সরকারি নানা উদ্যোগেও কমছে না নিত্যপ্রয়োজনীয় এই পণ্যটির দাম। এতে ভোগান্তিতে পড়েছে স্বল্পআয়ের মানুষ। অবস্থা এমন যে, বাজার থেকে শুরু করে অফিস-আদালত সব জায়গায় এখন আলোচনার বিষয় হয়ে দাঁড়িয়েছে ‘পেঁয়াজ’।
খুচরা বাজারে বুধবার পেঁয়াজের কেজি ছিল ১৬০ টাকা। এদিকে বৃহস্পতিবার সকালের দিকে পাইকারি আড়তে পেঁয়াজের কেজি ১৮০ টাকা বিক্রি হলেও বেলা ১২টার দিকে দাম কেজিতে ১০ বেড়ে ১৯০ টাকা হয়েছে। অর্থাত্ ৪ ঘণ্টার ব্যবধানে মণ প্রতি ৪০০ টাকা বেড়ে গেছে।
ক্রেতাদের প্রশ্ন, আর কত বাড়বে পেঁয়াজের দাম। দাম এত বাড়ার কারণ কী? বিক্রেতাদের জবাব, বেশি দাম দিয়ে কেনা বলেই বেশি দামে বিক্রি করতে হচ্ছে। কিন্তু এর দাম নিয়ন্ত্রণে বাণিজ্যমন্ত্রীর আশ্বাস পেলেও বাস্তবে তার কোনো প্রয়োগ দেখা যাচ্ছে না।
গতকাল বুধবার বিকালে মিরপুরের পীরেরবাগ কাঁচাবাজারে গিয়ে দেখা গেছে, দেশি ক্রস জাতের পেঁয়াজ ১৭০ টাকা কেজি বিক্রি হলেও বাছাই করা ভালো মানের পেঁয়াজের দাম চাওয়া হয় প্রতিকেজি ২০০ টাকা।
এ বিষয়ে কনজ্যুমার অ্যাসোসিয়েশন অব বাংলাদেশ (ক্যাব) সভাপতি গোলাম রহমান বলেন, ব্যবসায়ীরা সবসময়ই সুযোগসন্ধানী। অতি মুনাফালোভী ব্যবসায়ীরা সুযোগ পেলেই তা লুফে নেন। সেটি যৌক্তিক না অযৌক্তিক, সে বিষয়ে মাথা ঘামান না-এটি ঘোর অন্যায়। ভোক্তাদের সঙ্গে প্রতারণা করছেন তারা।









