সারাদেশে তাপমাত্রা কমে এসেছে। জেঁকে বসেছে তীব্র শীত। বছরের প্রথমবারের মতো বইছে শৈত্যপ্রবাহও। আবহাওয়া অধিদফতর বলছে, রাজশাহী, পাবনা, নওগাঁ, কুড়িগ্রাম, নীলফামারী, যশোর ও চুয়াডাঙ্গা – এই সাত অঞ্চলের ওপর দিয়ে মৃদু শৈত্য প্রবাহ বয়ে যাচ্ছে এবং তা বিস্তার লাভ করতে পারে।
বৃহস্পতিবার (১৯ ডিসেম্বর) সকাল ৬টায় জেলার তাপমাত্রা রেকর্ড করা হয়েছে ৮ ডিগ্রি সেলসিয়াস। তবে, তাপমাত্রা আরও কমতে পারে বলে জানিয়েছে আবহাওয়া অফিস। কুয়াশা না থাকায় সকালে সূর্যের দেখা মিললেও কমছে না শীতের তীব্রতা। দিনের তাপমাত্রা কিছুটা সহনীয় হলেও হ্রাস পাচ্ছে রাতের তাপমাত্রা। শীতল বাতাস বাড়িয়ে দিচ্ছে মানুষের ভোগান্তি। সবচেয়ে বেশি দুর্ভোগে আছে খেটে খাওয়া ছিন্নমূল মানুষ।
আবহাওয়া অধিদফতরের সর্বশেষ তথ্য অনুযায়ী, সর্বনিম্ন তাপমাত্রা বিরাজ করছে চুয়াডাঙ্গায় ৭ দশমিক ৯ ডিগ্রি সেলসিয়াস। এরপর পাবনার ঈশ্বরদীতে ৮ দশমিক ৮ ডিগ্রি, যশোরে ৯ দশমিক ২ ডিগ্রি, বদলগাছীতে ৯ দশমিক ৫ ডিগ্রি এবং রাজশাহীতে ৯ দশমিক ৪ ডিগ্রি, নীলফামারীর সৈয়দপুরে ১০ ডিগ্রি, দিনাজপুরে ১০ দশমিক ১ ডিগ্রি, তেঁতুলিয়ায় ও ডিমলায় ১০ দশমিক ৭ ডিগ্রি, টাঙ্গাইলে ১০ দশমিক ৬ ডিগ্রি, ফরিদপুরে ১০ দশমিক ৮ ডিগ্রি সেলসিয়াস তাপমাত্রা রেকর্ড হয়েছে।
আর ঢাকায় সর্বনিম্ন তাপমাত্রা নেমে এসেছে ১৩ ডিগ্রি সেলসিয়াসে এবং সর্বোচ্চ তাপমাত্রা ২০ ডিগ্রি সেলসিয়াস।
শীতের তীব্রতায়, বিশেষ করে জেলার ডিমলা উপজেলার চরলাঞ্চের মানুষ আগুন জ্বালিয়ে শীত নিবারণের চেষ্টা করছে।









