বিশ্ব ম্যানগ্রোভ দিবস আজ

0
4

ঘূর্ণিঝড়ের মতো প্রাকৃতিক দুর্যোগের বড় আঘাত থেকে বাংলাদেশকে রক্ষা করে বিশ্বের বৃহত্তম ম্যানগ্রোভ বন সুন্দরবন । কিন্তু ধীরে ধীরে মেরে ফেলা হচ্ছে এই সুন্দরবনকে। গাছকাটা, বন্যপ্রাণী শিকার আর বিষ দিয়ে মাছ নিধন থেকে শুরু করে প্লাস্টিকের দূষণসহ মানুষের তৈরি নানা পদক্ষেপে ধুঁকছে বিশ্বের বৃহত্তম এই ম্যানগ্রোভ বন।

বহুদিন ধরেই বিশেষজ্ঞরা এ বন ধ্বংসে নানা হুমকির কথা তুলে ধরে এটিকে রক্ষায় সচেতনতার বার্তা দিলেও ‘বিশ্ব ঐতিহ্যের’ এই প্রাণ-প্রকৃতি রক্ষার উদ্যোগ যৎসামান্যই।

এমন পরিস্থিতির মধ্যে আজ রোববার (২৬ জুলাই) পালিত হচ্ছে বিশ্ব ম্যানগ্রোভ দিবস বা শ্বাসমূলীয় বন দিবস। ম্যানগ্রোভ বনের বাস্তুসংস্থানের টেকসই সংরক্ষণ ও ব্যবস্থাপনার বিষয়ে সচেতনতা বৃদ্ধির লক্ষ্যে ২০১৫ সালে জাতিসংঘ শিক্ষা, বিজ্ঞান ও সংস্কৃতি সংস্থা (ইউনেসকো) ২৬ জুলাইকে বিশ্ব ম্যানগ্রোভ দিবস হিসেবে ঘোষণা করে। ২০১৬ সাল থেকে দিবসটি নিয়মিত পালন করা হচ্ছে।
লবণাক্ততা, মাইক্রোপ্লাস্টিক দূষণ ও শিল্পায়নে ‘ধুঁকছে’ সুন্দরবন
দখল-লিজে বিলীন চকরিয়া-সুন্দরবন

ষোড়শ শতাব্দীর প্রখ্যাত ইতিহাসবিদ আবুল ফজল এই বিখ্যাত ‘আইন-ই-আকবরি’ গ্রন্থে সুন্দরবনের সীমানা কুষ্টিয়া ও যশোর পর্যন্ত বিস্তৃত ছিল বলে উল্লেখ করেন। ১৭৭৬ সালে বনটির বাংলাদেশ অংশের ক্ষেত্রফল ছিল প্রায় ১৭ হাজার বর্গকিলোমিটার।

সুন্দরবন পশ্চিম বন বিভাগ, খুলনা এর তথ্য মতে বর্তমানে প্রায় ১০,০০০ বর্গকিলোমিটার বন সুন্দরবন বাংলাদেশের দক্ষিণ-পশ্চিম অংশের খুলনা, বাগেরহাট ও সাতক্ষীরা জেলা এবং ভারতের পশ্চিমবঙ্গ রাজ্যের দক্ষিণ চব্বিশ পরগণা জেলায় অবস্থিত। সুন্দরবনের প্রায় ৬,০১৭ বর্গকিলোমিটার বাংলাদেশে অস্থিত, যার ৬৯% স্থলভাগ ও ৩১% জলভাগ। সুন্দরবন পশ্চিম বন বিভাগের আওতাধীন সুন্দরবনের মোট আয়তন ৩৫৭৩.২৮ বর্গ কিলোমিটার এবং তন্মধ্যে খুলনা জেলাস্থ সুন্দরবনের আয়তন ২০৭২.২৪ বর্গ কিলোমিটার। বাকিটা সাতক্ষীরা জেলাধীন।

পরিবেশ বিশেষজ্ঞদের মতে, সুন্দরবনের একেবারে নিকটবর্তী অঞ্চলে গড়ে ওঠা নানামুখী শিল্প-কারখানা, রামপাল তাপবিদ্যুৎ কেন্দ্র এবং বাণিজ্যিক রিসোর্টগুলো এই ঐতিহ্যবাহী বনের সবচেয়ে বড় ক্ষতি সাধন করছে। এর পাশাপাশি অপরিকল্পিত পর্যটন, প্লাস্টিকজনিত দূষণ, বনের নদীপথ দিয়ে পণ্যবাহী নৌযান চলাচল এবং প্রায়শই জাহাজডুবির ঘটনা পরিস্থিতিকে আরও জটিল করে তুলছে। এমনকি নদীতে বিষ প্রয়োগে মাছ শিকার, মাত্রাতিরিক্ত বনজ সম্পদ আহরণ, গাছ কেটে ফেলা, আগুন দেওয়া ও বন্যপ্রাণী শিকারের মতো কর্মকাণ্ডের মারাত্মক প্রভাব পড়ছে সুন্দরবনের মাটি, পানি ও সমগ্র জীববৈচিত্র্যের ওপর।

সুন্দরবনকে রক্ষায় সরকারের পক্ষ থেকে এর ৫২ শতাংশ অঞ্চলকে অভয়ারণ্য এবং চারপাশের ১০ কিলোমিটার এলাকাকে ‘প্রতিবেশগত সংকটাপন্ন এলাকা’ (ইসিএ) হিসেবে ঘোষণা দেওয়া হয়। পরিবেশ সংরক্ষণ আইনের স্পষ্ট বিধান অনুযায়ী, ইসিএ চিহ্নিত এলাকাগুলোতে যেকোনো ধরনের শিল্প-কারখানা স্থাপন সম্পূর্ণ নিষিদ্ধ। কিন্তু এত বিধিনিষেধ সত্ত্বেও বাস্তবে সেখানকার শিল্পায়ন কোনোভাবেই আটকানো যাচ্ছে না।

বন অধিদপ্তরের নেতৃত্বে সেন্টার ফর এনভায়রনমেন্টাল অ্যান্ড জিওগ্রাফিক ইনফরমেশন সার্ভিসেস (সিইজিআইএস) ও আরণ্যক ফাউন্ডেশনের একটি প্রতিবেদনে দেখা গেছে, কম লবণাক্ত এলাকা হিসেবে পরিচিত বনের শরণখোলা রেঞ্জের তিন থেকে পাঁচ কম্পার্টমেন্টে প্রতি হেক্টরে সুন্দরী গাছের চারার ঘনত্ব ২৫ থেকে ৩৫ হাজার পর্যন্ত। কিন্তু লবণাক্ত সাতক্ষীরা রেঞ্জের কিছু এলাকায় চারার ঘনত্ব হেক্টর কমে পাঁচ হাজারের নিচে নেমেছে। উচ্চ লবণাক্ত হিসেবে পরিচিত রেঞ্জের কমার্টমেন্ট ৫০ বি ও ৫২ এলাকায় সুন্দরীর চারা দেখা যায়নি। সেখানে জন্মাচ্ছে গরান গাছ। চারার ঘনত্ব প্রায় ৫০ হাজার।

পশুর গাছের ক্ষেত্রেও একই চিত্র দেখা গেছে। শরণখোলা রেঞ্জের কিছু এলাকায় চারার সংখ্যা যেখানে হেক্টরপ্রতি ৮০০, সেখানে সাতক্ষীরা রেঞ্জে চারার মাত্র ৩০টির মধ্যে। কোনো কোনো কম্পার্টমেন্টে পশুরের চারা দেখা যায়নি।

লবণাক্ততায় সুন্দরবনের কিছু এলাকায় বৃদ্ধি কমে যাওয়ায় গাছ খর্বাকৃতি ধারণ করছে, যা বনের উচ্চতা কমিয়ে দিচ্ছে। পর্যবেক্ষণ উঠে এসেছে, বনের প্রধান গাছ সুন্দরী কম লবণাক্ত ও মিঠা পানিসমৃদ্ধ এলাকায় প্রায় ২৫ মিটার পর্যন্ত লম্বা হয়। শরণখোলা ও চাঁদপাই রেঞ্জের কিছু এলাকায় সুন্দরী গাছের গড় উচ্চতা ১১ দশমিক ৫ মিটার পর্যন্ত দেখা গেছে। উচ্চ লবণাক্ত সাতক্ষীরা রেঞ্জের কম্পার্টমেন্ট ৫১এ-তে গড় উচ্চতা নেমে এসেছে মাত্র ৩ দশমিক ২৮ মিটারে। গেওয়া ও কাঁকড়া গাছের ক্ষেত্রেও একই চিত্র লক্ষ্য করা গেছে। উচ্চ লবণাক্ত এলাকায় এই গাছগুলো তাদের স্বাভাবিক উচ্চতা অর্জন করতে পারছে না। এসব এলাকায় আধিক্য থাকা গরানের উচ্চতা এমনিতেই কম। ফলে সার্বিকভাবে ওই এলাকায় বনের গড় উচ্চতা কমে যাচ্ছে।

পরিবেশ সংরক্ষণ আইন অনুযায়ী, সুন্দরবনের চারপাশের ১০ কিলোমিটার এলাকাকে প্রতিবেশগত সংকটাপন্ন এলাকা (ইসিএ) ঘোষণা করা হয়েছে। এসব এলাকায় সেখানকার প্রাকৃতিক বৈশিষ্ট্যের ক্ষতি করে কোনো স্থাপনা নির্মাণ কিংবা কোনো কর্মকাণ্ড সম্পূর্ণ নিষিদ্ধ। নিষেধাজ্ঞার তোয়াক্কা না করে গড়ে ওঠা এসব রিসোর্ট বনের পরিবেশের ক্ষতি করছে। রিসোর্টগুলোর আশপাশে পানি, শব্দ ও মাটিদূষণ বাড়ছে। বনের প্রাণীরা ওই এলাকা ছেড়ে চলে যাচ্ছে।

বঙ্গোপসাগর থেকে মোংলা বন্দর পর্যন্ত সুন্দরবনের মধ্যে ১৩১ কিলোমিটার দীর্ঘ পশুর নদ দিয়ে জাহাজ চলাচল করে। মোংলা হয়ে সুন্দরবনের মধ্যে কালিঞ্চি, রায়মঙ্গল, কাচিকাটা, আড়পাঙ্গাশিয়া, বজবজা, আড়ুয়া শিবসা, শিবসা ও পশুর নদ দিয়ে ভারতে আসা-যাওয়া করে জাহাজ। সুন্দরবনের ভেতর দিয়ে ছোটবড় জাহাজ চলাচলের পাশাপাশি জাহাজ ডুবির ঘটনাও ঘটেছে বিভিন্ন সময়। এতে বনের প্রতিবেশ ক্ষতির মুখে পড়ার কথা বলছেন সংশ্লিষ্টরা।

বাগেরহাটের মোংলা এলাকার পরিবেশকর্মীরা বলছেন, সুন্দরবনের ভেতর দিয়ে চলাচলকারী জাহাজের ইঞ্জিনের শব্দ ও হাইড্রোলিক হর্ন বন্যপ্রাণিদের আতঙ্কিত করে তুলছে। আবার এগুলো থেকে নিঃসৃত তেল ও বর্জ্য ছড়িয়ে পড়ছে বনের মধ্যে। এতে দূষিত হচ্ছে মাটি ও পানি। এছাড়া বনের মধ্য দিয়ে চলাচল করা জলযানের পাখার আঘাতে ডলফিন মারা পড়ছে।

বনের মাটি ও পানিতে উদ্বেগজনক হারে মিলেছে মাইক্রোপ্লাস্টিকের উপস্থিতি। খুলনা বিশ্ববিদ্যালয়ের পরিবেশ বিজ্ঞান বিভাগের এক গবেষণায় সুন্দরবনে মাইক্রোপ্লাস্টিক দূষণের এ ভয়াবহ চিত্র পাওয়া গেছে। ২০২০ থেকে ২০২২ সাল পর্যন্ত উপকূলীয় এলাকায় ওই গবেষণায় বনের ছয়টি স্থানের পানি ও মাটি পরীক্ষা করা হয়। পরীক্ষায় সুন্দরবনে প্রতি লিটার পানিতে গড়ে তিনি ২.২২ আইটেম মাইক্রোপ্লাস্টিক পেয়েছেন গবেষকরা। প্রতি কেজি মাটিতে এই পরিমাণ গড়ে ৭৩৪ আইটেম।সুন্দরবনের নৌপথে চলাচলকারী জলযান থেকে পলিথিন, চিপস, চানাচুর, বিস্কুটসহ বিভিন্ন খাবারের প্যাকেট, পানির বোতল, প্লাস্টিকের কাপ, গ্লাস ও প্লেট ফেলে বনের ক্ষতি করছে। বন-সংলগ্ন ৮০টি গ্রাম থেকে ৫২টি নদী-খাল হয়ে জোয়ারের পানিতে বনে ছড়িয়ে পড়ছে প্লাস্টিক।

শরণখোলা রেঞ্জের কম লবণাক্ত কিছু এলাকায় প্রতি হেক্টরে সুন্দরী গাছের ঘনত্ব প্রায় এক হাজার ৭০০টি। তবে তিন থেকে পাঁচ নম্বর কম্পার্টমেন্টে ঘনত্ব দুই হাজার ১০০টির বেশি। বিপরীতে লবণাক্ত এলাকা সাতক্ষীরা রেঞ্জের ৪৬ থেকে ৫১ কম্পার্টমেন্টে প্রতি হেক্টরে সুন্দরী কমে দাঁড়িয়েছে ২০০টিতে। পর্যবেক্ষণে দেখা গেছে, বনে পশুর গাছের বিস্তৃতি বেশ বিক্ষিপ্ত। ৩৪ থেকে ৩৬ নম্বর কম্পার্টমেন্টে পশুর গাছের প্রাচুর্য বেশি। সেখানে হেক্টরপ্রতি ৮৫-৯৫টি গাছ রয়েছে। চারার ক্ষেত্রে এক থেকে সাত কম্পার্টমেন্টে পশুর চারার ঘনত্ব প্রতি হেক্টরে ৬০০-এর বেশি। তবে ৩১ থেকে ৩৭ নম্বর কম্পার্টমেন্টে কিশোর গাছ প্রতি হেক্টরে ৬০-৬৫টি।

খালের একপাশে সুন্দরবন, অন্যপাশে রিসোর্ট। বনের এত কাছে পরিবেশ অধিদপ্তরের অনুমোদন ছাড়াই নির্মাণ করা হয়েছে অন্তত ৩০টি কটেজ-রিসোর্ট। খুলনার দাকোপের কৈলাশগঞ্জ, ঢাংমারী ওবানিশান্তা, বাগেরহাটের মোংলা এবং সাতক্ষীরার শ্যামনগরে সুন্দরবনের পাশে গড়ে উঠেছে এগুলো। সুন্দরবনের বিভিন্ন স্পটে পর্যটকদের যাতায়াত বাড়ার তথ্য দিয়ে বন বিভাগ বলছে, বছরে ২ লাখেরও বেশি দেশি-বিদেশি পর্যটক সুন্দরবন ভ্রমণ করেন। বিশেষজ্ঞরা বলছেন, পর্যটকদের বহনকারী লঞ্চ ও জাহাজের ইঞ্জিনের শব্দ, হাইড্রোলিক হর্ন, নিঃসৃত তেল ও আলো বনের ক্ষতি করছে। বনের মধ্যে পর্যটক, জেলে, বাওয়ালি, মৌয়ালদের অবাধ যাতায়াত বন্যপ্রাণীর আবাসস্থলের জন্য বড় হুমকি।

বাংলাদেশ পরিবেশ আন্দোলনের (বাপা) খুলনা বিভাগীয় সমন্বয়কারী অ্যাডভোকেট বাবুল হাওলাদার  বলেন, ‘এমনিতেই সুন্দরবন বিভিন্ন কারণে বিপদে আছে। এখন নতুন উপদ্রব হয়েছে সুন্দরবনের কোলঘেঁষে গড়ে উঠা রিসোর্ট ও কটেজ। এসব অবৈধ স্থাপনা অপসারণ না করলে সুন্দরবনকে আমাদের হারাতে হবে।’

পরিবেশ অধিদপ্তর খুলনা বিভাগীয় কার্যালয়ের পরিচালক ফজলুল হক বলেন, ‘বনের জন্য ক্ষতিকর কটেজ ও রিসোর্ট বন্ধে পদক্ষেপ নেওয়া হবে।’

সুন্দরবন পশ্চিম বন বিভাগের বিভাগীয় বন কর্মকর্তা এ জেড এম হাছানুর রহমান বলেন, ‘জলবায়ু পরিবর্তনের কারণে সৃষ্ট প্রভাব যেমন লবণাক্ততা বৃদ্ধি বা সমুদ্রপৃষ্ঠের উচ্চতা বৃদ্ধির কারণে বনের বাস্তুসংস্থানে কী ধরনের নেতিবাচক পরিবর্তন আসছে তা গভীরভাবে পর্যবেক্ষণের ‘ইকোলজিক্যাল মনিটরিং অব সুন্দর’ নিয়ে কাজ করা হচ্ছে। কাজটি প্রায় শেষের পথে। এই কাজ শেষ হলে বনের বাস্তুসংস্থান ব্যবস্থাপনায় পরিবর্তন আসবে। সমস্যাগুলো চিহ্নিত করতে পারলে ধীরে ধীরে সমাধানও সম্ভব হবে।’

খুলনা বিশ্ববিদ্যালয়ের পরিবেশবিজ্ঞান বিভাগের অধ্যাপক আবদুল্লাহ হারুন চৌধুরী বলেন, ‘সুন্দরবনের চারপাশকে কেন্দ্র করে অর্থনৈতিক তৎপরতা বেড়ে গেছে। মোংলাসহ আশপাশের এলাকায় নানা শিল্পকারখানা গড়ে উঠছে। বঙ্গবন্ধু চরসহ নতুন জেগে ওঠা চরকে কেন্দ্র করে পর্যটন বাণিজ্যের চেষ্টা চলছে। এর ফলে সুন্দরবনের জীববৈচিত্র্য হুমকিতে পড়েছে।’

সুন্দরবন নিয়ে দুই যুগেরও বেশি সময় ধরে গবেষণা করা খুলনা বিশ্ববিদ্যালয়ের সাবেক উপাচার্য ড. মাহমুদ হোসেন বলেন, ‘অতিরিক্ত লবণাক্ততার কারণে গাছ মাটি থেকে পানি ও পুষ্টি উপাদান শোষণ করতে পারে না এবং তাদের স্বাভাবিক শারীরবৃত্তীয় প্রক্রিয়া ব্যাহত হয়। এ ছাড়া মাটির পানিতে লবণের পরিমাণ গাছের ভেতরের পানির চেয়ে বেশি হওয়ায় অভিস্রবণ প্রক্রিয়ার কারণে গাছ মাটি থেকে পানি টেনে নিতে পারে না। নোনা পানির কর্দমাক্ত মাটিতে অক্সিজেনের অভাব থাকে। ফলে গাছের শ্বাসমূল শ্বাস নিতে হিমশিম খায়।

LEAVE A REPLY

Please enter your comment!
Please enter your name here