সদ্যসমাপ্ত উপজেলা নির্বাচনে দলীয় পদে থেকে দলীয় প্রার্থীর বিরুদ্ধে যারা নির্বাচন করেছেন তাদের সবাইকে বহিষ্কারের সিদ্ধান্ত নিয়েছে আওয়ামী লীগের কেন্দ্রীয় কার্যনির্বাহী সংসদ।
শুক্রবার প্রধানমন্ত্রীর সরকারি বাসভবন গণভবনে কার্যনির্বাহী সংসদের সভায় এ সিদ্ধান্ত নেয়া হয়। বৈঠকে উপস্থিত একাধিক নেতা বিষয়টি নিশ্চিত করেন।
আর বিদ্রোহী প্রার্থীদের সহায়তা করা মন্ত্রী, এমপি ও প্রভাবশালী নেতাদের কারণ দর্শানো নোটিশ (শোকজ) দেয়া হবে এবং তিন সপ্তাহের মধ্যে এর জবাব দিতে হবে। এছাড়া এসব বিদ্রোহী প্রার্থী ও তাদের সহায়তাকারীদের শনাক্তে কাজ করবে আওয়ামী লীগ সভাপতির গঠিত ৮টি সাংগঠনিক টিম।
অভিযুক্তদের নামের তালিকা চূড়ান্ত করে দ্রুত জমা দিতে টিমগুলোর সমন্বয়কারীদের নির্দেশ দিয়েছেন শেখ হাসিনা।
প্রধানমন্ত্রীর সরকারি বাসভবন গণভবনে শুক্রবার সন্ধ্যায় অনুষ্ঠিত আওয়ামী লীগের উপদেষ্টা পরিষদ ও কেন্দ্রীয় কার্যনির্বাহী সংসদের সভায় এসব সিদ্ধান্ত নেয়া হয়।
দলের দুই সিনিয়র নেতা আমির হোসেন আমু এবং তোফায়েল আহমেদ ধর্ষণের বিরুদ্ধে শক্ত আইন করার আহ্বান জানিয়ে বক্তব্য দেন। দলের সভাপতি শেখ হাসিনা তাদের সঙ্গে একমত পোষণ করে বলেন, সরকার এ নিয়ে ভাবছে।
এছাড়া বৈঠকে শোকের মাস আগস্টের কর্মসূচি চূড়ান্ত করা হয় বলে জানা যায়।









