এনসিএল টি২০ লিগের লোগো উন্মোচন অনুষ্ঠানে বিসিবি সভাপতি আমিনুল ইসলাম বুলবুল ফিক্সিং প্রতিরোধের আহ্বান জানান স্টেকহোল্ডারদের কাছে। গতকাল যে মঞ্চে দাঁড়িয়ে সভাপতি ফিক্সিং থেকে ক্রিকেট বাঁচানোর ডাক দেন, সেখানেই উপস্থিত ছিলেন সন্দেহের তালিকায় থাকা এক ক্রিকেটার।
একটি বিভাগীয় দলের প্রতিনিধি হয়ে এনসিএলের অভিজ্ঞতা নিয়ে প্রতিক্রিয়াও দেন তিনি। অথচ বিসিবি কর্মকর্তারা বলেছিলেন, ২০২৪ সালের বিপিএলে ফিক্সিংয়ে জড়িত বা সন্দেহের তালিকায় থাকা ক্রিকেটারদের এনসিএল টি২০ লিগে খেলতে দেওয়া হবে না। এ জন্য ফ্যাক্ট ফাইন্ডিং কমিটির দেওয়া সংক্ষিপ্ত প্রতিবেদন পর্যালোচনা করে সুপারিশ নেওয়ার জন্য বিশেষ কমিটিও করা হয়েছিল। কমিটিকে রিপোর্ট দিতে বলা হয়েছিল ৭ সেপ্টেম্বরের মধ্যে। তারা রিপোর্ট পেশ করলেও তা আলোর মুখ দেখেনি। উল্টো নতুন করে তিন সদস্যবিশিষ্ট শাস্তি নির্ধারক কমিটি গঠন করা হয়েছে। তারা অভিযুক্তদের সাক্ষাৎকার নিয়ে শাস্তি নির্ধারণ করবেন বলে জানান বুলবুল।
২০২৪ সালের বিপিএলে স্পট ফিক্সিংয়ে জড়িতদের খুঁজে বের করে শাস্তি কার্যকর করার জন্য তিন সদস্যের স্বাধীন কমিটি গঠন করে বিসিবি। তদন্ত শেষে অভিযুক্তদের তালিকা ও দিকনির্দেশনা দেয়। যে তালিকায় জাতীয় দলের সাবেক ও বর্তমান কয়েকজন ক্রিকেটারের নাম রয়েছে। বিসিবি টুর্নামেন্ট কমিটি ও জাতীয় দল নির্বাচকরা অভিযুক্তদের শাস্তির অপেক্ষায় থেকে এনসিএলের ১৫ জনের চূড়ান্ত স্কোয়াড দেননি।
টুর্নামেন্ট কমিটির চেয়ারম্যান আকরাম খান বলেন, ‘সত্যি বলতে আমি রিপোর্টটা পাইনি। আমিও চাচ্ছিলাম যারা এগুলোতে (ফিক্সিং) সম্পৃক্ত, এই খেলায় তাদের না নেওয়াই ভালো। ১৪ তারিখ খেলা শুরু এর আগে রিপোর্টটা আমাদের কাছে বা নির্বাচকদের কাছে এলে নিঃসন্দেহে ব্যবস্থা নেওয়া হবে।’
বিসিবি সভাপতি বুলবুল বলছেন অন্য কথা, ‘আমরা তদন্ত দলের কাছ থেকে একটি রিপোর্ট পেয়েছি। সেখানে বেশ কিছু জিনিস আছে, যা আমাদের চিন্তায় ফেলে দিয়েছে। এটাকে সঠিকভাবে বাস্তবায়ন করার জন্য তিন সদস্যের একটি কমিটি গঠন করেছি। শিগগিরই তারা কাজ শুরু করবে।’





