এএফসি অনূর্ধ্ব-২০ টুর্নামেন্টের বাছাইপর্ব খেলতে উজবেকিস্তান গেছে বাংলাদেশ অনূর্ধ্ব-২০ ফুটবল দল। ২৭ আগস্ট রাতে দুই ফ্লাইটে রওনা হয়েছে বাংলাদেশ দল। গতকাল উজবেকিস্তান সময় দুপুর ও সন্ধ্যায় বাংলাদেশ কন্টিনজেন্ট তাসখন্দে পৌঁছালেও বাফুফে আনুষ্ঠানিকভাবে কিছু জানায়নি।
বিদেশে কোনো দল পৌঁছানোর পরই মিডিয়ায় বার্তা দেওয়া স্বাভাবিক পেশাদারিত্ব ও রীতি। অনূর্ধ্ব-২০ দল প্রায় ২০ ঘণ্টা আগে উজবেকিস্তানে পৌঁছালেও বাফুফে আনুষ্ঠানিকভাবে কিছু জানায়নি। সিনিয়র নারী ও পুরুষ দলে যেখানে একজন মিডিয়া ম্যানেজার থাকে সেখানে দুই জনকে মিডিয়ার জন্য সংযুক্ত করলেও বাংলাদেশে অবস্থানরত সাংবাদিকরা কোনো খোঁজ পাননি।
মিডিয়া ম্যানেজার হিসেবে যিনি দায়িত্বরত তাকে আবার ম্যানেজার সামিদ কাশেমকে সহায়তার জন্য সহকারী ম্যানেজারও করা হয়েছে। উজবেকিস্তানে দুই জন মিডিয়া দায়িত্বপ্রাপ্ত ছাড়াও দেশে অবস্থান করছেন মিডিয়ার স্থায়ী দুই এক্সিকিউটিভ (নির্বাহী)। তারাও কোনো তথ্য ও ছবি সংগ্রহ করে মিডিয়ায় সরবারহ করার কোনো প্রয়োজন মনে করেনি।
একটি দলের সামগ্রিক দেখভালের দায়িত্ব ম্যানেজারের। দল ভালোমতো পৌঁছানোর পর দেশে সংবাদ দেওয়া এবং সেটা নিশ্চিত করা ম্যানেজারের দায়িত্বের মধ্যেই পড়ে। সাংবাদিকরা এখনো বাফুফে থেকে অনূর্ধ্ব-২০ দলের কোনো সংবাদই জানতে পারেনি। বিভিন্ন সময় ফেসবুকেও দলের যাওয়া ও পৌঁছানোর ছবি কিংবা ভিডিও প্রকাশ করা হয় এবার সেটাও হয়নি।
অনূর্ধ্ব-২০ দল ব্রিটিশ কোচ জেরার্ড জোন্স ও সহকারী কোচ আতিকুর রহমান মিশুর হাতাহাতি ও দূরত্ব নিয়ে আলোচনায়। দুই কোচ দুই ফ্লাইটে গেছেন। দেশ ছাড়ার আগে ম্যানেজার বিবাদ ভুলে সবাই খেলার জন্য প্রস্তুত বলে জানিয়েছিলেন। অথচ উজবেকিস্তান থেকে দেশের উদ্দেশে এখনো কোনো বার্তাই পাঠাতে পারেননি।
এএফসি অ-২০ টুর্নামেন্ট কাভার করতে যাওয়া সাংবাদিকের মাধ্যমে জানা গেছে, বাংলাদেশ দল ফ্লাইট বিলম্ব ও ইমিগ্রেশন সার্ভার সমস্যা হওয়ায় অনেকক্ষণ দাঁড়িয়ে থাকতে হয়েছিল। আজ উজবেকিস্তান সময় সন্ধ্যায় বাংলাদেশ দলের অনুশীলন ও আগামীকাল আনুষ্ঠানিক সংবাদ সম্মেলন।
এ প্রতিবেদন প্রকাশের পর বাফুফের সোশ্যাল মিডিয়া প্ল্যাটফর্মে উজবেকিস্তানে দলের ছবি দিয়ে একটি পোস্ট করা হয়েছে অবশেষে।



