শ্রীলঙ্কা-নিশাঙ্কার রেকর্ড ভাঙাগড়ার ম্যাচ

0
39

দুইশ রানের সংগ্রহের আভাস দিয়েছিল অস্ট্রেলিয়া। কিন্তু মাঝের ওভারগুলোতে তাদের ওপর চাপ তৈরি করে শ্রীলঙ্কা। ১৮১ রানে অজিদের থামিয়ে ১৮ ওভারের মধ্যে লক্ষ্য পূরণ করে তারা। পাথুম নিশাঙ্কা বিধ্বংসী ইনিংস খেলেন। ৮ উইকেটের এই জয়ে টি-টোয়েন্টি বিশ্বকাপের সুপার এইটে ওঠার পথে তিনি কয়েকটি কীর্তি গড়েছেন। রেকর্ডে নাম লিখিয়েছে শ্রীলঙ্কাও।

২— টি-টোয়েন্টি বিশ্বকাপে শ্রীলঙ্কার দ্বিতীয় ব্যাটার হিসেবে সেঞ্চুরি করলেন পাথুম নিশাঙ্কা। ২০১০ সালে জিম্বাবুয়ের বিপক্ষে প্রথম লঙ্কান হিসেবে সেঞ্চুরি করেন মাহেলা জয়াবর্ধনে। টুর্নামেন্টে অস্ট্রেলিয়ার বিপক্ষে প্রথম সেঞ্চুরিয়ান নিশাঙ্কা, পেছনে ফেলেছেন ২০১৪ সালে উমর আকমলের ৯৪ রানখে।

২০২২ সালে শ্রীলঙ্কার বিপক্ষে গ্লেন ফিলিপসের ১০৪ রানের পর প্রথম ব্যাটার হিসেবে সেঞ্চুরি করলেন নিশাঙ্কা। রান তাড়ায় টুর্নামেন্টে সেঞ্চুরি করা তৃতীয় ব্যাটার তিনি।

১৮২— শ্রীলঙ্কার টার্গেট, যা অস্ট্রেলিয়ার বিপক্ষে তাড়া করতে সফল হয়েছে। ঘরের মাঠে টি-টোয়েন্টিতে সফল রান তাড়া করার রেকর্ড গড়ল শ্রীলঙ্কা, যা ২০২২ সালে একই মাঠে অস্ট্রেলিয়ার বিপক্ষেই ১৭৭ রানের রেকর্ডকে পেছনে ফেলেছে।

সব মিলিয়ে টি-টোয়েন্টিতে শ্রীলঙ্কার এটি চতুর্থ সর্বোচ্চ সফল রান তাড়া করার রেকর্ড এবং টি-টোয়েন্টি বিশ্বকাপে তাদের সর্বোচ্চ। অস্ট্রেলিয়ার বিপক্ষে বিশ্বকাপে যে কোনো দলের সর্বোচ্চ সফল রান তাড়া করার রেকর্ডও।

১— নিশাঙ্কা শ্রীলঙ্কার প্রথম ব্যাটার হিসেবে টি-টোয়েন্টিতে একের বেশি সেঞ্চুরি করলেন। গত বছর এশিয়া কাপে ভারতের বিপক্ষে প্রথম শতক হাঁকান তিনি। জয়াবর্ধনে, তিলকারত্নে দিলশান ও কুশল পেরেরা এই ফরম্যাটে শ্রীলঙ্কার বিপক্ষে একটি করে সেঞ্চুরি করেছিলেন।

২-৪— টি-টোয়েন্টি বিশ্বকাপে অস্ট্রেলিয়ার বিপক্ষে শ্রীলঙ্কার জয়-পরাজয়ের রেকর্ড এটি। এর আগে টুর্নামেন্ট অস্ট্রেলিয়াকে সবশেষ শ্রীলঙ্কা হারিয়েছিল ২০০৯ সালে নটিংহ্যামে। ওই হারে অস্ট্রেলিয়া গ্রুপ পর্ব থেকেও বিদায় নেয়।

১০০*— রান তাড়ায় নিশাঙ্কার রান এটি। বিশ্বকাপে অস্ট্রেলিয়ার বিপক্ষে রান তাড়ায় প্রথম ব্যাটার হিসেবে সেঞ্চুরি তার। আগের সর্বোচ্চ স্কোরটি ছিল ফখর জামানের, ২০১৮ সালে হারারেতে ৯১ রান করেছিলেন তিনি।

অস্ট্রেলিয়ার বিপক্ষে দ্বিতীয় লঙ্কান হিসেবে সেঞ্চুরি করেছেন নিশাঙ্কা। ২০১১ সালে পাল্লেকেলেতেই দিলশান ১০৪ রান করেছিলেন।

৪— নিশাঙ্কার অপরাজিত ইনিংসহ শ্রীলঙ্কা তাদের টি-টোয়েন্টি ইতিহাসে চতুর্থ সেঞ্চুরি দেখল। সবগুলোই হয়েছে পাল্লেকেলেতে।

৫— এই টুর্নামেন্টে তিন ম্যাচের সবগুলোতে কুশল মেন্ডিসের ফিফটি। টি-টোয়েন্টি বিশ্বকাপে পঞ্চম ব্যাটার হিসেবে টানা তিনটি ফিফটি তার। এই কীর্তি গড়া অন্যরা হলেন— জয়াবর্ধনে (২০১০), বিরাট কোহলি (২০১৬-২১), বাবর আজম (২০২১) ও লোকেশ রাহুল (২০২১)।

১২.২৩— ট্র্যাভিস হেড ও মিচেল মার্শের ওপেনিং জুটির রান রেট এটি। ৫১ বলে ১০৪ রান করেছিলেন তারা। শতরানের উদ্বোধনী জুটি গড়ার পথে ওভারপ্রতি ১২-এর বেশি রান রেট, তবুও হার। এনিয়ে তৃতীয়বার এমন কিছুর দেখা পাওয়া গেল।

১৮১— অষ্টম ওভারে ৯৭ রান, কোনো উইকেট না হারিয়ে। তারপরও অস্ট্রেলিয়া করল ১৮১ রান! কেবল একটি দল এই ফরম্যাটে আট ওভার শেষে কোনো উইকেট না হারিয়ে ৯০ এর বেশি রান তুলেও বড় সংগ্রহ করতে পারেনি— ২০২৫ সালে সিঙ্গাপুরের বিপক্ষে আট ওভারে বিনা উইকেটে ৯২ রান করেছিল সৌদি আরব। কিন্তু তাদের সংগ্রহ ছিল ৮ উইকেটে ১৭৮ রান।

LEAVE A REPLY

Please enter your comment!
Please enter your name here