জাপানে গত পঞ্চাশের দশকের পর সর্বোচ্চ শক্তিশালী টাইফুন হাগিবিস আঘাত হেনেছে। এ ঘটনায় এখন পর্যন্ত ১৯ জনের মৃত্যু হয়েছে। এছাড়া আরও বহু মানুষ এখনও নিখোঁজ রয়েছে। এতে করে জাপানের বিভিন্ন এলাকা লন্ডভন্ড হয়ে গেছে। ইতোমধ্যেই টাইফুনের প্রভাবে দেশের বিভিন্ন অঞ্চলে ভারী বৃষ্টিপাত ও আকস্মিক বন্যা পরিস্থিতি তৈরি হয়েছে।
স্থানীয় সময় সন্ধ্যা ৭টার কিছু আগে রাজধানী টোকিওর দক্ষিণ পশ্চিমাঞ্চলীয় ইজু দ্বীপে ঘূর্ণিঝড়ের প্রভাবে ভূমিধস আঘাত হেনেছে। সেখানে উদ্ধার অভিযান চলছে। দেশজুড়ে ২৭ হাজার প্রতিরক্ষা বাহিনীর সদস্য মোতায়েন করেছে প্রতিরক্ষা মন্ত্রণালয়।
স্থানীয় পত্রিকা কিয়োদোর এক প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, এর প্রভাবে এখন পর্যন্ত শতাধিক মানুষ নিখোঁজ রয়েছে। এছাড়া আরও ৯০ জন আহত হয়েছেন। এদিকে এই শক্তিশালী টাইফুন আছড়ে পড়ার আগেই জাপানের পূর্ব উপকূলের হনশু দ্বীপে ৫ দশমিক ৭ মাত্রার ভূমিকম্প আঘাত হেনেছে। শক্তিশালী টাইফুনের প্রভাবে স্থবির হয়ে পড়েছে রাজধানী টোকিও।

সর্তকতার সার্থে এর আগেই কয়েক লাখ মানুষকে নিরাপদে সরিয়ে নেয়া হয়েছে। জাপান টাইমসের এক প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, চিবা, গানমা, ফুকুসিমা, টোচিগি এবং কানাগাওয়া এলাকায় এ নয়জনের মৃত্যু হয়। এছাড়া আরও ১৫ জন নিখোঁজ রয়েছে।
গত ৬০ বছরের ইতিহাসে এটাই সবচেয়ে শক্তিশালী টাইফুন। এখন এই ঝড়টি জাপানের মূল ভূখণ্ডের পূর্বাঞ্চলীয় উপকূলের দিকে অগ্রসর হচ্ছে। ঘূর্ণিঝড়ের প্রভাবে ঘণ্টায় ২২৫ কিলোমিটার বেগে প্রচণ্ড ঝোড়ো বাতাস বয়ে যাচ্ছে। জাপানের রাষ্ট্রীয় গণমাধ্যম এনএইচকের এক প্রতিবেদনে জানানো হয়েছে, শক্তিশালী টাইফুনের প্রভাবে দুই লাখ ৭০ হাজারের বেশি বাড়ি-ঘর বিদ্যুৎ বিচ্ছিন্ন অবস্থায় রয়েছে।
ঘূর্ণিঝড় আছড়ে পড়ার আগেই সরকার এক সতর্কবার্তা জারি করে বলেছে, ১৯৫৮ সালের পর সর্বোচ্চ শক্তিশালী সুপার টাইফুন জাপানে আঘাত হানতে যাচ্ছে।









