ফ্রান্সের রাজনৈতিক সঙ্কটের কারণে সামরিক সহায়তা পেতে সমস্যায় পড়তে পারে ইউক্রেন। ফরাসি প্রেসিডেন্ট ইমানুয়েল ম্যাক্রোঁর প্রতিশ্রুতি সত্ত্বেও বুধবার (৪ ডিসেম্বর) দেশটিতে সরকার পতন ও বাজেট পাসে ব্যর্থতার কারণে কিয়েভের সহায়তা প্রাপ্তি নিয়ে আশঙ্কা দেখা দিয়েছে। ব্রিটিশ বার্তাসংস্থা রয়টার্স এ খবর জানিয়েছে।
বুধবারের অনাস্থা ভোটের আগে লে পারিসিয়েনের সাংবাদিককে প্রতিরক্ষামন্ত্রী সেবাস্তিয়েন লেকর্নু বলেন, ইউক্রেনে সহায়তার বড় অংশটি আসে ফরাসি সেনাবাহিনীর পুরানো সরঞ্জাম স্থানান্তরের মাধ্যমে। এরপর সেনাবাহিনীর জন্য নতুন সরঞ্জাম ক্রয় করা হয়। নতুন সরঞ্জাম ক্রয়ের পরিমাণ হ্রাস পেলে ইউক্রেনে সহায়তার ক্ষেত্রে তার প্রভাব পড়বে।
নভেম্বরে প্রায় দুহাজার ইউক্রেনীয়কে প্রশিক্ষণ দিয়েছে ফ্রান্স। এছাড়া, কিয়েভকে সাঁজোয়া যান, সিজার হাউইটজার কামান, অ্যান্টি-ট্যাঙ্ক মিসাইল ইউনিট, সারফেস টি এয়ার মিসাইল ও যুদ্ধক্ষেত্রের রাডার সরবরাহ করা হয়েছে।
জব্দকৃত রুশ তহবিল ব্যবহার করে সম্প্রতি ইউক্রেনে নতুন ক্ষেপণাস্ত্র পাঠিয়েছিল ফ্রান্স। এছাড়া, ২০২৫ সালের প্রথম প্রান্তিকে মিরাজ যুদ্ধবিমান সরবরাহের পরিকল্পনা ছিল তাদের।
এর আগে অক্টোবরে, লেকর্নু বলেছিলেন, ২০২৪ সালের জন্য প্রতিশ্রুত তিনশ কোটি ইউরো সহায়তার লক্ষ্য পূরণে ব্যর্থ হবে প্যারিস। এই সহায়তার পরিমাণ দুশ কোটি ইউরোর উপরে থাকবে বলে আশা করা হচ্ছে।
তিনি আরও বলেছেন, ২০২৫ সালের বাজেট পাস না হওয়ায় ২০২৪ সালের বাজেট সামনের বছর পুনরায় প্রয়োগ হবে। এর ফলে প্রতিরক্ষা বাজেট ৫০ বিলিয়ন ইউরোর লক্ষ্যমাত্রা পূরণে ব্যর্থ হতে পারে। এতে সেনাবাহিনী ৩৩০ কোটি ইউরোর সঙ্কটে পড়তে পারে।





