হিজলা স্যান্ডির সাথে হিরো আলমের গোপন ভিডিও ভাইড়াল!

0
463

মূলত নিজের তৈরি বিভিন্ন মিউজিক ভিডিও দিয়ে আলোচনায় আসেন হিরো আলম। এ মিউজিক ভিডিওগুলো সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে ভাইরাল হলে সেগুলো নিয়ে ব্যাপক আকারে ট্রল হতে থাকে। এ থেকেই দেশের গণ্ডি পেরিয়ে বিদেশেও পরিচিতি পেয়ে যান হিরো আলম।

এদিকে বিয়ে করলেন স্যান্ডি সাহা, কি ভাবতেই অবাক লাগছে তো ।কিন্তু এটাই সত্যি অর্থাৎ তার নিজস্ব ফেসবুক অ্যাকাউন্ট থেকে এমনই বার্তা দিল সে, কিন্তু পাত্র কে , সেটা জানলে আরও অবাক হবেন আপনারা , তিনি আর কেউ নন তিনি হিরো আলম । অর্থাৎ পাত্রী স্যান্ডি ও পাত্র হিরো আলম । এই দুজন এমন মানুষ যাদেরকে নিয়ে জনগন প্রচুর খিল্লি করে, কিন্তু এরা সোশ্যাল মিডিয়ায় তাদের নিজস্ব ভিডিও পোস্ট করলে তা দেখেই ছাড়ে জনগন ।

জানা গিয়েছে, প্রায় মাসখানেক আগে স্যান্ডি বাংলাদেশে গিয়েছিলেন , সেখানে গিয়েই হিরো আলমের সাথে পরিচয় হয় তার । হিরো আলমের সাথে ভিডিও তৈরি করে সে । তারপর প্রিয়ার প্রকাশের ভিডিও ভাইরাল হলে সেটা অনুকরণে তারাও ভিডিও তৈরি করে, প্রচুর ভাইরাল হয় , এখনও মাঝে মাঝে সেই ভিডিও পোস্ট ভেসে ওঠে । কিন্তু আজ তার ফেসবুক বিয়ের স্ট্যাটাস দিলেও তিনি কিন্তু একটা অন্য অর্থ বুঝিয়ে দিলেন যে হিরো আর আমি কত ভালো বন্ধু । তাই আমরা team independent তরফ থেকে বলব সমাজে মানুষ থাকা খুবই দরকার, কারন তারা নিজের সাথে সাথে অন্যদের খুশি করতে ও রাখতে সাহায্য করে।

৭১ টিভিতে হিরো আলমকে ডাকা হয়েছে। সে মনোনয়নপত্র কিনেছে। বগুড়া-৪ আসনে জাতীয় পার্টির হয়ে প্রতিদ্বন্দ্বিতা করবে। সাক্ষাৎকার শুনলাম। তার কথাবার্তা খুব গোছানো ছিলো। ট্রলড হবার মত কোনো বক্তব্য রাখে নি। এর কতটুকু যোগ্যতা আছে,জানি না। সে যদি সারা বাংলাদেশরে সিঙ্গাপুর ও বানায়ে দেয়, ওরে মাফ করবো না। এখনো চোখে ভাসে কলকাতার “কাদা-কাদা” স্যান্ডির সাথে তার মিউজিক ভিডিও গুলা। আগ্রহীরা ইউটিউবে দেখে নেন।

একাদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে অংশ নেয়ার ঘোষণা দিয়ে ইতোমধ্যে মনোনয়ন ফরম কিনেছেন সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে আকস্মিকভাবে আলোচনায় উঠে আসা বগুড়ার আশরাফুল হোসেন আলম ওরফে হিরো আলম।

সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে কয়েক বছর ধরে ব্যাপক আলোচিত হিরো আলমের হঠাৎ করে রাজনীতিতে আসা এবং নির্বাচনে প্রার্থী হওয়ার ঘোষণায় নতুন করে এখন আলোচনায় তিনি।

তবে সম্প্রতি বেসরকারি একটি টেলিভিশনে হিরো আলমের দেয়া একটি সাক্ষাৎকার বেশ নজর কেড়েছে মানুষের। ওই সাক্ষাৎকারে হিরো আলমের দেয়া বক্তব্য শেয়ার করে এখন তার প্রশংসাও করছেন অনেকে।

কী বলেলেন হিরো আলম
হিরো আলমের মনোনয়ন ফরম কেনার খবর দেশের প্রতিটি গণমাধ্যমেই প্রচার হয়েছে। তার এই মনোনয়ন ফরম কেনা নিয়ে সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে ব্যাপক হাসি-ঠাট্টা চলেছে।

এ বিষয়ে তিনি বলছেন, ‘অনেক স্টার-তারকা যদি বলেন আমি এমপি হবো, এইটা হবো, ওইটা হবো, তাদের নিয়ে কিন্তু কারো কোনো মাথা ব্যথা হয় না, হিরো আলম যদি কোনো পদে যায় তাহলে অনেক মানুষের কিন্তু মাথা ব্যথা বেড়ে যায়। হিরো আলম কেন এই পদে যাবে, হিরো আলমের কী আছে.. নেগেটিভ-পজেটিভ কিন্তু অনেক থাকেবেই.. কিন্তু তাদের কথা শুনলে তাহলে তো আমি এমপি হতে পারবো না.. আমি হিরোও হতে পারবো না।

নিজের দুর্বলতার প্রসঙ্গে তিনি বলেন, আমি কিন্তু একটা দিকেই দুর্বল। আমার চেহারা নেই। আমি হয়তো দেখতে খারাপ। তাছাড়া বড় বড় ক্রিকেটাররা, বড় বড় শিল্পীরা, এই পর্যন্ত আসতে পারে.. তাদের চেহারা সুন্দর বলে এই পর্যন্ত আসতে পারে? আমার চেহারা সুন্দর কম দেখে আমি এই জায়গাতে আসতে পারি না? কিন্তু চেহারা সুন্দর হলে কী হবে তারা প্রতিভাটা দেখাক..

ওই সাক্ষাৎকারে আত্মবিশ্বাসের সাথে হিরো আলম বলেন, আমাকে হিরো আলম কে তৈরি করেছে? আমি নিজে নিজে তৈরি হয়েছি।

আক্ষেপের সুরে হিরো আলম বলেন, আমাকে যদি কেউ একজন ভালো করে অভিনয় শেখাতো তাহলে আমি ভালো করে অভিনয় শিখতাম, আমার যদি টাকা-পয়সা থাকতো, তাহলে কী করতাম? ভালো মতো আমি লেখাপড়া করতাম।

অর্থ-সম্পদ থাকলে লেখাপড়া শিখে শুদ্ধভাবে কথা বলতে পারতেন বলেও দাবি করেন হিরো আলম।

‘স্বপ্ন দেখা সহজ, বাস্তব করা অনেক কঠিন,’ এমন কথাও বলেন হিরো আলম।

হিরো আলমের রাজনীতিতে অংশগ্রহণকে অনেকেই ইতিবাচক হিসেবে দেখেছেন। তাদের বক্তব্য, বাংলাদেশের রাজনীতিতে এমন সহজ-সরল মানুষের অংশগ্রহণ প্রয়োজন। কারো কারো কাছে তার বক্তব্য খুবই সাবলীল এবং উপযোগী মনে হয়েছে৷

অন্যদিকে, কেউ কেউ বলেছেন, টেলিভিশন বা সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমের জনপ্রিয়তা দিয়ে রাজনীতি হয় না। একজন লিখেছেন, রাজনীতিতে সহজ-সরল মানুষের স্থান নেই।

LEAVE A REPLY

Please enter your comment!
Please enter your name here