মেয়েদের হোস্টেলের ঘর এবং বাথরুমে গোপন ক্যামেরা রেখে অন্তরঙ্গ মূহূর্তের ছবি তোলার অভিযোগে গ্রেপ্তার করা হল এক ব্যক্তিকে।
প্লাগ-সকেটের ভিতর ক্যামেরা। বাল্বের ভিতর ক্যামেরা। হ্যাঙ্গারে ক্যামেরা। এমনকি বাথরুমেও ক্যামরা। এসব ক্যামরা ব্যবহার করে যুবতীদের গোপনে ভিডিও করা হতো। সেই ভিডিও পরবর্তীতে পাঠানো হতো মোবাইল ও ল্যাপটপে। ভারতের চেন্নাইয়ের একটি মহিলা হোস্টেলের ঘটনা এটি। দীর্ঘদিন ধরে এসব ক্যামরার অস্তিত্ব টের পায়নি যুবতীরা।
সম্প্রতি বাথরুমের একটি প্লাগ সকেট খুলে পড়ে। আর তখনই যুবতীরা দেখতে পায় সকেটের ভেতরে ক্যামরা। এরপরই তোলপাড় শুরু হয়।
জানা গিয়েছে, ইঞ্জিনিয়ারিং পাশের পর সম্পত চেন্নাইয়ে এসে রিয়েল এস্টেটের ব্যবসা শুরু করে। কিন্তু তাতে লোকসান হওয়ায় আন্না নগরে এক ব্যক্তির কাছ থেকে একটি দু’তলা বাড়ি ভাড়া নেয়। বাড়ির মালিককে জানায়, স্ত্রী এবং সন্তানকে নিয়ে সে সেখানে থাকবে।
কিন্তু আদপে একটি মেয়েদের হোস্টেল খুলে ফেলে সে। মাসিক সাত হাজার টাকায় ছ’জন মহিলা সেখানে থাকতেও শুরু করেন। আর এরপরই শুরু হয় সম্পতের আসল কীর্তি।
এই ক্যামেরা ৫০০ ঘন্টা পর্যন্ত স্ট্যান্ডবাই থাকে। তবে শব্দ হওয়ার সঙ্গে সঙ্গে তা সক্রিয় হয় এবং ভিডিও রেকর্ডিং শুরু করে। একটানা ৪ ঘন্টা পর্যন্ত ভিডিও ফুটেজ রেকর্ড করতে পারে তা। সম্পদের কাছে বাসার বিকল্প চাবি ছিলো। তিনি কিছুদিন পরপর বাসায় প্রবেশ করে ভিডিওগুলো সংগ্রহ করে নিজের মোবাইল ও ল্যাপটপে পাঠিয়ে দিতেন।
এ বিষয়ে আদাম্বাক্কামের পুলিশ ইন্সপেক্টর মুরালি বলেছেন, সম্পদ রাজ নিজে ইঞ্জিনিয়ারিং গ্রাজুয়েট হওয়ার কারণে নিজেই ওই ক্যামেরাগুলো প্রতিস্থাপন করেন, যাতে অন্য কেউ এ সম্পর্কে জানতে না পারেন। তিনি বাথরুমে প্রতিস্থাপন করেন সাউন্ড-এক্টিভেটেড ক্যামেরা। এর ফলে বাথরুমে দরজা খোলার বা পানি ছাড়ার শব্দ হলেই ওই ক্যামেরা একা একা সক্রিয় হয়ে পড়তো।




