ডা: রাজিউল হকের ‘ব্রেইন ফাউন্ডেশন’ দখলের চেষ্টা

0
70

স্টাফ রিপোর্টার: অন্তর্বর্তী সরকার যখন মবসন্ত্রাসের বিরুদ্ধে আইনগত ব্যবস্থা নিচ্ছে, তখন রাজধানীর নাভিমূল তোপখানা রোডে ঘটলো আরেক মবসন্ত্রাসের ঘটনা। দেশের সনামধন্য নিউরোসার্জন, অধ্যাপক ডা: রাজিউল হকের তত্ত্বাবধানে পরিচালিত ‘বাংলাদেশ রিসার্চ একাডেমিক ইনস্টিটিউট ফর নিউরোসায়েন্স ফাউন্ডেশন (ব্রেইনফাউন্ডেশন)’ এ ঘটে এ ঘটনা। চেষ্টা চলে জনকল্যাণে প্রতিষ্ঠিত স্বে”ছাসেবামূলক প্রতিষ্ঠানটি জবরদখলের চেষ্টা। এ বিষয়ে রাজধানীর শাহবাগ থানায় অভিযোগ দায়ের করা হয়েছে। পুলিশ ঘটনাস্থল পরিদর্শনকরেছে।সংশ্লিষ্টদের চিহ্নিত করতে সিসিফুটেজ সংগ্রহ করা হয়েছে।

অভিযোগ মতে, প্রতি বৃহস্পতিবার সকাল ৯ টা থেকে অধ্যাপক ডা: রাজিউল হক রাজধানীর ১৪/২, তোপখানা রোড¯’ দোতলায় অবস্থিত ব্রেইন ফাউন্ডেশনে বিনামূল্যে রোগী দেখেন। সিডিউল অনুযায়ী গত ২৬ জুন তিনি রোগী দেখেন। রোগী দেখে বেরিয়ে যাওয়ার পর পরই বিকেল ৩টার দিকে লাঠিসোটা নিয়ে জোরপূর্বক ব্রেইন ফাউন্ডেশনে প্রবেশ করেন ৩০/৩৫ জনের একদল দুর্বৃত্ত। প্রথমেই তারা অধ্যাপক ডা: রাজিউল হককে খুঁজতে থাকেন। ওই সময় দফতরে উপস্থিত ছিলেন সংস্থাটির জেনারেল সেক্রেটারি অধ্যাপক ডা: এইচ.এম.শফিকুর রহমান ও সদস্য মো: হাফিজুলই সলাম জেমি।কিছু বুঝে ওঠার আগেই দুর্বৃত্তরা হাফিজুল ইসলাম জেমির ওপর চড়াও হয়। তাকে এলোপাতাড়ি মারধোর শুরু করে। তাকে গুরুতর জখম করে। মারতে মারতে তারা ব্রেইন ফাউন্ডেশন’র অফিস ছেড়ে দেয়ার হুমকি দেয়। না ছাড়লে খুন-জখমসহ প্রাণনাশেরও হুমকি দেয়। হামলা শেষে তারা ভয়-ভীতি দেখিয়ে ব্রেইন ফাউন্ডেশনের দরজায় তালা লাগিয়ে ঘটনাস্থল ত্যাগ করে। পরবর্তীতে হাফিজুল ইসলাম জেমি ব্রেইন ফাউন্ডেশন’র পক্ষে বাদী হয়ে শাহবাগ থানায় মামলার আবেদন করেন। এ প্রেক্ষিতে শাহবাগ থানার এসআই কেএম রেজাউল করিম ঘটনাস্থল পরিদর্শন করেন। তবে আজ (শনিবার) এ রিপোর্ট লেখা পর্যন্ত এজাহার হিসেবে গ্রহণ করেনি। এমনকি জড়িত কাউকে গ্রেফতারও করা হয়নি।

এ বিষয়ে শাহবাগ থানার সাব-ইন্সপেক্টর কেএম. রেজাউল করিম প্রতিবেদককে বলেন, বিষয়টি তদন্তাধীন।

উল্লেখ্য, ‘ব্রেইন ফাউন্ডেশন’একটি স্বেচ্ছাসেবামূলক অরাজনৈতিক প্রতিষ্ঠান। স্নায়ুরোগ নিয়ে গবেষণা এবং উচ্চ শিক্ষার লক্ষ্যে এটি প্রতিষ্ঠিত হয়। এটির প্রতিষ্ঠাতা চেয়ারম্যান দেশের খ্যাতিমান নিউরোসার্জন ও ঢাকা মেডিক্যাল কলেজের সাবেক অধ্যাপক ডা: মো: রাজউল হক। প্রতিষ্ঠালগ্ন থেকে নিম্ন আয়ের সাধারণ মানুষের সেবায় নিউরোলজিক্যাল রোগের বিনামূল্যে চিকিৎসাসেবা দিয়ে আসছে এ সংস্থাটি। প্রতিষ্ঠানটির সেক্রেটারি জেনারেল হিসেবে দায়িত্ব পালন করছেন কমিউনিটি মেডিসিনের সাবেক অধ্যাপক ডা: এইচ এম শফিকুরর হমান। তিনি দিনাজপুরের জিয়া হার্ট ফাউন্ডেশন ও শিশু হাসপাতালের অন্যতম সংগঠক হিসেবেও পরিচিত।

 

LEAVE A REPLY

Please enter your comment!
Please enter your name here