গত ১৭ এপ্রিল যুদ্ধবিরতি ঘোষণা করেছে ইসরায়েল এবং লেবানন। এই বিরতিকে স্থায়ী করতে ওয়াশিংটনে বৈঠক চলছে দুই দেশের প্রতিনিধিদের মধ্যে। চলমান এই বৈঠকের মধ্যেই হিজবুল্লা ইস্যুতে লেবাননকে একসঙ্গে কাজ করার প্রস্তাব দিয়েছেন ইসরায়েলের পররাষ্ট্রমন্ত্রী গিদেওন সার। আজ ২২ এপ্রিল বুধবার ইসরায়েলের ৭৮তম স্বাধীনতা দিবস উপলক্ষে রাজধানী জেরুজালেমে কূটনীতিদের এক সভায় দেওয়া ভাষণে এ আহ্বান জানিয়েছেন তিনি।
সার বলেছেন, “আগামীকাল বুধবার ওয়াশিংটনে ইসরায়েল এবং লেবাননের মধ্যে সরাসরি সংলাপ ফের শুরু হতে যাচ্ছে। লেবাননের সরকারের প্রতি আমার আহ্বান— যে হিজবুল্লা আপনাদের দেশকে একটি সন্ত্রাসী রাষ্ট্রে পরিণত করেছে, আসুন এই গোষ্ঠীটিকে নির্মূল করতে আমরা একসঙ্গে কাজ করি। এই সহযোগিতা আমাদের চেয়ে আপনাদের প্রয়োজন বেশি। এই কাজের জন্য নৈতিক সততা এবং ঝুঁকি প্রয়োজন আছে, তবে আপনাদের এবং আমাদের শান্তিপূর্ণ ভবিষ্যতের জন্য এর কোনো বিকল্প নেই।”
১৯৮২ সালে লেবাননে প্রতিষ্ঠিত হয় সশস্ত্র রাজনৈতিক গোষ্ঠী হিজবুল্লা। ইরানের মদতপুষ্ট এই গোষ্ঠীটি বর্তমানে বিশ্বের বৃহত্তম মুসলিম সশস্ত্র গোষ্ঠী। প্রতিষ্ঠালগ্ন থেকেই হিজবুল্লা ব্যাপকভাবে ইসরায়েলবিরোধী। হিজবুল্লা কখনও লেবাননের প্রকাশ্য রাজনীতিতে আসে না, নির্বাচনে সরাসরি অংশও নেয় না; কিন্তু দেশটির ক্ষমতার উল্লেখযোগ্য নিয়ন্ত্রণ তাদের হাতে।
গত ২৮ ফেব্রুয়ারি ইরানে যুক্তরাষ্ট্র ও ইসরায়েলের যৌথ অভিযান শুরুর ২ দিন পর লেবাননে পৃথকভাবে সেনা অভিযান শুরু করে ইসরায়েলি বিমান বাহিনী। টানা ৪৫ দিন ধরে চলা অভিযানে লেবাননে নিহত হয়েছেন প্রায় ৩ হাাজার মানুষ। গত ১৭ এপ্রিল যুক্তরাষ্ট্রের হস্তক্ষেপে ১০ দিনের যুদ্ধবিরতি ঘোষণা করে ইসরায়েল-লেবানন।





