মোহামেডানকে হারিয়ে চ্যালেঞ্জ কাপ বসুন্ধরার

0
82

আগে গোল করে সোলেমানে দিয়াবাতে মোহামেডানকে স্বপ্ন দেখাচ্ছিলেন। সাদা-কালো শিবিরও প্রথমবারের মতো আয়োজিত চ্যালেঞ্জ কাপের শিরোপা জয়ের স্বপ্নে ছিল বিভোর! কিন্তু জায়ান্ট বসুন্ধরা কিংস তা হতে দিলে তো? শেষ ২৭ মিনিটে চমক দেখিয়ে তিন গোল আদায় করে প্রথম চ্যালেঞ্জ কাপ নিজেদের কাছে রেখে দিয়েছে। মোহামেডানকে হারিয়েছে ৩-১ গোলে।

শুক্রবার হিমশীতল বিকালে কিংসের বিপক্ষে মোহামেডান দেখেশুনে খেলতে থাকে। নিজেদের রক্ষণ জমাট রেখে প্রতি আক্রমণ ছিল তাদের ভরসা। মধ্যমাঠে কিংসকে ব্লক করে খেলেছে। অনেক সময় ধরে সফল থাকলেও বসুন্ধরা স্বমহিমায় ফিরেছে ঠিকই। ম্যাচের ৭ মিনিটে এগিয়ে যায় মোহামেডান। ইমানুয়েল সানডের ক্রসে সোলেমানে দিয়াবাতের হেড জড়িয়ে যায় জালে। আক্রমণ-প্রতি আক্রমণ নির্ভর ছিল প্রথমার্ধ। ১২ মিনিটে অল্পের জন্য গোল পায়নি বসুন্ধরা। জোনাথনের কর্নার থেকে ইসের হেডে চলে যায় বাইরে।

২৪ মিনিটে আবার মোহামেডান গোলের চেষ্টা করে। কিন্তু রহিম উদ্দিনের ক্রসে আরিফ বলের নাগাল পাননি। ৩১ মিগেলের শট তালুবন্দী করেন গোলকিপার।

বিরতির পর বসুন্ধরা বলতে গেলে দাপটটা বেশি দেখিয়েছে। ৫১ মিনিটে বক্সে ঢুকে জারেদ খাসা গোলকিপারকে একা পেয়ে দূরের পোস্ট দিযে মেরে সুযোগ নষ্ট করেছেন। ৫৭ মিনিটে মিগেলের পাস থেকে ফাহিমের শটও দূরের পোস্ট দিয়ে গেলে হতাশ হতে হয় তাদের।

৬২ মিনিটে কে বা কারা মাঠে ফ্লেয়ার ছুঁড়ে মারেন। মাঠের বড় অংশ রঙিন ধোয়ায় আচ্ছন্ন হয়ে পড়ে। তাতে খেলা বন্ধ থাকে ৯ মিনিট। খেলা শুরু হলে ৭৩ মিনিটে সমতা ফেরায় বসুন্ধরা। মিগেলের কর্নারে তপু ফাঁকায় বাঁ পা বাড়িয়ে সমর্থকদের মধ্যে স্বস্তি ফিরিয়ে আনেন। তার পরেই বদলেছে দৃশ্যপট। ৮০ মিনিটে আবার গোল করে এগিয়ে যায় বসুন্ধরা। মিগেলের ডান প্রান্তের ক্রসে ফাহিম পা বাড়িয়ে দারুণভাবে ফিনিশিং করেছেন। রিয়াদুল রাফি সঙ্গে থেকেও এই যাত্রায় রক্ষা করতে পারেননি।

১৮ মিনিটের যোগ করা সময়ে স্কোরলাইন ৩-১ করেছেন মিগেল। দিপুকে কাটিয়ে বক্সের ভেতরে জায়গা তৈরি করে নিয়ে দারুণভাবে প্লেসিং করেছেন মিগেল। ভুটানের রেফারি শেষ বাঁশি বাজাতেই শুরু হয় বসুন্ধরার উৎসব।

LEAVE A REPLY

Please enter your comment!
Please enter your name here