মুন্সীগঞ্জ-গজারিয়া ফেরি সার্ভিস উদ্বোধন করবেন প্রধানমন্ত্রী

0
224
মুন্সীগঞ্জ প্রতিনিধিঃ মুন্সীগঞ্জে সদরের সাথে গজারিয়া উপজেলার ফেরি সার্ভিস আনুষ্ঠানিকভাবে আগামীকাল উদ্বোধন হতে যাচ্ছে। প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা সকালে গণভবন থেকে ভিডিও কনফারেন্সের মাধ্যমে আনুষ্ঠানিকভাবে এ কর্মসূচির উদ্বোধন করার কথা রয়েছে।
মুন্সীগঞ্জ-গজারিয়া ফেরিঘাট ও ফেরিসার্ভিস উদ্বোধন করা হলে ঢাকা-চট্টগ্রাম মহাসড়কের সঙ্গে দণিবঙ্গের ২১টি জেলার বিকল্প সংযোগ হিসেবে বিবেচিত হবে। এ রুটের দূরত্ব প্রায় দুই কিলোমিটার এবং ফেরি পারাপারে সময় লাগবে ৩৫ মিনিট।
ইতোমধ্যে মুন্সীগঞ্জ ও গজারিয়া ফেরিঘাটে দুটি পল্টুন স্থাপন করা হয়েছে। বিআইডব্লিউটিসি কর্তৃক নির্মিত ‘স্বর্ণচাপা’ মিনি ইউটিলিটি টাইপ ফেরির মাধ্যমে মুন্সীগঞ্জ-গজারিয়া ফেরি সার্ভিস চালু করার উদ্যোগ নেওয়া হয়েছে। ভবিষ্যতে এ রুটে যানবাহন সংখ্যা বৃদ্ধি পেলে ফেরির সংখ্যাও বৃদ্ধি করা হবে। নৌ-মন্ত্রণালয়ের সিনিয়র তথ্য কর্মকর্তা জাহাঙ্গীর আলম খান স্বারিত এক প্রেস বিজ্ঞপ্তিতে এ তথ্য জানানো হয়েছে।
২০১৬ সালে প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা ভিডিও কনফারেন্সে এর মধ্য দিয়ে মুন্সীগঞ্জ-গজারিয়া নৌপথে ফেরি সার্ভিস চালু করার জন্য নৌ-পরিবহন মন্ত্রীকে নির্দেশ দেন। এরপরই গজারিয়ার সঙ্গে মুন্সীগঞ্জ জেলা সদরের সড়ক যোগাযোগ ব্যবস্থা বাস্তবায়নের ল্েয ফেরি সার্ভিস চালু করার উদ্যোগ নেয় নৌপরিবহন মন্ত্রণালয়।
নৌপথে মুন্সীগঞ্জ জেলা শহর থেকে গজারিয়া উপজেলার দূরত্ব সাত কিলোমিটার। তবে গাড়ি নিয়ে ৫০ কিলোমিটার সড়কপথ ঘুরে গজারিয়ায় যেতে হয়। দীর্ঘদিনের দাবির পর অবশেষে মুন্সীগঞ্জ থেকে গজারিয়া পর্যন্ত সরাসরি ফেরি সার্ভিস চালু হতে যাচ্ছে। এতে করে দ্রুত ওই উপজেলায় যেতে পারবেন বিভিন্ন শ্রেণি-পেশার মানুষ।
মুন্সীগঞ্জ জেলা প্রশাসক সায়লা ফারজানা জানান, প্রধান মন্ত্রীর নির্দেশনা অনুযায়ি আগামী তিন তারিখ ফেরি সার্ভিস উদ্ধোধন করার ল্েয ইতি মধ্যে সকল প্রস্তুতি সম্পন্ন করা হয়েছে। উদ্ধোধনের পর ৪ তারিখ থেকেই স্বাভাবিক ভাবে সকল প্রকার যানবাহন চলাচল করতে পারবে।
স্থানীয়রা জানান, ফেরি সার্ভিস চালু হওয়ার ফলে জেলা শহরের সাথে গজারিয়া উপজেলার যোগাযোগ স্থাপনে বিশেষ ভূমিকা রাখবে। দীর্ঘ দিনের দাবী ফেরি সার্ভিস চালুর ফলে উৎসব মুখর পরিবেশ বিরাজমান করছে জেলাজুড়ে।
গজারিয়ায় ক্রমবর্ধমান অর্থনৈতিক কর্মকাণ্ড, বাস্তবায়নাধীন শিল্প পার্ক, গার্মেন্টস ও কয়লা ভিত্তিক বিদ্যৎ উৎপাদন কেন্দ্রের বিষয়গুলোর গুরুত্ব বিবেচনায় ভবিষ্যতের জন্য এ ফেরি সার্ভিস চালু করা গুরুত্বপূর্ণ। বিশেষ করে পদ্মা সেতু নির্মিত হলে চট্টগ্রাম বন্দরের সঙ্গে মোংলা ও পায়রা বন্দরে যোগাযোগের প্রবেশদ্বার হবে গজারিয়া-মুন্সীগঞ্জ নৌ-ফেরি সার্ভিস রুট।

LEAVE A REPLY

Please enter your comment!
Please enter your name here