জিয়া চ্যারিটেবল ট্রাস্ট দুর্নীতি মামলায় সাত বছরের কারাদণ্ডপ্রাপ্ত বিএনপি চেয়ারপারসন খালেদা জিয়ার স্বাস্থ্যগত অবস্থার বিষয়ে জানতে মেডিকেল বোর্ডের রিপোর্ট চেয়েছেন সুপ্রিম কোর্টের আপিল বিভাগ। আগামী ৫ ডিসেম্বরের মধ্যে বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিব মেডিকেল বিশ্ববিদ্যালয়কে (বিএসএমএমইউ) এ প্রতিবেদন দাখিল করতে হবে। সেই সঙ্গে ওই দিন পরবর্তী শুনানির জন্য দিন ধার্য করা হয়েছে।
বৃহস্পতিবার প্রধান বিচারপতি সৈয়দ মাহমুদ হোসেনের নেতৃত্বে আপিল বিভাগের পূর্ণাঙ্গ বেঞ্চ এই আদেশ দেন। আদালতে খালেদা জিয়ার পক্ষে শুনানিতে ছিলেন অ্যাডভোকেট খন্দকার মাহবুব হোসেন, ব্যারিস্টার মওদুদ আহমদ ও অ্যাডভোকেট জয়নুল আবেদীন। দুদকের পক্ষে ছিলেন খুরশীদ আলম খান।
আদেশের পর অ্যাটর্নি জেনারেল মাহবুবে আলম বলেন, আগামী ৫ ডিসেম্বর মেডিকেল বোর্ডকে খালেদা জিয়ার চিকিৎসা-সংক্রান্ত প্রতিবেদন দাখিল করতে নির্দেশ দিয়েছেন আপিল বিভাগ।
এর আগে শুনানিতে জয়নুল আবেদীন বিএনপির চেয়ারপারসন খালেদা জিয়ার শারীরিক অবস্থা, বয়স ও মানবিক দিক বিবেচনার কথা জানিয়ে তার জামিনের আরজি জানান। খালেদা জিয়ার চিকিৎসায় ৭ অক্টোবর একটি মেডিকেল বোর্ড গঠিত হয়। ৩০ অক্টোবর বোর্ডের প্রতিবেদনের তথ্য সংগ্রহ করেছেন বলে আদালতকে জানান জয়নুল আবেদীন।
অনানুষ্ঠানিকভাবে পাওয়া এই প্রতিবেদনে খালেদা জিয়ার উন্নত থেরাপির কথা বলা আছে বলে দাবি করেন জয়নুল আবেদীন।
এ অবস্থায় আদালত বলেন, তাহলে আমরা মেডিকেল রিপোর্ট আগে দেখি, পরে সিদ্ধান্ত। গত বছরের ২৯ অক্টোবর জিয়া চ্যারিটেবল ট্রাস্ট দুর্নীতি মামলার রায় ঘোষণা করেন ঢাকার বিশেষ জজ আদালত-৫-এর বিচারক। রায়ে খালেদা জিয়াকে ৭ বছরের কারাদণ্ড ও ১০ লাখ টাকা অর্থদণ্ড করা হয়।
জিয়া অরফানেজ ট্রাস্ট দুর্নীতি মামলায় খালেদা জিয়াকে গত বছরের ৮ ফেব্রুয়ারি পাঁচ বছর কারাদণ্ড দেন বিচারিক আদালত। সেদিন থেকে কারাগার আছে সাবেক এই প্রধানমন্ত্রী। তিনি চিকিৎসার জন্য বর্তমানে বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিব মেডিকেল বিশ্ববিদ্যালয় হাসপাতালে চিকিৎসাধীন রয়েছেন।









