হত্যাচেষ্টা মামলায় শিরীন শারমিন চৌধুরীর জামিন

0
15

বৈষম্য বিরোধী আন্দোলন কেন্দ্রিক রাজধানীর লালবাগ থানার হত্যাচেষ্টা মামলায় গ্রেপ্তার সাবেক স্পিকার ড. শিরীন শারমিন চৌধুরীকে জামিন দিয়েছেন আদালত। রোববার (১২ এপ্রিল) আসামি পক্ষের আবেদনের পরিপ্রেক্ষিতে ঢাকার অতিরিক্ত চিফ মেট্রোপলিটন ম্যাজিস্ট্রেট জাকির হোসাইনের আদালত ৫০ হাজার টাকা মুচলেকায় তার জামিন মঞ্জুর করেন।

এর আগে গত ৭ এপ্রিল ভোরে শিরীন শারমিন চৌধুরীকে তার এক আত্মীয়ের বাসা থেকে গ্রেপ্তার করা হয়। ওইদিন এ মামলায় তাকে কারাগারে পাঠানো হয়। মামলার সূত্রে জানা গেছে, বৈষম্যবিরোধী আন্দোলন ঘিরে রাজধানীর লালবাগ থানার হত্যাচেষ্টা মামলায় গ্রেপ্তার সাবেক স্পিকার ড. শিরীন শারমিন চৌধুরীর রিমান্ড শুনানিকে কেন্দ্র করে আদালতে চরম বিশৃঙ্খলা ও হট্টগোলের ঘটনা ঘটেছে। এ সময় পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে ব্যর্থ হয়ে বিচারক সাংবাদিকদের ওপর ক্ষোভ ঝাড়েন।

ওইদিন ঢাকা মেট্রোপলিটন ম্যাজিস্ট্রেট জুয়েল রানার আদালতে এ ঘটনা ঘটে। দুপুর ১টা ৫৫ মিনিটে শিরীন শারমিনকে ঢাকার চিফ মেট্রোপলিটন ম্যাজিস্ট্রেট আদালতে (সিএমএম) আনা হয়। আদালতে নেওয়ার পর তাকে সিএমএম আদালতের হাজতখানায় রাখা হয়।

শুনানির জন্য বিকেল ৩টা ১২ মিনিটে শিরীন শারমিনকে এজলাসে তোলা হয়। মামলার তদন্ত কর্মকর্তা তার দুই দিনের রিমান্ড আবেদন করেন। রাষ্ট্রপক্ষ রিমান্ডের পক্ষে শুনানি করেন। আসামিপক্ষের আইনজীবীরা তার রিমান্ড বাতিল ও জামিন চেয়ে শুনানি করেন।

শুনানি শেষে আদালত রিমান্ড ও জামিন আবেদন নামঞ্জুর করে তাকে কারাগারে পাঠানোর আদেশ দেন। আদেশ ঘোষণার পরপরই আসামিপক্ষের আইনজীবীরা এজলাসের ভেতর হট্টগোল শুরু করেন। পুরো পরিস্থিতিতে বিচারককে এজলাসে নির্লিপ্তভাবে বসে থাকতে দেখা যায় বলে প্রত্যক্ষদর্শীরা জানিয়েছেন। এসময় মহানগর দায়রা জজ আদালতের পাবলিক প্রসিকিউটর ওমর ফারুক ফারুকী পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে আনার চেষ্টা করেন। আসামিপক্ষের আইনজীবীদের এজলাস ত্যাগ করতে বলেন।

একপর্যায়ে আইনজীবীদের হট্টগোল নিয়ন্ত্রণে আনতে ব্যর্থ হয়ে বিচারক আদালতে পেশাগত দায়িত্ব পালনরত সাংবাদিকদের ওপর ক্ষোভ প্রকাশ করেন। পরে তাদের এজলাস থেকে বের করে দেওয়া হয়। গত ১৭ জুলাই লালবাগ থানায় হত্যাচেষ্টা মামলা করেন ভুক্তভোগী আশরাফুল।

LEAVE A REPLY

Please enter your comment!
Please enter your name here