নকল স্মার্টফোন চেনার উপায়

0
307

নতুন স্মার্টফোন কেনার ক্ষেত্রে সবসময়ই যাচাই করে নেওয়া উচিত। এক্ষেত্রে প্রথমে বাইরের ডিজাইনগত দিকটি যাচাই করে নেওয়ার পরে ফোনটি চালু করে হার্ডওয়্যার এবং সফটওয়্যারগত বিষয়গুলো মিলিয়ে নিতে হবে।

এক্ষেত্রে গুরুত্বপূর্ণ বেশ কিছু অ্যাপ রয়েছে, যা দিয়ে মূলত স্মার্টফোনে ব্যবহৃত হার্ডওয়্যারগুলো (যেমন- প্রসেসর, জিপিইউ, ক্যামেরা সেন্সর ইত্যাদি) যাচাই করে নেওয়া সম্ভব।

স্মার্টফোনের ক্ষেত্রে সহজেই আসল-নকল যাচাই করার জন্য সিপিইউ-জেড অ্যাপটি বেশ গুরুত্বপূর্ণ। অফিসিয়াল বৈশিষ্ট্যের সঙ্গে মিলিয়ে নেওয়ার জন্য নতুন ফোনের ক্ষেত্রে ‘সিপিইউ-জেড পরীক্ষা’ করে নেওয়া যেতে পারে।

ফোনটিতে ব্যবহৃত প্রসেসর, ক্যামেরাসহ যাবতীয় সবকিছু সম্পর্কে এই সিপিইউ-জেড অ্যাপের মাধ্যমে জেনে নেওয়া সম্ভব। প্লে স্টোর থেকে খুব সহজেই অ্যাপটি ডাউনলোড করে নেওয়া যায়।

বিভিন্ন ধরনের বেঞ্চমার্ক পরীক্ষা
বর্তমানে কম্পিউটারের পাশাপাশি স্মার্টফোনের গতি এবং সক্ষমতা যাচাই করার জন্য বেঞ্চমার্ক পরীক্ষা করে নেওয়ার জন্য নানা ধরনের অ্যাপ রয়েছে। এই সব অ্যাপের মাধ্যমে স্মার্টফোনের প্যারফর্মেন্সগত একটি স্কোর পাওয়া যায়।

অফিশিয়াল স্কোরের সঙ্গে ব্যবহৃত ফোনের স্কোর সামঞ্জস্যপূর্ণ হলে ফোনটি নিয়ে চিন্তার কিছু নেই। তবে এই দুই স্কোরের মধ্যে সামঞ্জস্যবিহীন পার্থক্য থাকলে ফোনের মৌলিকত্ব নিয়ে প্রশ্ন দেখা দেয়। গুগল প্লে স্টোর থেকে এ ধরনের বেঞ্চমার্ক ভিত্তিক অ্যাপগুলো পাওয়া সম্ভব।

আইএমইআই যাচাই
প্রত্যেক ফোনের একটি নিজস্ব এবং স্বতন্ত্র আইএমইআই (International Mobile Equipment Identity) নম্বর থাকে। এই আইএমইআই নম্বরের মাধ্যমে জরুরি ক্ষেত্রে চুরি হয়ে যাওয়া ফোন লক, ইরেজ এবং ক্ষেত্রবিশেষে শনাক্ত করা সম্ভব।

উপরে উল্লেখ করা যাবতীয় পদ্ধতির মাধ্যমে ক্লোন বা নকল ফোন শনাক্ত করা গেলেও একমাত্র আইএমইআই যাচাই করার মাধ্যমে স্মার্টফোনটি ব্ল্যাকলিস্টের অন্তর্ভুক্ত কি না, এই বিষয়টি শনাক্ত করা সম্ভব।

বিভিন্ন অনলাইন পেইড সাইটের মাধ্যমে স্মার্টফোনের জন্য আইএমইআই ভিত্তিক নানা সেবা পাওয়া সম্ভব। *#০৬# ডায়াল করে সহজেই স্মার্টফোনগুলোর স্বতন্ত্র এই আইএমইআই নম্বরগুলো আমরা জেনে নিতে পারি।

LEAVE A REPLY

Please enter your comment!
Please enter your name here