অভিনেতা আবদুল মতিনের ৩০তম মৃত্যুবার্ষিকী আজ

0
170

অঞ্জন রহমান: আমি তাঁর ব্যর্থপুত্র অনজন রহমান। প্রতি গুণীজন ভাষাসৈনিক, মুক্তিযোদ্ধা ও শহীদের‍া বেঁচে আছে তাঁদের সন্তান এবং পরিবারের উদ্যোগে। বাকী কারো কোন দায়িত্ব নেই।

আলতাফ মাহমুদের কথা মনে করিয়ে দেয় শাওন মাহমুদ আর তাঁর মা, জহির রায়হানের কথা মনে করিয়ে দিতো অভিনেত্রী সুমিতা দেবী অনল রায়হান, শহিদুল্লাহ কায়সারের কথা মনে পড়ে পান্না কায়সার আর শমী কায়সারকে দেখে।

৫২’র ভাষা আন্দোলনে বেতারে হরতালের আহ্বায়ক এবং ৪দিন পর যোগদানের দিন বেতারের লগবুক’এ পুরো অনুষ্ঠানের সূচী বাংলায় লেখা। পত্রিকান্তে প্রকাশিত সেটাই সরকারি খাতায় সর্বপ্রথম বাংলালেখা।স্বাধীনতা আন্দোলনে ‘বিক্ষুব্দ শিল্পী সমাজের যুগ্ম আহবায়ক,বীরমুক্তিযোদ্ধা ন‍াসির উদ্দিন ইউসুফ বাচ্চুর আহবানে ৭১’ ১৬ডিসেম্বর ’অচল বেতার সচল করার একমাত্র সহায়ক ……আরো অনেক কিছু। আবদুল মতিন সম্পূর্ণ সংস্কৃতিতে মোড়া একজন মানুষ।

কিন্তু আমি আমার ৩১বছর সাংবাদিকতা জীবনে এবং আমার বড়ভাই অভিনেতা আবদুর রাতিন দীর্ঘ ৪২বছর এই সংস্কৃতি চর্চা-উন্নয়নে কাজ করেও বাবা আবদুল মতিনের অবদানের মূল্যায়নে মহামান্যদের দৃষ্টি আকর্ষণ করতে পারে নাই।

বাবাও সার্টিফিকেট সর্বশ্য হতে চান নাই। নি:স্বার্থ ভাবে দেশ এবং দেশের সংস্কৃতির উন্নয়নে কাজ করে গেছেন …..

অভিনয় শিল্পী মরহুম আবদুল মতিনের আত্মার শান্তির জন্য দোয়া করবেন এবং তিনি যেন স্বর্গবাসি হোন। আমীন।

LEAVE A REPLY

Please enter your comment!
Please enter your name here