেমিয়া ভবিষ্যতের দিকে পথ প্রশস্ত করতে পারে যেখানে স্বাস্থ্যসেবা কেবল আরও কার্যকর এবং দক্ষ নয় বরং আরও ন্যায়সঙ্গত, সাশ্রয়ী এবং সবার কাছে গ্রহণযোগ্য হয়ে উঠবে।

ড. খানের অংশগ্রহণ এবং অন্তর্দৃষ্টিপূর্ণ অবদান এশিয়া-প্রশান্ত মহাসাগরীয় অঞ্চলে স্বাস্থ্যসেবা শিক্ষার অগ্রগতি এবং আন্তর্জাতিক সহযোগিতা বৃদ্ধিতে এইউএপি’র প্রতিশ্রুতিকে আরও জোরদার করেছে।

LEAVE A REPLY

Please enter your comment!
Please enter your name here