ধানমন্ডি ক্লাবে অভিযান শেষে র্যাব-২ এর এসপি মো. শাহবুদ্দীন বলেছেন, রাজধানীতে ক্লাবের অন্তরালে মাদক, ক্যাসিনো ও জুয়ার বিরুদ্ধে চলা অভিযানের অংশ হিসেবে ধানমন্ডি ক্লাবে অভিযান পরিচালনা করা হয়। কিন্তু ক্লাবটি বন্ধ থাকায় দুয়েকজন স্টাফ ছাড়া কেউ ছিল না।
তিনি বলেন, এ ক্লাবের একটি বার রয়েছে। তবে ক্লাবটি বন্ধ থাকায় রেজিস্ট্রারের সঙ্গে বারের অনুমোদন অনুযায়ী লিকারের স্টক মিলাতে পারিনি। তাই র্যাব সদর দফতরের নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেট গাউসুল আজম ক্লাবটির বার ২৪ ঘণ্টার জন্য সিলগালা করে দিয়েছেন।
গোয়েন্দা তথ্যের ভিত্তিতে সেখানে শুক্রবার (২০ সেপ্টেম্বর) বিকেল সাড়ে ৪টা থেকে এ অভিযান শুরু করে র্যাব-২। অভিযানের নেতৃত্বে র্যাব-২ এর অধিনায়ক লে. কর্নেল আশিক বিল্লাহ।
র্যাব-২ এর অধিনায়ক আশিক বিল্লাল জানান, শুক্রবার দুপুর দেড়টার দিকে শফিকুল আলমকে জিজ্ঞাসাবাদের জন্য র্যাব হেফাজতে নেওয়া হয়। তিনি কৃষক লীগ কেন্দ্রীয় কমিটির সদস্য।
এর আগে পুরো এলাকা ঘিরে রাখে র্যাব। অভিযানে ভেতরের কাউকে বাইরে আসতে দেয়া হয়নি। এমনকি বাইরের কোনো লোকজনকে ভেতরে প্রবেশ করতে দেয়া হয়নি।
র্যাব সূত্র জানায়, কলাবাগান ক্রীড়াচক্রের ক্লাবে ক্যাসিনো ও জুয়ার আসর চলার অভিযোগ রয়েছে। এমন খবরে এখানে অভিযানে নামে র্যাব।









