বলিউডের প্রখ্যাত অভিনেতা নানা পাটেকার প্রথাগত রীতিনীতির তোয়াক্কা না করে ইসলাম ও আজানের প্রতি নিজের ভালোবাসার কথা প্রকাশ করে সবাইকে চমকে দিয়েছেন।
ভারতীয় গণমাধ্যমের তথ্যমতে, নাতির জন্মের পর নানা পাটেকার হিন্দুধর্মীয় প্রথা অনুযায়ী নামকরণের আনুষ্ঠানিকতা পালনের পরিবর্তে মহারাষ্ট্রের একটি মাদ্রাসার শিক্ষককে ডেকে শিশুটির কানে আজান শোনানোর ব্যবস্থা করেন।
শুধু তাই নয়, তিনি ওই মাদ্রাসার ১২০ জনেরও বেশি শিশুর জন্য নতুন পোশাক উপহার হিসেবে পাঠান, তাদের জন্য উন্নতমানের খাবারের আয়োজন করেন এবং এমনকি নিজে সেই শিশুদের সাথে বসে খাবারও খান।
নানা পাটেকার জানান, আজানের অর্থ বা মর্মার্থ বোঝার পর তাঁর হৃদয়ে এক অদ্ভুত প্রশান্তি অনুভূত হয়েছিল। ঠিক এই কারণেই জীবনের শুরুতেই তিনি তাঁর নাতিকে এই পবিত্র ধ্বনি বা আজান উপহার হিসেবে দিয়েছেন।
হিন্দু কট্টরপন্থী মহলে তাঁর এই কাজ নিয়ে সমালোচনা শুরু হলে নানা পাটেকার নির্ভয়ে ও দ্বিধাহীনভাবে জবাব দেন, “আমি নিজের উপার্জনে ও নিজের শর্তে জীবনযাপন করি; আমি কারও পরোয়া করি না।”
সত্যি কথা হলো, মানুষ যখন কুসংস্কারের অন্ধত্ব দূর করে সত্য ও শান্তির সন্ধানে বেরিয়ে পড়ে, তখন পৃথিবীর কোনো সমালোচনাই তার চিন্তাধারাকে প্রভাবিত করতে পারে না।









